দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১১:৩৮
সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সম্ভাবনা
পাইকগাছায় মাদক ও অপহরণ মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৪:...
পাইকগাছায় অসাধু চিংড়ি ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও দেড় লাখ...
আনুলিয়ায় চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকি, মাছ লুট ও জবর...
সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকা-মাল ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন:...
কলারোয়ায় পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু
কায়রোর আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাতক্ষীরার প্রজ্ঞা
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া: আশার আলো...
চার দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় ভূমিহীনদের পথসভা
তালায় বর্ণিল চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
দেবহাটা

দেবহাটার শতবছরের ঐতিহ্যবাহী বটগাছটি ঘিরে গড়ে উঠতে পারে পর্যটনশিল্প

কর্তৃক kobirubel.satnadee জানুয়ারি ৮, ২০২১
জানুয়ারি ৮, ২০২১ ০ কমেন্ট 328 ভিউস

দেবহাটা ব্যুরো: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলা একটি ঐতিহ্যবাহী ও বহু প্রাচীন ইতিহাসের ধারক ও বাহক উপজেলা হিসেবে পরিচিত। এখানে বৃটিশ আমলে ছিল পৌরসভা ও জমিদারদের বসবাস। উপজেলা সদর থেকে টাউনশ্রীপুর পর্যন্ত মাত্র সাড়ে ৩ কিঃমিঃ এর মধ্যে ছিল ১৮ জন জমিদারের বসবাস। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে এই টাউনশ্রীপুরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় পৌরসভা ছিল। যার নাম ছিল দেবহাটা মিউনিসিপ্যালিটি এবং প্রতিষ্টা হয়েছিল ১৮৬৮ সালে। আর ১৯৫৫ সালে সেই পৌরসভার বিলুপ্তি ঘটে। পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন জমিদারদের প্রধান বাবু ফনীভূষন মন্ডল। ফনীভূষন মন্ডল দেবহাটার উন্নয়নের স্বার্থে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন। যার নিদর্শন স্বরুপ আছে দেবহাটা থানা ভবন, স্কুল, হাসপাতাল সহ বিভিন্ন স্থাপনা। তেমনি এখানে আরেকটি বড় ঐতিহ্যবাহী জিনিষ হচ্ছে সদরের শতবছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী একটি বটগাছ। যার অপর নাম বনবিবিতলা। দেবহাটা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ শত গজ পূর্বে এই গাছটি অবস্থিত। যে বটগাছটিকে ঘিরে রহস্য ও কৌতুহলের শেষ নেই। গাছটির না জানে কেউ জন্ম সাল বা না জানে কেউ জন্মের রহস্য। কথিত আছে শত বছরের পূর্বে একটি কাক উড়ে যাওয়ার সময় এখানে একটি ফল ফেলে দেয়। আর সেই ফল থেকেই এই গাছটির জন্ম। যে গাছটি এখন বিশাল বিস্তৃতি ঘটেছে। তবে আসল গাছ যে কোনটি সেটা কেউ বলতে পারেনা। জানা যায়, গাছটি যেখানে অবস্থিত সে জায়গাটির মালিক ছিলেন জমিদার ফনীভূষন মন্ডল। সেসময় অনেকে গাছটি কাটতে চাইলে ফনীবাবু গাছটিকে দেবতা মনে করে হিন্দুদের প্রথা অনুযায়ী গাছটিকে কাটতে দেননি। সেসময় থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাংলা ১লা মাঘ তারিখে গাছটিকে দেবতা মনে করে কলা, মিষ্টি, দুধ, মুরগী সহ বিভিন্ন জিনিষ দিয়ে মানত করত। বনবিবি মা সকলের মনবাসনা পূরন করে দিতেন বলে অনেকে জানান। পরবর্তীতে জমিদার ফনীভূষন গাছটিকে রক্ষানাবেক্ষনের জন্য জসিমউদ্দীন কারিকার নামে একজনকে দায়িত্ব দেন। জসিমউদ্দীন দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখানে হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমানেরাও যাওয়া শুরু করে। জসিমউদ্দীন কারিকারের মৃত্যুর পর তার ছেলে আইজুদ্দীন কারিকার গাছটিকে দেখাশুনা করত। সেখান থেকে আজ পর্যন্ত এখানে ১লা মাঘ তারিখে বনবিবি মার নামে মেলা বসে। এই সুন্দর ও মনোরম জায়গাটি একদিকে যেমন হয়ে উঠতে পারে সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি পহ্না ঠিক তেমনি হয়ে উঠতে পারে ভ্রমন পিপাসুদের বেড়ানোর মনোরম স্থান। কথিত আছে অনেক বছর আগে কোন এক ব্যক্তি এই গাছটির ডাল কাটলে গেলে সে এমন ভয়ঙ্কর জিনিষ দেখে যে দুইদিনের মধ্যে সে মারা যায়। এখানে অনেক দূর দূরান্ত থেকে মানুষেরা বেড়ানোর জন্য আসেন। অনেকে আবার বনভোজনের উদ্দ্যেশ্যেও এখানে আসেন। তাই এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটিকে ঘিরে সরকারী বা বেসরকারী পর্যায়ে গড়ে উঠতে পারে একটি পর্যটন কেন্দ্র। দেবহাটা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ এই বনবিবিতলায় জাকজমকপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়। ঐদিনে এখানে বিভিন্ন লোকজ ও বাউল সঙ্গীত সহ দেশী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাই স্থানীয়দের দাবী এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটিকে আরো সুন্দর ও নান্দনিক করে গড়ে তুলতে সরকারীভাবে উদ্যোগ গ্রহন করা হোক।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
বৃদ্ধ পিতাকে জিম্মিদশা থেকে মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহরের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
পরবর্তী পোস্ট
কুলিয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সভা

রিলেটেড পোস্ট

দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে ওসির বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন

অক্টোবর ১, ২০২৬

দেবহাটা সখিপুরের মেম্বার নজরুলের উদ্যোগে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

দেবহাটার গণ্ডি পেরিয়ে ফেয়ার মিশনের আন্তর্জাতিক যাত্রা

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

দেবহাটায় জামাত নেতার স্ত্রী’র মৃত্যুতে কুলিয়া আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের...

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

দেবহাটায় শিশুদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

দেবহাটায় কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির সাংগঠনিক সভা ও...

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

দেবহাটা কুলিয়া ইউনিয়নকে মডেল ও আধুনিক করে গড়তে...

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে দেবহাটায় আনন্দ মিছিল

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

দেবহাটায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে...

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting