দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ৪:৩১
সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সম্ভাবনা
পাইকগাছায় মাদক ও অপহরণ মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৪:...
পাইকগাছায় অসাধু চিংড়ি ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও দেড় লাখ...
আনুলিয়ায় চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকি, মাছ লুট ও জবর...
সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকা-মাল ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন:...
কলারোয়ায় পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু
কায়রোর আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাতক্ষীরার প্রজ্ঞা
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া: আশার আলো...
চার দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় ভূমিহীনদের পথসভা
তালায় বর্ণিল চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনিসাতক্ষীরা জেলা

স্মৃতির অতলে আশাশুনির লাটিম খেলা

কর্তৃক SK Ferdous জানুয়ারি ১১, ২০২২
জানুয়ারি ১১, ২০২২ ০ কমেন্ট 445 ভিউস

সচ্চিদানন্দদেসদয়,আশাশুনি থেকে: 

স্মৃতির অতল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক গ্রাম্য খেলা। বর্তমানে নতুন প্রজন্ম এসব খেলা ভুলতে বসেছে। নতুন প্রজন্ম এখন মোবাইল সেটে বিভিন্ন গেম খেলায় মত্ত হয়ে তারা ভুলতে বেসেছে এসব খেলা। বাপ দাদারা ছোট ছেলেমেয়েরা বেশি বিরক্ত করলে রেগে গিয়ে বলতেন এমন মার দেব যে লাটিমের মতো ভোঁ ভোঁ করে ঘুরবি’-গ্রামের মানুষ এখনও এই কথার চল থাকলেও আশাশুনির এলাকা থেকেই লাটিম খেলার চল প্রায় উঠে গেছে। তবে গ্রামাঞ্চলে এক সময় লাটিম খেলার প্রচলন ছিল বেশি।

লাটিম খেলতে একজন যেমন খেলতে পারে, তেমনি ৪/৫ জনও দলবদ্ধ হয়ে খেলতে পারে। একজন খেললে তার কাছে লাটিম খেলা মানে এটি কতক্ষণ ঘোরাতে পারে তা পরীক্ষা করে দেখা। আর কয়েকজন মিলে খেললে সেটা হয় প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় যে জিতে সে হেরে যাওয়া খেলোয়াড়ের লাটিমের মালিক হয়ে যায়। লাটিম সাধারণত কাঠমিস্ত্রিরা বানায়। 

এদের কাছ থেকে ছেলেরা এগুলো কিনে আনে।লাটিম ঘোরানোতে চিকন দড়ি বা ফিতা ব্যবহার করা হয়। একে কোন কোন অঞ্চলে লেতি বলে।ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা খেলার শুরুতে সমতল ভূমিতে একটি বৃত্ত আঁকা হয়। এই বৃত্ত আঁকারও একটা নিয়ম আছে। প্রথমে একটি লাটিমের সঙ্গে লেপতির এক মাথা বাধা হয়। এরপর একজন লেপতির অপর মাথা মাটিতে  চেপে ধরে। আরেকজন খেলোয়াড় লেপতি টানটান করে লাটিমটি মাটিস্পর্শ করে ঘুরিয়ে আনলেই লাটিমের সোঁচালো আলে দাগ বসে যায়। 

এতেই বৃত্ত তৈরি হয়। এরপর শুরু হয় খেলা। একেকজন খেলোয়াড় লাটিম বৃত্তের মধ্যে ঘোরানো শুরু করে।এরপর যার লাটিমটি ঘুরতে ঘুরতে বৃত্ত থেকে বেরিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরে যায় সে প্রথম, তারপর যারটি থাকে সে দ্বিতীয় হয়। এমনভাবে তৃতীয়, চতুর্থও নির্ধারণ হয়। এরপর চতুর্থ অবস্তানের খেলোয়াড় বৃত্তে লাটিম ঘুরিয়ে দেয়, তৃতীয় অবস্থানের জন তার লাটিম দিয়ে ঘোরানো লাটিমকে আঘাত করে বৃত্তের বাইরে আনতে পারলে লাটিমটি তার হয়ে যায়।এরপরে তৃতীয় অবস্থানের খেলোয়াড় তার লাটিম ঘুরালে, দ্বিতীয় অবস্থানের খেলোয়াড় একইভাবে ওই লাটিমকে তার লাটিম দিয়ে আঘাত করে বৃত্তের বাইরে নিতে পারলে সেটির মালিক হয়। 

এরপর দ্বিতীয় খেলোয়াড়ের লাটিমকে প্রথম অবস্থানের খেলোয়াড় আঘাত করে বাইরে নিতে পারলে সেটির মালিক সে হয়। এভাবে চলতে থাকে খেলা।তবে এ খেলায় লাটিমের আঘাতে অন্যের লাটিম ভেঙেও যায় অনেক সময়। আর সেটা করতে পারলে খেলোয়াড়রা অনেক বাহ্বা পায়। এজন্য লাটিমের আল সোঁচালো করতে পছন্দ করে খেলোয়াড়রা। এছাড়াও কে কতক্ষণ সময় ধরে লাটিম ঘোরাতে পারে সে প্রতিযোগিতাও হয় শিশুকিশোরদের মধ্যে।গ্রামের অনেক শিশু-কিশোরই মাটিতে ঘুরানো লাটিম অদ্ভুত কৌশলে হাতের তালুতে তুলেনলেও তা ঘুরতে থাকে। হাতের তালুতে লাটিম ঘোরানোর প্রতিযোগিতাই কখনও কখনও মেতে ওঠে গ্রামের ছেলেরা।

 গ্রাম-বাংলায় এখনও বিচ্ছিন্ন লাটিম খেলা দেখা যায়। হাট-বাজারে লাটিম বেচা-কেনা হয়।লাটিম খেলা সম্বন্ধে,ধারাভাষ্যকর আবু মুছা বলেন,অনেক গ্রাম্য খেলাকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি।আমাদের সময় লাটিম খেলা ছিল একটা আনান্দের ব্যাপার।নতুন প্রজন্ম মোবাইলে গেম না খেলে যাতে আমাদের সন্তানরা এসব খেলার প্রতি আকৃষ্ট হয় সে বিষয়ে নজর দিতে হবে।

 

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাগড়রদাঁড়ী ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ,আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হল কৃষকের বাড়ি
পরবর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরায় কালের কণ্ঠের যুগপূর্তি উদযাপন

রিলেটেড পোস্ট

সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সম্ভাবনা

অক্টোবর ১, ২০২৬

আনুলিয়ায় চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকি, মাছ লুট ও জবর...

অক্টোবর ১, ২০২৬

কায়রোর আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাতক্ষীরার প্রজ্ঞা

অক্টোবর ১, ২০২৬

আশাশুনির বুধহাটা ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে জখম, দুজন...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

নবারুন স্কুলের বহিস্কৃত প্রধান শিক্ষক মালেক গাজীর বিরুদ্ধে...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট...

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

তালায় টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের উদ্বোধন

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, চিঠি পেল...

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

শাশুড়ির পরকিয়া ধরাই কাল হল পুত্রবধুর

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting