দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | বিকাল ৩:৪২
সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক...
শ্যামনগর রমজাননগর ইউপি’র জনগনের প্রত্যাশা পুরনে এগিয়ে চেয়ারম্যান...
অগ্রগতি সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার সেলিমুর রহমান আর নেই
দেবহাটায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
শ্যামনগরে অবৈধ ইটভাটার নিউজে আমার বক্তব্য দিলে ‘বাসা...
খুলনায় তিন স্থানে গুলি, আইসিইউতে সাবেক ছাত্রদল নেতা:...
শ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধন: নিরাপত্তার দাবী জেলে-বাওয়ালিদের
মাদক সেবনকালে সাতক্ষীরায় বিএনপি নেতাসহ আটক ৩! ভ্রাম্যমাণ...
তালায় জাতীয় পার্টির নেতার মৃত্যু: দাফন সম্পন্ন
তালায় আট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাবীদের পাশে জেলা পরিষদ, পেল...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনি

মর্তে বাঁজলো মায়ের জয়ধ্বনি, আজ মহালয়া

কর্তৃক kobirubel.satnadee অক্টোবর ৫, ২০২১
অক্টোবর ৫, ২০২১ ০ কমেন্ট 344 ভিউস

সচ্চিদানন্দদেসদয়: ‘মহ’ শব্দটির দুইটি অর্থ আছে। ‘মহ’ বলতে বোঝায় পূজা, আবার ‘মহ’ বলতে বোঝায় উৎসব। আবার মহালয় বলতে বোঝায় মহান + আলয় = মহালয়। তার সঙ্গে স্ত্রীকারান্ত’ আ। মহালয় হচ্ছে পূজা বা উৎসবের আলয় বা আশ্রয়। আলয় শব্দটির একটি অর্থ হচ্ছে আশ্রয়। আন্যদিকে ‘মহালয়’ বলতে, ‘পিতৃলোককে’ বোঝায় -যোখানে বিদেহী পিতৃপুরুষ অবস্থান করছেন। তা যদি হয় তাহলে পিতৃলোককে স্মরণের অনুষ্ঠানই মহালয়া। কিন্তু তাহলে স্ত্রীলিঙ্গ হল কেন? পিতৃপক্ষের অবসানে, অন্ধকার অমাবস্যার সীমানা ডিঙিয়ে আমরা যখন আলোকময় দেবীপক্ষের আগমনকে প্রত্যক্ষ করি – তখনই সেই মহা লগ্নটি আমাদের জীবনে ‘মহালয়ার’ বার্তা বহন করে আনে। এক্ষেত্রে স্বয়ং দেবীই হচ্ছে সেই মহান আশ্রয়, তাই উত্তরণের লগ্নটির নাম মহালয়া।বাজলো ঢাক, বাজলো তোমার আগমনী/ শারদপ্রভাতে শুনি তোমার জয়ধ্বনি।’ আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের পূণ্যলগ্ন, শুভ মহালয়া। পিতৃপক্ষের শেষে দেবীপক্ষের শুরু। মা আজ পা রেখেছেন মর্ত্যলোকে। চÐীপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহনই মহালয়া। বাঙ্গালি হিন্দু স¤প্রদায়ের কাছে এ হচ্ছে দুর্গা দেবীর আগমনী বার্তা।

সনাতন ধর্মে কোনও শুভ কাজ করতে গেলে, পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সমগ্র জীব-জগতের জন্য তর্পণ করতে হয়, কার্যাদি-অঞ্জলি প্রদান করতে হয়। তর্পণ মানে খুশি করা। ভগবান শ্রীরাম লঙ্কাজয়ের আগে এই দিনে এমনই করেছিলেন।

সেই অনুসারে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন, তাঁরা তাঁদের পূর্বপূরুষদের স্মরণ করে, তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াতদের আত্মা মর্ত্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আত্মার এই সমাবেশকে মহালয় বলা হয়। মহালয় থেকে মহালয়া। পিতৃপক্ষের শেষ দিন এটি।

সনাতন ধর্ম অনুসারে, বছরে একবার প্রয়াত পিতা-মাতার উদ্দেশে পিÐ দান করতে হয়। সেই তিথিতে করতে হয় যে তিথিতে তাঁরা প্রয়াত হয়েছেন। সনাতন ধর্মের কার্যাদি কোনও তারিখ অনুসারে করা হয় না, তিথি অনুসারে হয়।বছর ঘুরে আবারো উমা দেবী আসছেন তার বাপের বাড়ি। হিমালয়ের কৈলাশে স্বামী শিবের বাস। সেখান থেকেই সুদূর পথ পাড়ি দিয়ে আসেন সমতল ভূমির এই বাংলায়। সঙ্গে নিয়ে আসেন গণেশ, কার্ত্তিক, লক্ষী আর সরস্বতীকে। প্রতিবছর শরৎকালে দেবী দুর্গার এই আগমন হয় তার নিজ ভূমিতে। হিন্দু শাস্ত্রমতে দেবী দুর্গার আবাহনই মহালয়া হিসেবে পরিচিত।

মহালয়া দুর্গোৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এদিন গঙ্গা,নদী,পুকুর তীওে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করে ভক্তরা মৃত আত্মীয়স্বজন ও পূর্বপুরুষদের আত্মার মঙ্গল কামনা করেন। রাজা সুরথ সর্বপ্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেন। বসন্তকালে তিনি এই পূজার আয়োজন করায় দেবীর এ পূজাকে বাসন্তী পূজাও বলা হয়। শ্রী রামচন্দ্র রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে দুর্গাপূজার আয়োজন করেছিলেন। তাই শরৎকালের এই পূজাকে হিন্দুমতে অকালবোধনও বলা হয়। এই দিনে দেব-দেবীকুল দুর্গাপূজার জন্য নিজেদের জাগ্রত করেন। আজ(বুধবার) ভোরে মন্দিরে মন্দিরে শঙ্খের ধ্বনি ও চÐিপাঠের মধ্য দিয়ে দেবীর আবাহন হবে। মহালয়ার সময় ঘোর অমাবস্যা থাকে। মহাতেজের আলোয় সেই অমাবস্যা দূর হয়। প্রতিষ্ঠা পায় শুভশক্তি।

এভাবেই মর্ত্যলোকে আবাহন ঘটে দেবী দুর্গার। মন্দিরে মন্দিরে উচ্চারিত হয় ‘যা দেবীষু সর্বভূতেষু মাতৃরূপেন সংস্থিতা, নমস্ত্যসৈ নমস্ত্যসৈ নমস্ত্যসৈ নমঃ নমঃ’। ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও মূলত আজ থেকেই পূজারীরা দুর্গা মায়ের আগমন ধ্বনি শুনতে পান।

দুর্গোৎসব ঘিরে নানা আয়োজনে ব্যস্ত হিন্দু  স¤প্রদায়ের মানুষ। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সব ধর্ম ও শ্রেণির বাঙালির মধ্যেও। পূজার আনন্দে মাতোয়ারা বাঙালি জাতি। মন্দিরে মন্দিরে চলছে প্রতিমা সাজসজ্জার কাজ। দেবী মূর্তি নির্মাণ শেষ, গায়ে রঙ ছোঁয়ানোর অপেক্ষায় দক্ষ ভাস্কর, নিপুণ শিল্পী। ধূলোবালি লেগে নষ্ট হয়, তাই কাপড়ের পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে প্রতিমাগুলোকে। আয়োজকরা ছুটছেন দর্জিপাড়ায়। মা দুর্গার লাল টুকটুকে বেনারসি শাড়ির জরির কাজ, গণেশের ধুতিতে নকশাদার পাড় বসানো আর মহিষাসুরের জমকালো পোশাক তৈরির কাজ। কেউবা ছুটছেন কামারপাড়ায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে বানিয়ে নিচ্ছেন দেবীর হাতের চক্র, গদা, তীর-ধনুক ও খড়গ-ত্রিশূল আর ভীষণ ঘষামাজায় মিস্ত্রিরা ব্যস্ত মÐপগুলোকে নতুন রূপে সাজিয়ে তুলতে। ডেকোরেটর কর্মীদের ঘুম নেই। আয়োজকদের ফরমায়েশ আর ডিজাইন অনুযায়ী গড়ে তুলছেন  পূজামÐপ। চলছে সংস্কারের শেষ কাজটুকু।

মহালয়া-র তার চেয়ে বড় গুরুত্ব আছে… ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র অকালে দেবিকে আরাধনা করেছিলেন লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য। আসল দূর্গা পূজা হলো বসন্তে, সেটাকে বাসন্তি পূজা বলা হয়। শ্রীরামচন্দ্র অকালে-অসময়ে পূজা করেছিলেন বলে এই শরতের পূজাকে দেবির অকাল-বোধন বলা হয়। সনাতন ধর্মে কোন শুভ কাজ করতে গেলে, বিবাহ করতে গেলে প্রয়াত পূর্বরা, যাদের পিতা-মাতা তাদের পিতা-মাতার জন্য, সাথে সমগ্র জীব-জগতের জন্য তর্পণ করতে হয়, কার্যাদি-অঞ্জলি প্রদান করতে হয়। তর্পণ মানে খুশি করা। ভগবান শ্রীরাম লঙ্কা বিজয়ের আগে এদিনে এমনই করেছিলেন। সেই অনুসারে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপূরূষের স্মরন করে, পূর্বপূরুষের আতœার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্মে পুরাণ অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়, প্রয়াত আত্মা যে সমাবেশ হয় তাহাকে মহালয় বলা হয়। মহালয় থেকে মহালয়া। পিতৃপক্ষের ও শেষদিন এটি।মা দুর্গার পথে আসার প্রক্কালে পৃথিবী রোগ মুক্ত,হিংসা দ্বেষ দূও হোক এ প্রার্থনা করি। (সংকলিত){সচ্চিদানন্দদেসদয়,সাংবাদিক,আশাশুনি}

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
ভূবন বিখ্যাত পাঠক বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ার মহানায়ক
পরবর্তী পোস্ট
সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকায় বন কর্মকর্তাদের হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন

রিলেটেড পোস্ট

আশাশুনিতে অপপ্রচার ও হুমকির প্রতিবাদে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ...

অক্টোবর ২৫, ২০২৬

আশাশুনিতে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হলো জাসাসের আহবায়ক! সমালোচনার ঝড়

অক্টোবর ২৫, ২০২৬

আশাশুনিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-২

অক্টোবর ২৪, ২০২৬

আশাশুনির প্রতাপনগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু

অক্টোবর ২৪, ২০২৬

আশাশুনিতে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার

অক্টোবর ২৩, ২০২৬

আশাশুনির নাটানায় ইটের রাস্তা সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ

অক্টোবর ২২, ২০২৬

আশাশুনিতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে এএসপি বায়েজিদ ইসলাম

অক্টোবর ১৮, ২০২৬

আশাশুনিতে জামায়াতে ইসলামীর রুকন শিক্ষা বৈঠক

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

আশাশুনিতে ভ্যান চোরসহ ৩ জন গ্রেফতার

অক্টোবর ১৫, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting