
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়ন জাসাসের আহবায়ক করা হলো প্রতাপনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে। গত ২৩ অক্টোবর মোস্তাফিজুর রহমানকে আহবায়ক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করে আশাশুনি উপজেলা জাসাসের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বাচ্চু এবং সদস্য সচিব শরিফ ইমরান টিটো।
এদিকে কমিটি ঘোষণার পর তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে প্রতাপনগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে। অনতিবিলম্বে তারা এই কমিটি বাতিল এবং মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন।
এছাড়া এই কমিটি ঘোষণা করায় তীব্র সমালোচনা করে আ.লীগ নেতাদের সাথে মোস্তাফিজুর রহমানের সংশ্লিষ্টতার ছবি এবং তার পদপদবীর তালিকা সংশ্লিষ্ট ছবিও ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।
প্রতাপনগর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফয়সাল হোসেন বলেন, মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতেই আ.লীগের অফিস ছিল। সে এবং তার ভাইরা আ.লীগের ক্যাডার। আ.লীগের লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান ছিলা মোস্তাফিজুর রহমানের ভাই রিয়াসাত আলী সরদার। মোস্তাফিজুর রহমানের মত আ.লীগ ক্যাডারকে যদি বিএনপিতে আশ্রয় পায় তবে আমাদের আর দল করে লাভ নেই। ১৭ বছর নির্যাতন সহ্য করে এই দল করছি। আর এখন যদি বিএনপির তাদেরকে বেশী প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের বাদ দিয়ে দিক।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আশাশুনি উপজেলা জাসাসের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, যুবদলের কমিটিতে তার নাম দেখে তাকে জাসাসের আহবায়ক করা হয়েছে। তবে আ.লীগের সংশ্লিষ্টতা পেলে কমিটি বিলুপ্ত করা হবে।
এ বিষয়ে জানার জন্য মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে কল দিলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

