
শেখ আহসান হাবিব: কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের খাঁরহাট গ্রামে একটি মৎস্যঘের থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামের বাসিন্দা মৃত গৌর দাসের ছেলে বিপুল দাস দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাবে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও দাবি তাদের। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিপুল দাস তার বাড়ির পাশের একটি মৎস্য ঘেরে বালু উত্তোলনের কাজ পরিচালনা করছেন। উত্তোলিত বালু বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। তাদের দাবি, অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভারী যানবাহনের চলাচল বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে এলাকার গ্রামীণ সড়ক গুলোতে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, উপকূলীয় জেলা হিসেবে সাতক্ষীরার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার পাশাপাশি কৃষি জমি, মৎস্যঘের ও স্থানীয় অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়তে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিপুল দাস বলেন, আমি আমার নিজস্ব মৎস্যঘের থেকে বালু উত্তোলন করছি। এতে প্রশাসন বা অন্য কারও কিছু করার নেই।তবে স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে বালু উত্তোলন আইন ও পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধিবিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

