
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার আশাশুনী উপজেলায় সংঘবদ্ধ হামলা, হত্যাচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক যুবক। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাতক্ষীরা পিবিআই এবং আশাশুনী থানার ওসিকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী মোঃ মাকফুর রহমান (৩২), পিতা- মোঃ ছাদেক আলী সরদার, গ্রাম- দক্ষিণ দাদপুর, থানা- আশাশুনী, জেলা- সাতক্ষীরা। তিনি সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী ৮ নম্বর আদালতে দায়ের করা নালিশী মামলায় অভিযোগ করেন, গত ১৯ জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আশাশুনী উপজেলার আগরদাড়ী গ্রামের শাহাদাত হোসেন লিটনের চায়ের দোকানের সামনে তার ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে।
আশাশুনী থানার দাদপুর গ্রামে অবস্থিত দাদপুর গ্রামে আল আকসা আলমে মসজিদের ইমাম মোঃ নাঈম হাসান, পিতা- মইনুর বিশ্বাস, গ্রাম- দামপুর এই ব্যক্তি অত্র মসজিদে ইমামতি করত। কিন্তু তাহার সভাব চরিত্র খুবই খারাপ। ইমামতি করা কালে পার্শ্ববর্তী একজন মহিলার সহিত অপকর্মে লিন্ড হওয়ার বিষয় প্রথমে ধরা পড়লেও স্থানীয়ভাবে ভাহার আত্মীয়-স্বজনের প্রভাবে বিষয়টা ধামা চাপ্য পড়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত ইমাম সুযোগ বুঝে অপকর্মে আরো লিপ্ত হয় পরবর্তীতে প্রমান পাওয়ায় স্থানীয় আঁগরদাড়ী গ্রামে জনৈক সোহাগ ইমামের কৃ কৃত্তি ফেসবুকে পোষ্ট করে। ফেসবুকে পোষ্ট করার পর বাদী মাকফুর রহমান উক্ত পোষ্টে কমেন্ট করে। কুকর্মের বিষয় মোবাইলে কমেন্ট করার জের ধরে আসামীদের তার সৃস্টি হয়।
এজাহারে বলা হয়, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর আসামিরা দলবদ্ধভাবে তার ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। হামলার সময় লোহার জিআই পাইপ ও অন্যান্য বস্তু দিয়ে আঘাত করা হলে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া একজন আসামীর বিরুদ্ধে তার পকেটে থাকা নগদ ১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।
মামলার বাদীর দাবি, হামলার পর তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আশাশুনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৯ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সিটি স্ক্যানসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।
মামলায় আফজাল হোসেন, হৃদয়, সাদ্দাম হোসেন, রুস্তম আলী সরদার ও বাবুর আলীকে আসামি করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

