
কামরুল হাসান: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী কলারোয়ায় শ্রদ্ধাভরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল কালো পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি নেতা কর্মীকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে জাতীয়তাবাদী শক্তির বুনিয়াদ সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের নির্দেশিত পথে নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বেগমান করার আহ্বান জানান তিনি। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তামিম আজাদ মেরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, সাবেক অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক, পৌর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মোস্তফা আখলাকুর রহমান শেলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক ও পৌর কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এসকে এম আবু রায়হান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন, বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এসএম শহিদুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী মিসেস রাশিদা আশরাফ, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এমএ হাকিম সবুজ, সদস্যসচিব তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, পৌর যুবদলের আহবায়ক আব্দুল মজিদ, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আরিফুর রহমান রঞ্জু, যুগ্ম আহবায়ক মুসা কালিমুল্লাহ, ছাত্রদল নেতা শাহজালাল আহমেদ সাজু, জি এম সোহেলসহ বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠানে সাবেক এমপি বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব মানবকল্যাণের অংশ হিসেবে কলারোয়া ইউরেকা পাম্পের পাশে নিজস্ব ২ বিঘা ৫ কাঠা জমি থেকে ১ বিঘা জমি অসহায় ও দুস্থ মানুষের বসবাসের আশ্রম হিসেবে দান করার ঘোষণা দেন। এবং এতিম শিশুদের জন্য একটি এতিমখানা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন।

