দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | দুপুর ১:৪৫
আদালতের নোটিশের মধ্যেই বিরোধপূর্ণ জমিতে দোকান বসানোর অভিযোগ
দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রুটিন পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার...
আশাশুনিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমাবেশ
কাদায় বেহাল কৈখালীর ‘আলহাজ্ব মরহুম আদম গাজীর কেয়ার’...
দেবহাটায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি রাজ্জাক...
কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে বোমা হামলার অভিযোগ, আহত ১
দেবহাটায় নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন 
কালিগঞ্জে ‘বিএনপি’ কার্যালয়ে বোমা হামলার অভিযোগ, আহত ১:-
সরকারি চাকুরে নারীর চরিত্র হননে ব্যস্ত এরা কারা?
নলতায় বেগম খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আন্তর্জাতিক

দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ- পূর্ব ইউরোপকে শক্তিশালী করেছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ

কর্তৃক kobirubel.satnadee ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩ ০ কমেন্ট 351 ভিউস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রাশিয়া ও ইউক্রেন ছাড়া পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ হচ্ছে মলদোভা, বেলারুশ, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ও তুরস্ক। জার্মান চ্যান্সেলরের হোয়াইট হাউজ সফরকে একসময় ইউরো-আমেরিকান কূটনৈতিক সম্পর্কের চূড়া বিবেচনা করা হতো। জার্মানির ওলাফ শলৎজ ৩ মার্চ জো বাইডেনের সঙ্গে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন, ডিসি-তে যাবেন, তখন এটি সেই পাক্ষিক ইউরোপের সঙ্গে আমেরিকান প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে গণ্য নাও হতে পারে। গত সপ্তাহে মধ্য ইউরোপের দেশ পোল্যান্ড সফরের সময় বাইডেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এর পূর্ব প্রান্তের নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন। ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের সহায়তার জন্য প্রশংসাও করেন। এতে প্রতীয়মান হয় যে ইউরোপ যুদ্ধের ফলে পুনর্গঠিত হয়েছে ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ব প্রান্তের দেশগুলো মনে করে এখন সময় এসেছে। দেশগুলোর নেতাদের বক্তব্যে, পূর্ব দিকে একটি টেকটোনিক স্থানান্তর ঘটছে। ‘পুরোনো ইউরোপ’ থেকে ক্ষমতা দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আগ্রাসনের প্রথম সারিতে থাকা দেশগুলোর ভুল ধারণা ছিল। যুদ্ধ নতুন ধারণা ও নতুন নেতৃত্বের সুযোগ করে দিয়েছে। পোলিশ উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওয়েল জাবলনস্কি বলেছেন, এটি সমগ্র ইউরোপের জন্য একটি অস্তিত্ব রক্ষার সময়। ইউক্রেন এখন প্রার্থী হয়ে এই ক্লাবের অংশ হতে পারে। কেউ কেউ স্বপ্ন দেখেন পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ ও ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মধ্যে একটি নতুন অক্ষ শক্তি তৈরি হতে পারে যেমন প্যারিস ও বার্লিনের মধ্যে আছে।

দ্রুত নয় তবে ইউরোপীয় দেশগুলোর মেজাজ যে পরিবর্তিত হয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। পোল্যান্ডের মতো দেশগুলো যেমন ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় ৯টি দেশের জোট ‘বুখারেস্ট নাইন বা বি-নাইন’ এর ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে। এসব দেশ হলো বুলগেরিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, হাঙ্গেরি, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া ও স্লোভাকিয়া। ২০০৪ সালে এসব দেশ ন্যাটোর সদস্য হয়। এই অঞ্চলটি এর আগে একটি বৃহত্তর ইউরোপীয় নেতৃত্বের ভূমিকার সুযোগ নষ্ট করেছে।

পশ্চিম ইউরোপীয়রাও স্বীকার করে এটি মধ্য ইউরোপের দেশগুলোর সময়। গ্যাসের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভর করার ঝুঁকি জার্মানিতে অতি-উদ্বেগজনক বিবেচিত হতো। এখন তারা দূরদর্শী সম্পন্ন। মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো যেভাবে লাখ লাখ ইউক্রেনীয়কে সহায়তা করেছে তার জন্য ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে।

ইউক্রেনকে সাহায্য করার জন্য এই অঞ্চলের অস্ত্রাগার নিষ্কাশন করা হয়েছে। পোল্যান্ড থেকে লেপার্ড ট্যাংকের প্রথম চালান ছাড়া হয়েছে এবং প্রচুর নতুন সামরিক কিট অর্ডার করা হয়েছে। সবই মধ্য ইউরোপকে নৈতিক নেতৃত্বের সুযোগ করে দিয়েছে ইইউর টেবিলে কথা বলার জন্য। একজন পশ্চিম ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, ‘আমরা সবসময় তাদের কথা শুনতাম। এখন সম্ভবত আমরা একটু বেশি শুনি।’

নিরাপত্তা ও হুমকির ওপর জোর দেওয়া একটি ভিন্ন ইস্যু। পোল্যান্ড ও অন্যান্য ফ্রন্টলাইনে থাকা দেশগুলোর জন্য রাশিয়ার হুমকি শিগগির হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই অঞ্চলের নেতারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন পুতিনের সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা একদিন তাদের দিকে ফিরে আসবে। ওয়ারশের একটি থিংক ট্যাংক ওএসডব্লিউ-এর জাস্টিনা গোতকোস্কা বলেছেন,যতদিন পুতিন ক্ষমতায় থাকবেন, ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি হলেও, আমরা ধরে নিই যে এটি যুদ্ধে বিরতিই হবে, মিমাংসা নয়।

পশ্চিম ইউরোপ সামগ্রিকভাবে, ভিন্নভাবে বিষয়টি অনুধাবন করে। ইউক্রেনও সেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশটিকে সাহায্য করার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ব্যয় করা হচ্ছে, সশস্ত্র বাহিনীকে সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। যুদ্ধ মহাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। ফিনল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ানদেরও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

কিন্তু ব্রাসেলস, ডাবলিন বা প্যারিস থেকে দেখা যায়, যুদ্ধ সত্ত্বেও জীবন চলে। জ্বালানির ক্ষেত্রে নতুন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইউরো জোন মাইগ্রেশন বা ব্রেক্সিট যাই হোক না কেন, গত এক দশকে ইউরোপীয় দেশগুলো অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। এটি আগামী বছরগুলোতেও আরও সমস্যার মুখোমুখি হবে, তাকে কোনো সন্দেহ নেই।

ইইউ নেতারা যখন ব্রাসেলসে মিলিত হন, তখন ফোকাস পয়েন্ট আর শুধু ইউক্রেনের দিকে থাকে না। অবৈধ অভিবাসনের পুনরুত্থানে ইউরোপের যে পদ্ধতিতে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত, তা বলা বা আমেরিকার সবুজ ভর্তুকিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর মতোই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে আসে। এটি মধ্য ইউরোপীয়দের জন্য বিস্ময়কর যে পুতিন তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস নিতে পারেন। তাদের কাছে, ইউক্রেন ব্যতীত অন্য কিছু নিয়ে আলোচনা করা মানে অবমূল্যায়ন করা।

পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাতেউস মোরাউইকি ইউরোপের বাকি অংশকে ‘জাগিয়ে দেওয়ার’ জন্য তাকে যে কাজটি করতে হবে তার কথা বলেছেন। পোল্যান্ড যুক্তিসঙ্গতভাবে আশা করতে পারে যুদ্ধে তার ভূমিকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব নিরসনে সহায়তা করবে।

বুখারেস্ট নাইন এর জনসংখ্যা ৯৫ মিলিয়ন যা মোট ইউরোপীয় অঞ্চলের এক পঞ্চমাংশের কাছাকাছি। তাদের সম্মিলিত জিডিপি বাজারের হারে ইউরোপের মোট জিডিপির মাত্র দশ ভাগ। শুধু পোল্যান্ডকে একটি বড় সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গণনা করা হয়। তারা ঐক্যবদ্ধও নয়। হাঙ্গেরির স্বৈরাচারী নেতা ভিক্টর অরবান কীভাবে রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাও দেখার বিষয়। ইউক্রেন বা পশ্চিম বলকান পর্যন্ত ইউরোপীয় অঞ্চল সম্প্রসারিত হলে এই সংখ্যা এবং অঞ্চলের গুরুত্বও বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলো মহাদেশের সাধারণ সমস্যাগুলো সমাধান করার ক্ষমতা ও ইচ্ছার মাধ্যমে প্রভাব অর্জন করতে পারে। সেই সমস্যাগুলো কী সেটি সম্পর্কে বোঝার জন্য শেয়ার করা প্রয়োজন। পোল্যান্ড ও এর মিত্রদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে যখন ইউরোপ ও বিশ্বের নজর তার সীমান্তের কাছে যা ঘটছে তার ওপর। তবুও যা দেখা যায় তা ততটা স্পষ্ট নয়।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
জি-২০ সম্মেলন : ভারত সফর করবেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পরবর্তী পোস্ট
ফলোঅন করিয়েও হার, এই নিয়ে চারবার!

রিলেটেড পোস্ট

সহকর্মীদের সংঘর্ষে মালয়েশিয়ায় ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

আগস্ট ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

জুলাই ২২, ২০২৬

অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দিয়ে বিপাকে নিয়োগকর্তা

জুলাই ৭, ২০২৬

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি নাগরিকসহ ২০০ বিদেশি আটক

জুলাই ৬, ২০২৬

ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের সাবেক এমপি...

জুন ২৭, ২০২৬

প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ সংকট, সাতক্ষীরায় ওজোপাডিকো কার্যালয়ে গ্রাহকদের...

জুন ৮, ২০২৬

আমি যা বলবো, নেতানিয়াহু সেটাই করবেন: ট্রাম্প

মে ২০, ২০২৬

মাথা উঁচু করে দ্রুত ফিরব: আনন্দবাজারকে শেখ হাসিনা

মে ১৯, ২০২৬

৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে রাতে আসছে আরও...

এপ্রিল ১৪, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting