
আইয়ুব আলী :জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্যামনগরে ‘জলবায়ু সহনশীল কৃষি’ বিষয়ক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শ্যামনগরের কলবাড়ীতে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। বেসরকারি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক (BARCIK)-এর উদ্যোগে এবং নেটজ-পার্টনারশীপ ফর ডেভেলপমেন্ট এ্যান্ড জাস্টিস-এর সহযোগিতায় ‘অগ্রযাত্রা’ প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংলাপটিতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সিএসও (CSO) সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বারসিক’র এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর ফজলুল হকের সঞ্চালনায় এবং মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জয়িতা প্রাপ্ত কৃষানী শংকরী রানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন বারসিক’র আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহীন ইসলাম ও ইউনিট ম্যানেজার মননজয় মন্ডল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সবুজ সংহতি’র সদস্য ও শিক্ষক রঞ্জিত বর্মন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন, গাবুরা ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আফতাব উজ-জামান এবং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র সরকার।
স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন সিএসও সভানেত্রী আসমাউল হুসনা, দেবশ্রী রানী, আজমুন্নাহার কুইন, চন্দনা রানী, রিতা রানী, প্রভাতী রানী ও স্বপ্না রানী প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে শংকরী রানী বলেন, ‘‘আজকের এই সংলাপের মাধ্যমে সরকারি কৃষি অধিদপ্তরের সঙ্গে আমাদের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও জোরদার হলো। আশা করি, এর ফলে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া কৃষকরা সরকারি কৃষি সেবাসমূহ এখন থেকে আরও সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।’’
সংলাপে বক্তারা বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন, জৈব সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি, জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির সমন্বয় এবং স্থানীয় কৃষি অভিযোজন চর্চাকে আরও বেগবান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

