দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সোমবার | ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | সকাল ১১:০৪
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাঃ কক্ষ পরিদর্শকদের নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ...
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
রূপান্তরের আয়োজনে মানব  পাচার প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন
আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না  পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ‘সেরা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম (বি-টু-বি)’...
তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি : মোমিন মেহেদী
কলারোয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু 
আশাশুনির বড়দলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা...
 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে শ্যামনগরে  বিএনপি...
চুকনগরের আপার ভদ্রা নদী খনন প্রকল্পের কারণে উচ্ছেদ...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনিনির্বাচিত খবর

“দাই মা” আজ যেন স্মৃতিতে

কর্তৃক kobirubel.satnadee নভেম্বর ২৭, ২০২২
নভেম্বর ২৭, ২০২২ ০ কমেন্ট 460 ভিউস

আশাশুনি ব্যুরো: “দাই মা” (ধরনী) এক সময় ছিলেন গ্রাম-অঞ্চলের গর্ভবতী মহিলাদের ভরসার অন্যতম স্থান। কোন এক সময় গ্রামের কোন বউ গর্ভবতী হওয়ার সাথে সাথে পার্শ্ববর্তী দাই মা’(ধরনী)দের কদর বেড়ে যেত। তখন দাই মা’রা যে বাড়িতে যেতেন আদর যতœ করে মুরগী জবাই করে খাওয়ানো হত। রাত বিরাতে দাই মা’দের ডাক পড়তো। আর দাই মা’রা ছুটে বেড়াতেন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম পর্যন্ত। দাই মা’রা ছিলেন গ্রামে সবার কাছে সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তাদের কদর ছিল খুব বেশি। কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রাম্য ধনিদের বাড়িতে দাই মা’দের তিন/চার দিন থাকতে হত। তাদের কে সবাই সম্মান করত। কাজ শেষ করে আসার সময় দাই মা’দের নতুন শাড়িসহ বিভিন্ন উপকৌঢন উপহার দিতেন। সে সময় যে মহিলার সন্তান হয়েছে সে মহিলার বাপের বাড়ি থেকেও সংশ্লিষ্ট দাই মা’দের জন্য আলাদা জিনিসপত্র দেওয়া হত। মমতা ভরা হৃদয় দিয়ে তাদের ডাকা হত দাই মা’ বা ধন্নী মা। কালের বিবর্তনে দাই মা’দের সেই কদর শেষ হয়ে গেছে। এখন দাই মা’দের সে কদর আর নেই। সব শ্রেণীর মানুষে সাথে তাদের পরিচয় তাকলেও প্রয়োজন নেই। প্রসুতি মেয়েরাও তাদের কে আর কাছে টানেন না। দাই মা’রা এখন খুব কষ্টে জীবন-যাপন করছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এখন আর এসব কাজ করেন না। তাদের জায়গায় এখন অবস্থান নিয়েছে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। যার ফলে এখন তারা গ্রামের গর্ভবর্তী মহিলাদের ভরসার এ স্থানে চিড় ধরেছে।
অথচ এক সময় আশাশুনির প্রায় সকল গ্রামেই দাই মা’দের বিচরণ ছিলো। দাই মা’ সকল গ্রামেই বাস করতেন। গর্ভবতী মেয়েদের চিকিৎসার জন্য তাদের ডাক পড়ার সাথে সাথেই তারা সে বাড়িতে ছুটে যেতেন। সফলভাবে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর পরিবারের অন্যদের মত তাদেরও আনন্দের সীমা থাকত না। তখন সেই পরিবারের গৃহকর্তা খুশি হয়ে দাই মা’দের অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র উপহার দিতেন। আর সেই প্রসবকৃত সন্তান বড় হওয়ার পর তাদের উপার্জনকৃত টাকা হতে মাঝে মাঝে সংশ্লিষ্ট দাই মা’দের কিছু দেওয়া হত। তারা মায়ের মত দাই মা’দেরকে শ্রদ্ধা করত। সে সময় গর্ভবর্তী মাকে সকল চিকিৎসাসেবা প্রদান করতেন দাই মা’রা। অতীতে এক দাই মা’ অন্য দাই মা’দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। একে অপরকে তাদের নতুন নতুন অভিজ্ঞতার কথা বলতেন। কিন্তুুুুুুুুুুুুুুুু এখন সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে সব কিছু হারিয়ে গেছে। তারা আর একে অপরের সাথে যোগাযোগ রাখছেন না সবাই যার যার সংসার কর্ম নিয়ে ব্যস্ত। দাই মা’দের মধ্যে অধিকাংশই অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে জীবন-যাপন করছেন। কখন কখন কোন দাই মা’র অন্য দাই মা’দের সাথে দেখা হলে তারা শুধুমাত্র তদের নিজ নিজ সংসার কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন। আগের মত তাদের আর গ্রামের প্রসূতি মেয়েদের নিয়ে আলোচনা করতে হয় না। কারন গ্রাম-অঞ্চলে দাই মা’দের কদর ফুরিয়ে গেছে। এখন সবই কেবল স্মৃতি এবং অতীত। উপজেলায় বসবাসকারী একাধিক দাই মা বলেন, আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে আমরা আজ হারিয়ে গেছি। আমাদের কদর আর নেই। এক সময় আমরাই ছিলাম প্রসূতি মেয়েদের একমাত্র ভরসা। আমাদের কদর ছিল খুব বেশি। দাই মা’রা জানান, এখন আমরা বড় অভাবের মধ্যে দিন যাপন করছি। আমার হাতে এই এলাকার প্রায় শত শত সন্তান জন্ম কিন্তু সেই সন্তানরা এখন আর আমার সাথে কথা বলে না। আর তাদের বাবা মাও আমারে দেখলে অন্য দিকে তাকায়। আধুনিক যুগের ডাক্তারা আমাদের কদর কমিয়েছেন কিন্তুু আজ যারা বড় বড় ডাক্তার হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত আমাদের মত কোন না কোন দাইমা’র হাতে জন্ম নিয়েছেন। আর তারা ডাক্তার হয়ে আমাদেরকে ঘৃনা করে দূরে তাড়িয়ে দেন। আমার মতে ডাক্তার সাবদের উচিত দাই মা’দের ঘৃনা না করে, উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দাই মা’দের প্রসূতি কাজে আরো পারদর্শী করে তোলা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
খুলনায় নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ
পরবর্তী পোস্ট
মানব পাচার ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে প্রশিক্ষন

রিলেটেড পোস্ট

রূপান্তরের আয়োজনে মানব  পাচার প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না  পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

আশাশুনির বড়দলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা...

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বুধহাটা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ ও হেফজ খানায়...

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

গদাইপুরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জমজমাট “সিরাজ সাংস্কৃতিক মেলা”...

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

আশাশুনির বাঁকড়া সাঁকো নদীতে ভেসে গেছে //এমপি রবিউল...

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

আশাশুনি উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধ বার্ষিক সমন্বয়...

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

আশাশুনির প্রতাপনগরে গভীর নলকূপ দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের...

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

আশাশুনিতে কেন্দ্র সচিব ও  প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে সভা

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting