
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার বুধহাটায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখল ও জবর দখলকৃত জমিতে নির্মান কাজ করা এবং এক অবসরপ্রাপ্ত আর্মির বাড়ির প্রাচীরের গ্রেডবীম কেটে ভেঙ্গে পুকুরে ফেলানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধহাটা গ্রামের মোতাহার হোসেনের ছেলে ফজলুল হক জানান, বুধহাটা মৌজায় ৬৭৪ নং খতিয়ানে ২৭০৪, ২৭০৫ ও ২৭০৬ দাগসহ ৫টি দাগে তাদের ১.৪১ একর জমি। ৫টি দাগ উল্লেখ করে ২৭০৪ ও ২৭০৫ চৌহদ্দী উল্লেখ করে ৬ শতক জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু মিজানুর ২০৭৪ ও ২০৭৫ দাগে জমি না নিয়ে ২০৭৬ দাগে ৬ শতক জমি জবর দখল নিয়ে সেখানে স্থাপনা নির্মান কাজ করে। আমি ১০সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দেই কিন্তু প্রতিকার না পেয়ে ১৫/৯/২৬ তাং আমি বাদী হয়ে আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করি। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে মিজানুর পুনরায় স্থাপনা নির্মান কাজ করতে থাকে। এসআই সেকেন্দারের অবহেলায় সে কাজের সুযোগ পেয়েছে। বাধ্যহয়ে গত ৮ অক্টোবর আদালতে ১৮৮ ধারায় মামলা করলে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৮৮ মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানাচ্ছি।
বুধহাটা গ্রামের সাবেক সেনা কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, বুধহাটা মৌজায় ৬৫৬ খতিয়ানে হাল ৩১৪৪ নং দাগে ৬ শতক জমিতে তার বসতভিটা ও পাকা বিল্ডিং আছে। আমি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি ক্রয় করে বসবাস করে আসছি। বাড়ীর সীমানায় প্রাচীরের গ্রেডবীম নির্মান করা ছিল। গ্রেডবিমের উপর দিয়ে ইটের গাঁথনির কাজ করা হচ্ছিল।
গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মিজানুর গাজী লোকজন নিয়ে গ্রেডবিম কেটে ভেঙ্গে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। এব্যাপারে অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সাতক্ষীরায় পি-১১৩১/২৬ মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ আদালত আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। ওসি থানার এসআই লিটন কুমার ঘোষকে দায়িত্ব দিলে তিনি তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি বলে দাবী করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী ভূমিদস্যু মিজানুরের হাত থেকে বাঁচতে আইন আদালতের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

