
আহসান হাবিব: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের আলোচিত গৃহবধূ সাজিদা খাতুন হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মেয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মারা গেছে সাজিদার বাবা কেরামত আলী । রবিবার (১০ মে) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি ।
এদিকে সাজিদা হত্যার বিচার চেয়ে আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সাজিদার পরিবার। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহতের ভাই আব্দুল খালেক।
তিনি বলেন , সাজিদা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথমে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে তা পরিবর্তন করে মাত্র দুইজনকে আসামি দেখানো হয়েছে। এতে প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতার বাইরে থেকে যেতে পারে।
তিনি অভিযোগ করেন, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুয়েল হোসেন তড়িঘড়ি করে তাকে আরেকটি এজাহারে স্বাক্ষর করান, যা তার দেওয়া মূল অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ওসির ভূমিকা নিরপেক্ষ তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলেও তিনি দাবি করেন ।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্বজনরা বলেন, সাজিদা দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। ঘটনার দিন রাতেও তাকে মারধর করা হয়েছে।পরে গুরুতর অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এটি আত্মহত্যা নয় বরং পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।
জানতে চাইলে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুয়েল হোসেন বলেন, আমরা তদন্তে যেটা পেয়েছি তাদের আসামী করেছি । ঘটনার সাথে যারা জড়িত নয় তাদের মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ।

