দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শনিবার | ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | দুপুর ১২:৩৫
অপপ্রচার চালিয়ে শ্যামনগরে এক নারী এনজিও কর্মীকে ফাঁসানোর...
এবার এস এস সিতে হাবিবার সাফল্য
কালিগঞ্জ ডায়াবেটিক হসপিটাল ঘেরাও ও মানববন্ধন
সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে প্রাইম “ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট ২০২৬”...
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল...
তালার মহান্দী- কাটবুনিয়া সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধনে জেলা পরিষদ...
শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষায় ২+২ মডেলের বিপ্লব
খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা
আশাশুনির গোদাড়ায় তিনজনকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি...
সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাদুল হক খান
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনি

আশাশুনির প্রতাপনগরের মানুষের দুঃখ ঘুচবে কবে?

কর্তৃক kobirubel.satnadee জুন ২১, ২০২১
জুন ২১, ২০২১ ০ কমেন্ট 322 ভিউস

সচ্চিদানন্দদেসদয়,আশাশুনি থেকে: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে পাউবো’র বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হওয়ার  ২৫ দিন অতিবাহিত হলেও ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধ সংষ্কার সম্ভব হয়নি। ফলে পানির সাথে যুদ্ধ করে ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবারের ২৫ হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

ইউনিয়নের মানুষ সুপার সাইক্লোন আম্ফানে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হওয়ার পর দীর্ঘ বছরাধিক কাল পানির সাথে লড়াই করে যেই ঘর গুছিয়ে নিতে শুরু করেছিল, ঠিক তখন ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে পুনরায় বেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়। ইউনিয়নের প্রতাপনগর, কুড়িকাহুনিয়া, হরিষখালি, চাকলা, কল্যাণপুর, লস্করী খাজরা, বন্যতলাসহ ১৭টি গ্রাম পুরোপুরি,কিছু গ্রাম আংশিক প্লাবিত হয়। মানুষ   ঘরে বসবাসের উপযোগিতা হারিয়ে আশ্রয় কেন্দ্র, উচু স্থানে, অন্যের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। দীর্ঘ সময় ঘরছাড়া মানুষগুলো অর্থ ও খাদ্যের অভাবে  অনাহারে দিন যাপন করছে। আবাস স্থল, রান্না, পায়খানা, সুপেয় পানি এমনকি গোসল করার মত পানির অভাবে ভুগছে। অপ্রতুল সরকারি সহায়তায় মানুষ কাজের সন্ধানে ও আয়ের পথ খুজতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এজন্য অনেকে এলাকা ছেড়ে ভিন্ন উপজেলা বা জেলায় পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছে। অনেকে দুষিত পানি ব্যবহার করে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা চরম কষ্টে পড়েছে। সড়ক পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ও জোয়ার ভাটার টানে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় মালামালের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় অচল হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় মানুষ মারা গেলে কবর দেওয়ার মত ভূমি পানি থেকে জেগে নেই। মসজিদ পানিতে তলিয়ে থাকায় নৌকায় চড়ে বা ভেলায় উঠে সেখানে গিয়ে হাটু পানিতে কিংবা মসজিদের ছাদে নামাজ আদায় করতে হচ্ছে।

মানুষ যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে সংসার চালাতে নাভিঃশ্বাস ফেলছে, ঠিক তখন  ১৭ জুন থেকে শুরু হওয়া প্রচুর বৃষ্টিপাতে বসবাসের ঘরবাড়ি, জেগে ওঠা স্থান, রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। প্লাবনের পর যেনতেন করে কোন রকমে বসবাসের জন্য ছাবড়া/কুড়ে ঘর বা অস্থায়ী ঘর তৈরি করে আশ্রয় নিয়েছিল, সেখানে বৃষ্টির পানির চাপ ও ছাউনিতে পানি ঠেকাতে না পারায় কষ্টকঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে দুর্যোগ কবলিত মানুষেরা। আম্ফানের পর এলাকার পানির একটি অংশ ভাটায় নদীতে সরে যেত। কিন্তু এখন পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। সেই সাথে জ্বর, কাঁশি, সর্দি, ডায়রিয়াসহ দেখা দিচ্ছে নানান পানিবাহিত রোগ। রাস্তার পাশে ও যোগাযোগ সহজ এমন স্থানে যাদের বাড়ি তারা মাঝে মধ্যে ত্রাণ ও সরকারি বেসরকারি সহায়তা পেলেও প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার মানুষ সবসময় ত্রাণ বঞ্চিত থাকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, গরীব সকল শ্রেণির প্লাবিত মানুষ বিপদ সংকুল অবস্থায় রয়েছেন।

কুড়িকাহনিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদ বলেন, আমাদের দুঃখ কষ্ট দেখার কেউ নেই। আমরাদের কষ্ট আমাদের ভিতরে রাখতে চাই। প্রতিবছর এই রকম হলে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।

কল্যানপুর গ্রামের রহিমা খাতুন জানান, বাড়িতে পানি থই থই করছে। আমাদের আর এখানে থাকার ইচ্ছে নেই। অনেকে এলাকা থেকে চলে গেছে এবং যাচ্ছে। এমন অবস্থা থাকলে আমরাও চলে যাব।

হরিষখালি গ্রামের রুহুল কুদ্দুস বলেন, বাঁধের ভাঙ্গন দেখা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ করলে ভাঙ্গন বড় হতোনা। কিন্তু এই কাজটি করার কেউ নেই। বাঁধ ভাঙলে পানি উন্নয়ন বোর্ড তখন আসে।

প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন জানান, গত বছরের ২০ মে আম্পানে ঘরবাড়িসহ হাজার হাজার গাছপালা, গবাদি পশুর ক্ষতি হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ। সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছিল উপকূলবর্তী প্রতাপনগরের মানুষ। কিন্তু তারা সে সুযোগ পেলনা। ইয়াসের আঘাতে ইউনিয়নের ৬টি ওয়ার্ডের ১৭ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ আজও পানিবন্দি। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খাঁন বলেন, ঘূণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর, বড়দল, আনুলিয়া, খাজরা ইউয়িনের ১৪টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়। অধিকাংশ পয়েন্টে স্থানীয় মানুষ-পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের সহয়তায় বাঁধা সম্ভব হলেও প্রতাপনগরের ৩টি পয়েন্টে বাঁধ দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রতাপনগরের হরিষখালি, বন্যতলা, কুড়িকাহুনিয়া ৩টি পয়েন্ট দিয়ে এলাকায় জোয়রের পানি প্রবেশ করছে। ৫ থেকে ৬ হাজার পরিবার এখনও পানি বন্দি হয়ে রয়েছে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) রাশেদুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে সাতক্ষীরা এবং খুলনার কয়রার ২৫টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছিল। ইতোমধ্যে ২০টি পয়েন্ট বাঁধ দেওয়া হয়ে গেছে। খুলনার কয়রার দুটি ও সাতক্ষীরার প্রতাপনগরের ৩টি পয়েন্টে বাঁধ দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে প্রতাপনগরের কুড়িকাহুনিয়া ও হরিষখালীতে আমরা কাজ করছি। বন্যতলা পয়েন্টে জাইকার অর্থায়নে কাজ হবে। ওদের কাজ এখন শুরু হয়নি। জুন মাসের ২৬ তারিখে পূর্ণিমার কারণে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। আশা করছি তার আগে সকল বাঁধের কাজ শেষ হবে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরা টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিদায়ী জেলা প্রশাসককে সংবর্ধনা
পরবর্তী পোস্ট
আশাশুনিতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালিত

রিলেটেড পোস্ট

আশাশুনির গোদাড়ায় তিনজনকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি...

আগস্ট ৪, ২০২৬

আশাশুনিতে সাবেক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট হারিয়ে যাওয়ায় থানায়...

আগস্ট ৩, ২০২৬

আশাশুনির বুধহাটায় জানাজা চলাকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. শহিদুলের...

আগস্ট ২, ২০২৬

 খোলপেটুয়া- কপোতাক্ষ নদী এখন বিএনপি – জামায়তের বালু...

আগস্ট ২, ২০২৬

আশাশুনির বুধহাটায় জানাজা চলাকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাডঃ শহিদুলের...

আগস্ট ২, ২০২৬

আশাশুনির ৯টি প্রতিষ্ঠানে এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের পক্ষে...

আগস্ট ২, ২০২৬

আশাশুনিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার কমিটি গঠন

আগস্ট ১, ২০২৬

আশাশুনির শ্রীউলায় গাঁজা ও নগদ টাকাসহ মাদক কারবারি...

আগস্ট ১, ২০২৬

বুধহাটায় দীর্ঘ ৩৬ বছর ইমামতির পর মাওলানা আব্দুল...

জুলাই ৩১, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting