দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
রবিবার | ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ৮:০৯
মেয়াদ শেষের পথে কেবিএস প্রকল্প, সংসদ সদস্য ও...
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তালা উপজেলা শাখার নির্বাচন সম্পন্ন-সভাপতি...
হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু, এপর্যন্ত প্রাণহানি...
ফারাক্কা লংমার্চের বর্ষপূর্তিতে সাতক্ষীরায় গণসংহতি আন্দোলনের আলোচনা সভা...
প্রসূতির পাশে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান
কারও দলীয় পরিচয় মুখ্য থাকবে না’: আশরাফুল আলম
শ্যামনগরে  পানিতে ডুবে শিশুর  মৃত্যু
কুমিল্লায় পথে পথে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী
আশাশুনিতে মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবীতে...
কলারোয়ায় পল্লী চিকিৎসক সমিতির প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সাহিত্য

আজ বিশ্ব ভালবাসা দিবস

কর্তৃক kobirubel.satnadee ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০ ০ কমেন্ট 380 ভিউস

সচ্চিদানন্দদেসদয়—-ভালোবাসার মানুষটির প্রতি প্রেমের রাগ অনুরাগ নিয়ে চন্ডীদাস রজকানির,লায়লা মজনু,দেবদাস পার্বতী সহ বিভিন্ন উপখ্যান তৈরি হয়েছে।কবি চন্ডী দাস প্রিয়ার “অর্ধ” তিলে তিনি খুঁজে পেয়েছেন প্রবল আকর্ষণ। এটাকে প্রেম বলি আর ভালোবাসা, যা-ই, তা হƒদয়ঘটিত।তাই তো তিনি লিখিছেন
“দুঁহু তার দুঁহু কাঁদে বিচ্ছেদ ভাবিয়া
অর্ধতিল না দেখিলে যায় যে মরিয়া
সখি কেমনে বাঁধিব হিয়া”
মনের মানুষের কাছে হƒদয়ের কথা বলার ব্যাকুলতা জন্ম-জন্মান্তরের। নির্দিষ্ট কোনো দিন বা ক্ষণের জন্য অপেক্ষার নয় ভালোবাসার অনুভূতি। ঝর্ণাধারার মতোই প্রবাহমান তার ধারা। প্রেমিককূলে যুগ যুগ ধরে তাই চলে আসছে। তবে হালে ভালোবাসা জানান দিতে পৃথিবীজুড়ে ঘটা করে একটি দিবস পালন করা হচ্ছে। সেই দিনটিই আজ। আজ ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’। ‘হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন ডে’। প্রিয়ার মাঝে নিজেকে খুঁজে পাওয়ারই দিন আজ।
প্রীতি-বন্ধন, প্রেম আর কৃতজ্ঞতা-শ্রদ্ধায় গড়া আমাদের জীবন। এগুলোর গ্রন্থিত রূপটির নাম‘ভালবাসা’। পিতামাতার প্রতি সন্তানের, সন্তানের প্রতি পিতামাতার, ভাইবোনের পারস্পরিক, স্রষ্টার প্রতি সৃষ্টির কিংবা সৃষ্টির প্রতি স্রষ্টার অথবা সবচেয়ে বেশি প্রচলিত প্রিয়-প্রিয়ার; এই যে হরেক রকমের বিনিসূতোর বন্ধন সেটার শাব্দিক প্রকাশের নাম ভালোবাসা! দিনটি সব বয়সের সবার হলেও প্রধানত তারুণ্যেরই জয়জয়কার। ভালোবাসা দিবস প্রবর্তনের গোড়া থেকেই বিশ্বব্যাপী দিনটিতে তরুণ প্রজম্মকেই বেশি মাতামাতি করতে দেখা যায়। তাইতো চিরজনমের তরে বাহু ডোরে বাধা পড়া কিংবা হƒদয়বেদীতে যার জন্য থরে থরে সাজানো প্রেমের অর্ঘ্য; মুগ্ধতা আর ভালোবাসার চিরকালের নায়িকা যিনি, সেই বনলতা সেন অথবা মোনালিসা কিংবা মানসীকে নিয়ে বসন্তের উতলা হাওয়ায় আজ কেউ কেউ উড়িয়ে দেবেন স্বপ্নীল ডানা। রক্তরাঙা একটি গোলাপ চোখের সামনে তুলে ধরে বলবেন‘তোমায় ভালোবাসি’।
ভালোবাসা দিবস উদযাপনের ইতিহাস বেশ পুরনো। এ নিয়ে একাধিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি যে গল্পটি প্রচলিত সেটি হচ্ছে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামে একজন রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের একটি ঘটনা। ওই ধর্মযাজক একই সঙ্গে চিকিৎসক ছিলেন। তখন রোমানদের সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় ক্লডিয়াস। বিশ্বজয়ী রোমানরা একের পর এক রাষ্ট্র জয় করে চলেছে। যুদ্ধের জন্য বিশাল সৈন্যবাহিনী গড়ে তোলা দরকার। কিন্তু লোকজন বিশেষ করে তরুণরা এতে উৎসাহী নয়। সম্রাটের ধারণা হল পুরুষরা বিয়ে করতে না পারলে যুদ্ধে যেতে রাজি হবে। তিনি যুবকদের জন্য বিয়ে নিষিদ্ধ করলেন। কিন্তু প্রেমপিয়াসী তারুণ্যকে কী নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ করা যায়? এগিয়ে এলেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। ভ্যালেন্টাইন প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের বিয়ের ব্যবস্থা করলেন। চার্চে মোমবাতির আলোয় হচ্ছে তাদের স্বপ্নপূরণ। ধরা পড়লেন একদিন ভ্যালেন্টাইন। তাকে জেলে পোরা হলো। দেশজুড়ে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে যুবকশ্রেণীর মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই ভ্যালেন্টাইনকে জেলখানায় দেখতে যান।
ফুলশুভেচ্ছা জানাতে আসেন। কারারক্ষীর এক অন্ধ যুবতী মেয়েও ভ্যালেন্টাইনের সঙ্গে সাক্ষাতে যেত। চিকিৎসক ভ্যালেন্টাইন মেয়েটির অন্ধত্ব দূর করলেন। তাদের মধ্যেও সৃষ্টি হল হƒদয়ের বন্ধন। ধর্মযাজক নিয়ম ভেঙে প্রেম করেন। তারপর আইন ভেঙে তিনিও বিয়ে করেন। যুবক-যুবতীদের সহানুভূতি আর ভ্যালেন্টাইনের নিজেরও প্রেম-বিয়ের এ খবর যায় সম্রাটের কানে। তিনি ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদন্ড দিলেন। সেটি ছিল ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের আজকের এই ১৪ ফেব্রুয়ারি। ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে নবোঢ়াকে তিনি চিঠি লিখলেন। যার হƒদয়ের কথা শেষ হয়েছিল এভাবে ‘লাভ ফ্রম ইওর ভ্যালেন্টাইন’।
অতঃপর এ ভালোবাসার স্বীকৃতি আদায়ে পরবর্তী দুই শতাব্দী নীরবে-নিভৃতে পালন করতে হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারি। ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে রোমের রাজা পপ জেলুসিয়াস এ দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। গ্রিক ও রোমান উপকথার মতোই ভালোবাসা দিবসের উৎপত্তি নিয়ে যে গল্প-কাহিনীই থাক, আজ যে তা ছড়িয়ে পড়েছে ভুবনজুড়ে। এদেশে হালে উদযাপিত হলেও সেই ষোড়শ শতক থেকে তা পাশ্চাত্যে পালিত হয়ে আসছে। এদিন কেবল প্রেম বিনিময় নয়, তরুণ-তরুণীদের মাঝে গোপনে বিয়েও ঘটে। আজ জেলার বিভিন্ন উদ্যান, গার্ডেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, কফিশপ, ফাস্টফুডের দোকান, লং ড্রাইভে যাওয়া অথবা নির্জন গৃহকোণে একান্ত নিভৃতে চলে প্রণয়ের নিবেদন।
চকোলেট, পারফিউম, শুভেচ্ছা কার্ড, ই-মেইল, মোবাইলে এসএমএস, প্রেমবার্তা, আংটি, প্রিয় পোশাক, বই অথবা রক্তগোলাপ উপহার হিসেবে দেয়া-নেয়া হয় এ দিন তরুণ-তরুণীদের মাঝে। অনেকে রাখিবন্ধনও করে। শুধু তরুণশ্রেণী নয়, পিতা-মাতা-সন্তানের ভালোবাসাও এ দিবসকে উদ্ভাসিত করে।
ভালবাসা দিবসে দামি দোকানে কাচের শোকেসে সাজিয়ে রাখা মূল্যবান হীরা জহরত থেকে শুরু করে বাগানের সদ্য প্রষ্ফূটিত গোলাপটিও হতে পারে ভালোবাসা দিবসের উপহার। তবে সবচেয়ে কাব্যিক এবং মর্যাদাপূর্ণ উপহার হচ্ছে রঙিন খামে চিঠি অথবা বাগানের সদ্য প্রষ্ফূটিত ফুল। আর সে ফুল যদি হয় বাগানের তাজা গোলাপ তাহলে তো কথাই নেই।
গোলাপ স্রষ্টার এক অপরূপ সৃষ্টি। ফুলের রানী গোলাপ, কত রঙের গোলাপই আছে এই পৃথিবীতে। কতই না রঙের বাহার প্রকৃতির এই অনাবিল সৌন্দর্যময় সৃষ্টির প্রতিটি রঙেই থাকে ভালোবাসার কথা। লাল, হলুদ, গোলাপি, কমলা, বেগুনি, সাদা, কালো, পিচ এবং আরও কত রং। প্রতিটি রঙের আলাদা আলাদা অর্থ থাকলেও মূল সুর ‘ভালোবাসি’ । এযেনো ভালোবাসার সাত রং। ভালোবাসার উপহার হিসেবে একগুচ্ছ গোলাপের গ্রহণযোগ্যতা সবকিছুর উর্ধ্বে। এ তো নিছক ফুলই নয়, এ যে প্রেরক এবং প্রাপকের মধ্যে যোগাযোগের মেলবন্ধন, হৃদয়ের গভীরের উষ্ণ বার্তা বহনকারী মাধ্যম প্রথম ভালোবাসা জানাতে, হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার গৌরব ফিরিয়ে আনতে, গভীর ভালোবাসাকে আরও গভীরে পৌছে দিতে, কাউকে ভালোবাসা মিশ্রিত শ্রদ্ধা জানাতে, শত্রুর মন জয় করতে, বন্ধুর আনন্দের অংশীদার হতে, শোকার্তকে সহানুভূতিপূর্ণ ভালোবাসা জানাতে একগুচ্ছ গোলাপই যথেষ্ট।
আমরা আশা করি আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর অফুরন্ত ভালোবাসায় ভরে উঠুক এবারের ভালোবাসা দিবসটি।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে ফুলের সাজে নারীরা
পরবর্তী পোস্ট
কি দোষ ছিলো আমার?–এসএম হাসান আলী বাচ্চু

রিলেটেড পোস্ট

তোমার মতো তুমি

জুন ১৯, ২০২৫

শীত আসে: বিপুল চন্দ্র রায়

নভেম্বর ২৫, ২০২৪

জেলা প্রশাসকের সাথে জেলা সাহিত্য পরিষদের মতবিনিময়

অক্টোবর ৩, ২০২৪

ইতিহাসের মহানায়ক

আগস্ট ১৩, ২০২৩

মৃত্যু এসে তাঁর জীবনের অর্জন উপার্জন কিছুই নষ্ট...

আগস্ট ৫, ২০২৩

বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র

আগস্ট ৫, ২০২৩

কালিগঞ্জ উপজেলা সাহিত্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান

জুলাই ২৮, ২০২৩

কথাসাহিত্যিক আবু কাজীর ৬২ তম জন্মদিন উদযাপিত

জুলাই ১১, ২০২৩

আয়নায় যে মুখ দেখি……..সোনালী দে

জুন ২৫, ২০২৩

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting