
মাসুম বেলাল কাইয়ুম, শ্যামনগর থেকে: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় সুন্দরবনসংলগ্ন নদী ও খালে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন ও খাবারের প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল বর্জ্য। এতে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি, হুমকিতে পড়ছে জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য। জোয়ার-ভাটার পানিতে এসব বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে নদী ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায়।
পশ্চিম সুন্দরবনের বন সংরক্ষক শাহিনুর ইসলাম বলেন, উপকূলকে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব থেকে সুরক্ষায় সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই সুন্দরবন ও সংলগ্ন নদী-খালের পরিবেশ রক্ষা করা জরুরি।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ-এর মুখ্য সংগঠক ইমাম হোসেন বলেন, নদী দূষিত হলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে মাছ ধরা ও কাঁকড়া আহরণের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবিকাও ঝুঁকিতে পড়ে।
বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির উপজেলা সমন্বয়কারী বলেন, নদী দূষণ রোধে বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের দাবি, সুন্দরবনসংলগ্ন নদী ও খালকে প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সুন্দরবন ও উপকূলের পরিবেশ রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

