
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছেন সাংবাদিক আল-আমিন হোসেন। একদল স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানিতে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় কিছু লোক তার ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করলে তিনি পার্শ্ববর্তী প্রেসক্লাবে আশ্রয় নিয়ে প্রাণরক্ষা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়ায় শম্পা মন্ডল নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান সাংবাদিক আল-আমিন হোসেন। মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল থেকে ফেসবুক লাইভ শুরু করেন এবং সঠিক তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিক আল-আমিন যখন প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কাজ করছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল নিজেদের স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কায় সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। ওই চক্রটি মৃত গৃহবধূর পরিবারকে ভুল বুঝিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়। উসকানিতে প্ররোচিত হয়ে পরিবারের সদস্যরা ও কিছু লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে আল-আমিনকে ধাওয়া করে। নিজেকে বাঁচাতে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে নিকটস্থ সুন্দরবন প্রেসক্লাবে গিয়ে আশ্রয় নেন।
ঘটনার সময় সেখানে তদন্ত ওসি (পুলিশ), সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। একটি চিহ্নিত মহল এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বর্তমানে সাংবাদিক আল-আমিনকে সামাজিকভাবে হেয় করতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার ও হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে একজন সংবাদকর্মীর ওপর এমন অতর্কিত হামলা ও পরবর্তী সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানির ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

