
নিজস্ব প্রতিবেদক: পরকিয়ায় বাঁধা দেওয়ায় শাশুড়ির নির্যাতনে শিকার হয়েছেন সরকারী চাকুরিজীবি এক পুত্র বধু। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আদালতের দারস্থ হয়েছে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধু ।নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধুর নাম শাহিনা আক্তার। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় যুগিখালী গ্রামের সালমান হোসেনের স্ত্রী। তিনি বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় যুবউন্নয়ন অধিদপ্তরের জুনিয়র অফিসার হিসাবে কর্মরত। গত শুক্রবার (২৬সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার বলেন, গত বৃহস্পতিবার(২৫ সেপ্টেস্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাশুড়ি প্রতিবেশী এক যুবকের সাথে পরকিয়া লিপ্ত হন। ওই সময় ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাকে শাশুড়ির শাসাতে থাকে। এরপর দিন শুক্রবার(২৬সেপ্টেম্বর) সকালে শাশুড়ি জাহানারা বেগমের নেতৃত্বে ননদাই গফফার সরদার,ননদ সাথী খাতুন, তার ভাই সাদ্দাম সরদার,তার পিতা হোসেন আলী সরদার, ভাড়াটে রিহান তাদের বাড়িতে এসে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। মারপিটের এক পর্যায়ে তাকে সহ স্বামী সালমান হোসেনকে কোপ মারে। এরপর তারা বসত ঘর ভাংচুর চালাতে থাকে। একপর্যায়ে হামলাকারীর ঘরে থাকা ৮আনা ওজনের কানের দুল ও ১৪আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন এবং নগদ ৫৪হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।একই সাথে ৬লাখ টাকা মুল্যের আর ওয়ান-৫মডেলের মোটরসাইকেল ভাংচুর করে অর্ধলক্ষ টাকার ক্ষতি করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরোও বলেন ঘটনার পরে স্থানীয়দের সহয়তায় তিনি ও তার স্বামী কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহন। এ ঘটনায় তিনি মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা আদালতে তিনি মামলা করেছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে জাহানারা বেগম বলেন, পরকিয়ার ঘটনাটি সত্য নয়।তবে তাদের মারপিট করা হয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

