দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | সকাল ১১:৫৫
অপপ্রচার চালিয়ে শ্যামনগরে এক নারী এনজিও কর্মীকে ফাঁসানোর...
এবার এস এস সিতে হাবিবার সাফল্য
কালিগঞ্জ ডায়াবেটিক হসপিটাল ঘেরাও ও মানববন্ধন
সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে প্রাইম “ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট ২০২৬”...
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল...
তালার মহান্দী- কাটবুনিয়া সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধনে জেলা পরিষদ...
শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষায় ২+২ মডেলের বিপ্লব
খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা
আশাশুনির গোদাড়ায় তিনজনকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি...
সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাদুল হক খান
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
তালাসাতক্ষীরা জেলা

বেতনা-মরিচ্চাপ নদী খনন প্রকল্পে টিআরএম অন্তর্ভুক্তির দাবি জনগণের

কর্তৃক kobirubel.satnadee অক্টোবর ৮, ২০২০
অক্টোবর ৮, ২০২০ ০ কমেন্ট 420 ভিউস

আকবর হোসেন: বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীর মৃত্যু ও জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার ৪ বছর মেয়াদী ৪৭৫ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সরকারের নেয়া সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার নং ১, ২, ৬-৮, ৬-৮ (স¤প্রসারণ)-এর নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সাতক্ষীরা সদর, তালা, কলারোয়া, দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলা এলাকার প্রায় ১৫ লাখ মানুষ জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে। তবে প্রকল্পটিতে সরকারের প্রত্যাশা কতটুকু অর্জন হবে এবং নদীর ভবিষ্যত কি হবে তা নিয়ে ইতোমধ্যে নদী বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রকল্প জরিপে আইডবিøউএম- দু’টি নদীর অববাহিকায় টিআরএম বাস্তবায়নের প্রস্তাব রাখলেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় টিআরএম প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। মূলত টিআরএম প্রকল্প নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং পলির বিকল্প অবক্ষেপণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের জলাবদ্ধতা সমস্যাটি প্রায় চার দশক ধরে চলে আসছে। সমস্যাটি সমাধান করার জন্য সরকার বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই পলি অপসারণ, বাঁধ নির্মাণ, স্লুইসগেট স্থাপন, খাল পুনঃখনন ইত্যাদিকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা নেয়া হয়। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেও আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। উপরন্তু জলাবদ্ধ এলাকার পরিমাণ বেড়েছে। জনগণ মনে করে, সরকারের এসব কার্যক্রমে জলাবদ্ধতা তো নিরসন হচ্ছেই না, বরং এই অঞ্চলের নদীগুলো যেমন ধ্বংস হয়েছে, তেমনি প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অধিবাসী জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মূলত সমস্যা সমাধানে সরকার ও জনগণের দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্যের কারণে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছেনা বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত ।
বাংলাদেশে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার শতবর্ষব্যাপী বিডিপি-২১০০ পরিকল্পনা করেছে; যার বাস্তবায়নও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকার গৃহীত সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার নং ১, ২, ৬-৮, ৬-৮ (স¤প্রসারণ)-এর নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটিও সরকারের শতবর্ষী পরিকল্পনা বাংলাদেশ ডেল্টা ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বা বিডিপি-২১০০’র অংশ। সেখানে নদী থেকে পলি অপসারণসহ নদীর পাশে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য, পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিগতভাবে সমাধানযোগ্য এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক জোয়ারাধার পদ্ধতি (টিআরএম) বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীর নাব্য বজায় রাখার সুপারিশও করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের বেতনা, মরিচ্চাপ, কপোতাক্ষ, হরি-তেলিগাতী, ভদ্রা, ঘ্যাংরাইল ও হামকুড়া এই ৭টি নদীতে টিআরএম পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীর নাব্য ও অববাহিকার উন্নয়ন করা হবে বলে পরিকল্পনায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার ১, ২, ৬-৮, ৬-৮ (এক্সটেনশন) নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থা মূলত বেতনা, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, সাপমারা ও দেশের সীমানা বিভাজিত নদী ইছামতিসহ অন্য ছোট বড় অসংখ্য খালের ওপর নির্ভরশীল। ইছামতির শাখা নদী কাকশিয়ালী, সাপমারা ও লাবণ্যবতী নদী। মরিচ্চাপ লাবণ্যবতী থেকে উৎপত্তি হয়ে বালিথার ত্রিমোহনা হয়ে আশাশুনি সদরে বেতনার সঙ্গে মিলিত হয়ে খোলপেটুয়া নাম ধারণ করে প্রবাহিত হয়েছে। অন্যদিকে, প্রায় ১৫০ কিমি দীর্ঘ বেতনা নদীটিও আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার থেকে চাপড়া মোহনা পর্যন্ত মাত্র ৬ থেকে ৭ কি.মি কোন রকমে বেঁচে আছে। উজান হতে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ কমে যাওয়া ও সমুদ্র হতে আগত জোয়ার বাহিত উচ্চমাত্রায় পলির জমার কারণে সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, আশাশুনি ও তালা উপজেলাভুক্ত ১, ২, ৬-৮ ও ৬-৮ (স¤প্রসারিত) পোল্ডারের এবং পার্শ্ববর্তী নদীসমূহ জোয়ারবাহিত পলি ভরাটের কারণে নদীগুলো মৃতপ্রায়। এ অবস্থায় ভাটার দিকে বেতনা ও মরিচ্চাপের মিলিত অংশ খোলপেটুয়া নদীও পলিভরাটে মরতে বসেছে।
বর্তমানে এসব এলাকায় প্রায় প্রতিবছরই ৬ থেকে ৮ মাস জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে। চলতি বছরেও জলাবদ্ধতা চরম আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় ইতোমধ্যে জনস্বাস্থ্যের ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। খাবার পানির সঙ্কট চলছে। অন্যদিকে, কর্মসংস্থানের অভাবে কাজের সন্ধানে এলাকার মানুষ স্থায়ী-অস্থায়ীভাবে এলাকা ত্যাগ (অভিবাসিত) করছে। যোগাযোগ ও খাদ্যাভাবে ছেলে মেয়েদের শিক্ষা জীবনও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে এখানে নারী নির্যাতন ও দারিদ্র্যের হারও বেশি। বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী দু’টি জোয়ার-ভাটার নদী। সে কারণে জোয়ার-ভাটার নদীর নাব্য রক্ষার জন্য টিআরএম গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পে আইডবিøউএম-এর সমীক্ষা ও সুপারিশকে শেষ মুহূর্তে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আইডব্লিএম সমীক্ষায় এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, টিআরএম বাস্তবায়ন ছাড়া প্রকল্পটি টেকসই হবে না।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে বেতনা এবং মরিচ্চাপ নদী অববাহিকায় একইভাবে ব্লুগোল্ডের অর্থায়নে বাঁধ-বন্দী ও খাল খনন বা সংস্কার করা হয়েছে। এতে জলাবদ্ধতা দূর হয়নি। বরং নদী বেশি ভরাট হয়েছে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে নদী বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনগণ দাবি তুলেছেন। আইডবিøউএম এর সুপারিশ এবং বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর মধ্যে অর্ন্তভুক্তি অনুযায়ী বেতনা ও মরিচ্চাপ অববাহিকার চিহ্নিত বিলগুলোর মধ্যে উপযুক্ত বিলে টিআরএম বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ, ইছামতি নদীর সঙ্গে লাবণ্যবতী ও সাপমারা নদীর পুনঃসংযোগ প্রদান, সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয় যুক্ত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট মহলের সমন্বয়ে নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। জনগণের দাবি, আইডবিøউএম এর সুপারিশ এবং বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্তি অনুযায়ী বেতনা ও মরিচ্চাপ অববাহিকার চিহ্নিত বিলগুলোর মধ্যে উপযুক্ত বিলে টিআরএম বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রকল্পের শতভাগ সফলতা বাস্তবায়ন করা হোক। বিশেষজ্ঞদের অভিমত নদীই এই অঞ্চলের জীবন। নদীর জোয়ার-ভাটার ব্যবধানকে ব্যবহার করে এখানকার সভ্যতা গড়ে উঠেছে। নদী না থাকলে এখানকার সভ্যতা টিকে থাকবে না। এ কারণে পরিকল্পিতভাবে জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে প্লাবনভূমিতে পলি অবক্ষেপণের ব্যবস্থা করার কোন বিকল্প নেই। যার মাধ্যমে নদীর নাব্য যেমন রক্ষা পাবে, তেমনি ভূমি গঠনপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। সরকারের নেয়া এই নদী খনন প্রকল্পে ৪৪ কি.মি. ড্রেজিং ও পুনর্খননের মাধ্যমে বেতনা নদীর পলি অপসারণ, ৩৭ কি.মি. ড্রেজিং ও পুনর্খননের মাধ্যমে মরিচ্চাপ নদীর পলি অপসারণ, পোল্ডারের মধ্যে বেতনা-মরিচ্চাপ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ৩৪৪.২২ কি.মি. বিভিন্ন খাল সংস্কার ও পুনর্খনন করা ,পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রক্ষার্থে বিভিন্ন পোল্ডারে বিভিন্ন লোকেশনে ৬টি রেগুলেটর/ স্লুইসগেটপুনর্গঠন করা, বিদ্যমান রেগুলেটর/ ¯øুইস গেটের মেরামত/পুনরাকৃতিকরণ ২১টি, বন্যার ঝুঁকি থেকে এলাকাকে রক্ষার জন্য বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কারের পরিকল্পনা ১১৩.১২ কিলোমিটার এবং বেতনা নদীর ডান তীরের ২নং পোল্ডারে ১.৭০ কি.মি ঢাল প্রতিরক্ষামূলক কাজ ও ৪টি আরসিসি ঘাটলা নির্মাণ কাজ পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।
তালায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির
তালা প্রতিনিধি: বিশ্ব দৃষ্টি দিবস-২০২০ উপলক্ষে সাতক্ষীরা তালায় ব্র্যাক আই কেয়ার উদ্যোগে ব্র্যাক ভিশন সেন্টার চক্ষু রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিনব্যাপী চলা ফ্রি আই ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সেবা প্রদান করেন। দিনব্যাপী চলা এ চিকিৎসা ক্যাম্পটিতে উপস্থিত ছিলেন, ব্র্যাক ভিশন সেন্টারের এরিয়া ম্যানেজার মনির হোসেন মোল্লা, তালার ব্র্যাক ভিশন টেকনিশান জেসমিন নাহার, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার তাপস দেবনাথ, অফিস সহকারী সেলিম হোসেন প্রমুখ। এ সময় রোগীদের চোখের সমস্যা চিহ্নিত করে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
শ্যামনগরে ব্র্যাক ভিশন সেন্টারের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
পরবর্তী পোস্ট
কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ধানের ক্ষেতে আলোক ফাঁদ স্থাপন

রিলেটেড পোস্ট

অপপ্রচার চালিয়ে শ্যামনগরে এক নারী এনজিও কর্মীকে ফাঁসানোর...

আগস্ট ১০, ২০২৬

তালার মহান্দী- কাটবুনিয়া সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধনে জেলা পরিষদ...

আগস্ট ৭, ২০২৬

সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাদুল হক খান

আগস্ট ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় মাদক সহ গ্রেফতার-১

আগস্ট ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ব্লিস হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

আগস্ট ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্ন চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের...

আগস্ট ৪, ২০২৬

দেবহাটায় গৃহবধূর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় জামায়াতকর্মী আটক

আগস্ট ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় জমি জবরদখলে ব্যর্থ হয়ে বৃদ্ধের মাছের ঘেরে...

আগস্ট ৪, ২০২৬

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার...

আগস্ট ৪, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting