দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | সকাল ৮:৩২
সাতক্ষীরা কমিউনিটির নবগঠিত কমিটির আইডি কার্ড বিতরণ
পরানদাহে  পূর্ব শত্রুতার জেরে বসত বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
শহীদ জাকারিয়া হত্যার খুনিদের বিচার বাস্তবায়নে কমিটি: ডা....
শ্যামনগরে ছাত্রীশূন্য বিদ্যালয়ে বেতন-ভাতা ও উপবৃত্তি নিয়ে প্রশ্ন:...
সাতক্ষীরা সদর থানার নতুন ওসি শফিকুল ইসলামকে ‘সাতক্ষীরা...
কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কমিটি গঠন
আশাশুনির বড়দল ইউনিয়নে শতভাগ নিরাপদ পানি নিশ্চিতে পরামর্শ...
শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আব্দুল মজিদ
পুরাতন সাতক্ষীরায় জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত...
পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৯ বছর এক্সরে মেশিন অচল:...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সারাদেশ

নদী‌তে মাছ ধ‌রে জী‌বিকা নির্বাহ করেন দুই সন্তানের জননী ফাতেমা

কর্তৃক kobirubel.satnadee ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৩
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৩ ০ কমেন্ট 531 ভিউস

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দুই সন্তানের জননী ফাতেমা খাতুন সাত বছর ধরে নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার বিয়ের হয় পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বাগালী গ্রামের জিয়ারুল গাজীর সাথে দাম্পত্য জীবনে ঘর আলোকিত করে আসে একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান। বিয়ের ১১ বছরের মাথায় স্বামী মারা যায়। জীবনের দুঃখ নেমে আসে। তার শ্বশুরবাড়িতে কোন কাজ কাম না পাওয়ায় সন্তানদের নিয়ে পিতার বাড়ি আমাদী ইউনিয়নের বালিয়াডাংগা গ্রামে চলে আসে। এখানে ও এসে একই অবস্থা সৃষ্টি হয়। না খেয়ে সন্তানদের নিয়ে থাকতে হতো। কোন উপায় না পেয়ে সন্তানদের ও নিজে বাঁচার জন্য বাড়ির সামনে নদীতে নেট দিয়ে মাছ মারা শুরু করি। এতিম ছেলেটাকে হেফজ মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেয়। আর মেয়েটা কে বাড়ির পাশে একটা মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেই। পিতার ও কোন জায়গা জমি নেই। পিতার বেধে দেওয়া ঘরে নদীর চরে বসবাস করছি। ৭ বছর ধরে নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছি।২ টা সন্তান লেখা পড়া করে। কাক ডাকা ভোরের আগে উঠে নদীতে মাছ ধরতে যায়। আগে নেটের জাল দিয়ে পানিতে নেমে জাল টানা দিয়ে মাছ ধরতাম জীবনটা হাতে নিয়ে। ভাবতাম হয়তো আর আমার ছেলে মেয়ের সাথে দেখা হবে না।এ জীবনে শুধু দুঃখ। প্রায় ১ বছরের মতো নৌকা নিয়ে মাছ ধরছি।যা আয় হয় তাতে সংসার ঠিক মতো চলে না। খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। ঠান্ডার সময় নদীতে মাছ ধরতে খুবই কষ্ট হয়। ঝড়, রোদ্র,বৃষ্টি আমার মাথার উপর দিয়ে যায়। কি করবো? মাছ না ধরলে কি খাবো? কিভাবে সংসার চালাবো? এসব চিন্তায় আমার ঘুম হয় না। আমাদের তো কোন জায়গা জমি নেই। নদীর চরে আমাদের বসবাস। দ্রব্য মূল্যের বাজারে আমরা ঠিক মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারি না। তারমধ্যে আমার ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার কিছু খরচ দিতে হয়। মাসে মাছ ধরে তার ২ হাজার টাকা মতো আয় হয়।

তিনি বলেন, ছেলেটা হেফজ মাদ্রাসায় লোজিং এ থাকে। মেয়েটা আর আমি খায়। তাদের লেখা পড়ার খরচ দিতে হয়। এ জীবন টা শুধু কষ্টের দেখার কেউ নেই। দুপুরে প্রচন্ড রোদ্র নৌকায় মাছ ধরার সময় এসব কথা বলেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তিনি নদীতে মাছ ধরে জীবন যাপন করছেন। তার পিতার বেধে দেওয়া নদীর চরে গোলপাতার ঘরে তিনি বসাবস করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ হাসানুর বলেন, তিনি নদীতে মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করছেন এটা সম্পূর্ণ সত্য। ওনার স্বামী মারা গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন সাহায্য দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাতেমা খাতুন এই এলাকার স্থানীয় ভোটার না হওয়ায় তাকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন সাহায্য করা হয়নি। কয়রা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার বলেন,আমি তার সম্পর্কে জানতাম না। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে যা যা সহযোগিতা করা সম্ভব আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরার কুটিঘাটায় কৃষি মেলার নামে চলছে নগ্ন নৃত্য ও জুয়ার আসর
পরবর্তী পোস্ট
মেধাবী ছাত্রী পিংকীর হত্যাকারী অঙ্কুরের ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

রিলেটেড পোস্ট

সাতক্ষীরা কমিউনিটির নবগঠিত কমিটির আইডি কার্ড বিতরণ

অক্টোবর ৭, ২০২৬

সাতক্ষীরা সদর থানার নতুন ওসি শফিকুল ইসলামকে ‘সাতক্ষীরা...

অক্টোবর ৬, ২০২৬

‘বই উপহার পৃথিবীর সেরা উপহার’— ডিআইজি হুমায়ুন কবির

অক্টোবর ৫, ২০২৬

খুঁটিতে বাঁধা বাবা, পাশে ছোট্ট তুবা— বদলে যেতে...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কঠোর সতর্কতা,পলাতক আসামি ঠেকাতে বাড়ানো...

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

হাইকোর্টের আদেশে নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে দায়িত্ব নিলেন...

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

সাতক্ষীরা টাউন গার্লস স্কুলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সাইবার নিরাপত্তা...

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির...

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting