দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ২:৩৫
সাতক্ষীরা পৌরসভার ডিসিআরকৃত দোকান উচ্ছেদ করাতে মরিয়া রবিউল...
বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা: আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে মানববন্ধ
আশাশুনি উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের...
শ্যামনগরে সংবাদ সম্মেলন বাতিল ডিলারশিপের পরও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির...
সংবাদ সংক্রান্ত জের ধরে কলারোয়া সাংবাদিককে মারধোর
ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু আয়ান বাঁচার জন্য সাহায্য চায়
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু
আশাশুনির বেতনা নদী থেকে অবৈধ বালি উত্তোলনের অভিযোগ
পাটকেলঘাটা সরুলিয়া ইউনিয়ন গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির কমিটি...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
জাতীয়

কথায় কথায় রিমান্ড: প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, উপেক্ষিত উচ্চ আদালত

কর্তৃক kobirubel.satnadee জানুয়ারি ১৭, ২০২০
জানুয়ারি ১৭, ২০২০ ০ কমেন্ট 331 ভিউস

ডেস্ক রিপেপার্ট: ঘটনা-১ : ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি পাঠিয়ে টাকা দাবি করার অভিযোগে হামিদুল সোয়াদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় আসামিকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি চায় পুলিশ। ঢাকার সিএমএম আদালত আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয়। রিমান্ডের পর আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়। এরপর আসামি জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য আদালতে আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাজেদুল ইসলাম কয়েকবার রিমান্ডে নিয়ে আমার প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এ ঘটনার বিষয়ে জোরপূর্বক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বলেন। অন্যথায় পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে ক্রসফায়ার দেবেন মর্মে ভয় দেখান। সেই ভয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কথামতো নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য জবানবন্দি দিই। বাস্তবে ওই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আমি স্বেচ্ছায় দিইনি। এদিকে মামলার খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি মো. হামিদুল ইসলাম সোয়াদকে অব্যাহতি দিয়ে গত বছর ২৫ আগস্ট এ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে পুলিশ। মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়ে হামিদুল সোয়াদ এখন মুক্ত।

ঘটনা-২ : দিনের বেলায় ঘরে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগে খন্দকার নাজমুল হাসান বাদী হয়ে রাজধানীর মুগদা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে গত বছর ২২ জুলাই মামলা করেন। পরবর্তীতে মিরাজ নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয় ঢাকার সিএমএম আদালত। এ ছাড়া আরও তিন আসামিকে বিভিন্ন সময় গ্রেফতার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ঘটনার তদন্ত করে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় সব আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। এ মামলার বাদী খন্দকার নাজমুল হাসান মামলার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, যাকে চোর সন্দেহ হয়েছে, তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলেও আমাকে মামলার ফলাফল জানানো হয়নি।

ঘটনা-৩ : রাজধানীর ওয়ারী থানার ৫১ আর কে মিশন রোডের ভাড়াটিয়া বোরহান উদ্দিন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বন্ধুকে বিদায় জানাতে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। পরবর্তীতে বাসায় ফিরে দেখেন মেইন দরজার তালা ভাঙা এবং দরজাটি খোলা অবস্থায় রয়েছে। পরে বাসায় ভিতরে প্রবেশ করে দেখেন, বাসায় থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নেই। এ ঘটনায় তিনি চুরির মামলা করেন। এরপর পুলিশ হুমায়ুন কবির ও সোলেমান নামে দুজনকে আটক করে আদালতে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। ঢাকার সিএমএম আদালত রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয়। রিমান্ড ফেরত প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয়। এর পর অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হারুনুর রশিদ দুই আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে ওই বছর ২৩ ডিসেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বর্তমানে ওই দুই আসামি মামলার অভিযোগ থেকে মুক্ত।
উল্লিখিত এই তিনটি ঘটনা উদাহরণ মাত্র। ঢাকার আদালত থেকে প্রতিদিন এ ধরনের বহু মামলায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসামি বিনা কারণে রিমান্ডে থাকছেন। রিমান্ডে শিকার হচ্ছেন বিভিন্ন নির্যাতনের। পরে দেখা যায় অনেক আসামি অপরাধ কবুল করলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। পুলিশ রিমান্ডে পেয়ে আসামিদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করছে বলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া অনেক ভুক্তভোগী আসামি লিখিতভাবে রিমান্ডে নির্যাতনের বর্ণনা আদালতে দাখিল করেছেন। এমনকি নির্যাতনের ফলে অনেক সময় আটক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

১৯৯৮ সালে মতিঝিল থানা পুলিশ হেফাজতে মারা যান ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শামীম রেজা রুবেল। এ ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার এবং ১৬৭ ধারায় রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে হাই কোর্টে রিট করে। ওই রিটে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল রায় দেয় হাই কোর্ট। রায়ে ছয় মাসের মধ্যে ফৌজদারি আইন সংশোধন করতে সরকারকে ১৫ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৫ মে ওই রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ। তবে উচ্চ আদালতের সে রায় মানছে না পুলিশ।

আইনজ্ঞরা বলছেন, হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা সংশোধন হলেই নির্যাতন বন্ধ হবে। তবে আইন সংশোধন হওয়ার আগ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আদালতের রায় মানা বাধ্যতামূলক। না মানলে সে ক্ষেত্রে আদালত অবমাননা হবে। আটক ব্যক্তিকে নির্যাতন না করে কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। রিমান্ডের বিষয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ না মানা আদালত অবমাননা বলেও মনে করেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধিতে রিমান্ডের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তাই পুলিশ রিমান্ড চাইল, আর ম্যাজিস্ট্রেট রিমান্ড দিয়ে দিলেন, এটা করা মোটেও ঠিক হবে না। তিনি বলেন, বড় বড় ঘটনায় অধিকতর সাক্ষ্য প্রমাণের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন হয়। তবে চুরির মতো ছোট ছোট ঘটনায়ও রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করা অস্বাভাবিক। আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতি বলেন, রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে হাই কোর্টের ১৫ দফা নির্দেশনা রয়েছে। আপিল বিভাগও সেটা বহাল রেখেছে। তাই কেউ যদি ওই নির্দেশনাগুলো না মানে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের নির্দেশনা না মেনে কোনো কাজ করলে আদালত অবমাননা হবে। হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আটক ব্যক্তিকে নির্যাতন করা যাবে না, এটা অবশ্যই মানা উচিত। কখনো কখনো আসামিদের অমানবিক নির্যাতন করা হয় বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। আসলে গ্রেফতার ব্যক্তিকে কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসে। এ জন্য জিজ্ঞাসাবাদকারীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

উচ্চ আদালতের ১৫ দফা নির্দেশনা : হাই কোর্টের রায়ের উল্লেখযোগ্য নির্দেশনা হলো- আটকাদেশের (ডিটেনশন) জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারবে না। কাউকে গ্রেফতারের সময় পুলিশ নিজের পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে। আটক ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলে তার কারণ লিখে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে ডাক্তারি সনদ আনবে পুলিশ। গ্রেফতারের তিন ঘণ্টার মধ্যে আটক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য স্থান থেকে আটক ব্যক্তির নিকটাত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে টেলিফোন বা বিশেষ বার্তাবাহক মারফত বিষয়টি জানাতে হবে। গ্রেফতার ব্যক্তিকে তার পছন্দসই আইনজীবী ও নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিতে হবে। আটক ব্যক্তিকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে কারাগারের অভ্যন্তরে স্বচ্ছ কাচনির্মিত বিশেষ কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে পুলিশ সর্বোচ্চ তিন দিন হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ওই ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে হবে। পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে মেডিকেল বোর্ড গঠন করবেন। বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পুলিশ হেফাজতে বা কারাগারে গ্রেফতার ব্যক্তি মারা গেলে তাৎক্ষণিক ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। আটক ব্যক্তি কারা বা পুলিশ হেফাজতে মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত ব্যক্তির আত্মীয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তা তদন্তের নির্দেশ দেবেন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলে দুই মন কাকড়া জব্দ
পরবর্তী পোস্ট
আশাশুনি ভাড়াটিয়া মোটরসাইকেল চালক অপহরণ, থানায় এজাহার

রিলেটেড পোস্ট

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা 

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

আশাশুনিতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালন

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

আশাশুনি সদরে সমুদ্রে মাছধরা জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ

এপ্রিল ২২, ২০২৬

শুরু হচ্ছে জব্বারের বলী খেলার ১১৭তম আসর দ্বাদশবারের মতো পৃষ্ঠপোষক বাংলালিংক ও সরাসরি সম্প্রচার টফিতে

এপ্রিল ২২, ২০২৬

আশাশুনি সদর ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে ত্রৈমাসিক...

এপ্রিল ২১, ২০২৬

শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ...

এপ্রিল ২১, ২০২৬

সাতক্ষীরায় জেলা মানব পাচার প্রতিরোধ নেটওয়ার্কের রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ...

এপ্রিল ২১, ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি’র এমপি কলারোয়ার পুত্রবধূ সানজিদা...

এপ্রিল ২০, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting