
এস.এম আলমগীর হোসেন:সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সাবেক স্ত্রীকে প্রকাশ্যে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্বামী মইনুর ইসলাম তোতা গাজীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, মধ্যম বড়দল গ্রামের শহিদুল ইসলাম গাজীর পুত্র মইনুর ইসলাম তোতা গাজী দীর্ঘ কয়েক বছর আগে পার্শ্ববর্তী কয়রা উপজেলার মুর্শিদা নামের এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ, সাংসারিক অশান্তি ও নানা টানাপোড়েনের কারণে তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। একপর্যায়ে জীবিকার তাগিদে মুর্শিদাকে বিদেশে যেতে হয় এবং পরবর্তীতে তাদের একতরফা ডিভোর্স সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। এরপর থেকে মুর্শিদা তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
ঘটনার দিন মুর্শিদা তার সন্তানদের দেখতে সাবেক স্বামীর বাড়িতে আসেন। সন্তানদের সাথে সময় কাটিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সাবেক স্বামী তোতা গাজীর সাথে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে তোতা গাজী। হঠাৎ ঘরে থাকা ধারালো দা হাতে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মুর্শিদার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
প্রথমে তার গলায় কোপ মারার চেষ্টা করা হলে মুর্শিদা মুখ ঘুরিয়ে নিলে কোপটি তার চোয়ালে লাগে। পরে পিঠ, কিডনি ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে পরপর ৫ থেকে ৬টি কোপ মেরে তাকে রক্তাক্ত জখম করে। এঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা ।

