দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১১:৫৫
দেবহাটা থানার আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা
এপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক,...
সাতক্ষীরার অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. হুমায়ূন কবিরের সাফল্য
কলারোয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে মোকন্দপুরের জয়
জাকারিয়া হত্যাকান্ডে সিসি ফুটেজ ফ্যাক্টর হয়ে দাড়িয়েছে
তালা প্রশাসনের সীমানা প্রাচীরে অবরুদ্ধ পরিবার: হাইকোটে রিট
আশাশুনির বাইনতলায় জামায়াতের অফিস উদ্বোধন
সাতক্ষীরায় জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা
পাইকগাছায় আলোচনা সভা, পাঠচক্র ও কুইজ প্রতিযোগিতা
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. হুমায়ূন...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
মন্ত্রব্য প্রতিবেদনসারাদেশ

এপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ

কর্তৃক Satnadee Satkhira অক্টোবর ৯, ২০২৬
অক্টোবর ৯, ২০২৬ ০ কমেন্ট 84 ভিউস

#একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকার”

মো. কামাল উদ্দিন: ইতিহাসের মশাল-জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ- ইতিহাস কখনো মুছে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু তার ভাষা বদলে যায়; আর সেই বদলে যাওয়া সময়ের বুকেই কোনো কোনো নাম হয়ে ওঠে দায়িত্বের প্রতীক, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে একটি জাতির নিরাপত্তার নীরব প্রহরী।

 

১৯৭৯ সালের সেই প্রভাতে যে মশাল জ্বলে উঠেছিল এপিবিএনের পথচলায়, তার আলো বহন করেছিলেন প্রারম্ভিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা আজিজুল হক; দীর্ঘ সময়ের পথ পেরিয়ে আজ সেই ইতিহাসেরই আরেক প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর সন্তান, অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজ।

 

বাবার হাতে ছিল প্রতিষ্ঠার দিনের স্বপ্ন, আর সন্তানের হাতে আজ ভবিষ্যতের দায়িত্ব; একজন ইতিহাসের ভিত্তি নির্মাণ করেছেন, আর অন্যজন সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন সময়ের নিরাপত্তা, আধুনিকতা ও জনআস্থার স্বপ্নকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে পথ চলছেন।
পাহাড়ের দুর্গম পথ থেকে বিমানবন্দরের ব্যস্ত প্রহর, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা থেকে মানুষের জীবনের নিশ্চয়তা, এপিবিএনের দীর্ঘ যাত্রা যেন দায়িত্ব, ত্যাগ ও সাহসের এক নীরব মহাকাব্য; আর সেই মহাকাব্যের নতুন অধ্যায়ে হাসিব আজিজ শুধু একজন বাহিনীপ্রধান নন, তিনি বহন করছেন একটি ইতিহাসের উত্তরাধিকার এবং আগামী দিনের প্রত্যাশা।

 

সময় একদিন আবার ইতিহাসের পাতা উল্টাবে; তখন হয়তো লেখা থাকবে, এক প্রজন্ম যে মশাল জ্বালিয়েছিল, আরেক প্রজন্ম সেই মশালকে আরও দূরের আলোয় নিয়ে গিয়েছিল।

 

সেই আলোর আজকের নাম—হাসিব আজিজ।
ইতিহাস কখনো শুধু কয়েকটি তারিখ, সরকারি প্রজ্ঞাপন কিংবা পুরোনো নথির স্তূপ নয়। ইতিহাসের গভীরে থাকে একটি সময়ের প্রয়োজন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনা, মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষার দায়, সংকট মোকাবিলার অভিজ্ঞতা এবং কিছু মানুষের নেতৃত্বের অমোচনীয় ছাপ।

 

বাংলাদেশের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বা এপিবিএন সেই অর্থে শুধু একটি বিশেষায়িত পুলিশ বাহিনীর নাম নয়। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিবর্তন, বিশেষায়িত পুলিশিংয়ের বিকাশ, দুর্গম এলাকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও অপরাধ মোকাবিলা এবং সর্বশেষে জনবান্ধব ও আইনভিত্তিক আধুনিক পুলিশিংয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি দীর্ঘ ইতিহাস।

 

এই ইতিহাসের একটি প্রান্তে রয়েছে ১৯৭৯ সালের The Armed Police Battalions Ordinance। ৩১ মার্চ ১৯৭৯ জারি হওয়া ওই অধ্যাদেশ এপিবিএন গঠন ও পরিচালনার আইনগত ভিত্তি তৈরি করে।

 

আর আজ ২০২৬ সালে এসে সেই ১৯৭৯ সালের আইনগত কাঠামোকে যুগোপযোগী করে নতুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ প্রণীত হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সরকারি গেজেটে নতুন আইনটি প্রকাশিত হয়েছে। অর্থাৎ ১৯৭৯ সালের অধ্যাদেশ থেকে ২০২৬ সালের আইনে এপিবিএনের দীর্ঘ অভিযাত্রা একটি নতুন আইনগত অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

 

এই দীর্ঘ পথের দিকে ফিরে তাকালে কয়েকটি নাম, কয়েকটি সময় এবং কয়েকটি অধ্যায় বিশেষভাবে সামনে আসে। জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনার সময়, আজিজুল হকের প্রারম্ভিক নেতৃত্ব এবং কয়েক দশক পর হাসিব আজিজের নেতৃত্ব। এ যেন একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে দুই প্রজন্মের দায়িত্বের এক দীর্ঘ সেতুবন্ধন।

 

জিয়াউর রহমানের সময়: নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে একদিকে রাষ্ট্র পুনর্গঠন, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। সত্তরের দশকের শেষভাগে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও সংগঠিত ও বিশেষায়িত করার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে।
সেই সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

 

১৯৭৯ সালের ৩১ মার্চ The Armed Police Battalions Ordinance, 1979 জারি হয়। এর মাধ্যমে Armed Police Battalions নামে একটি বিশেষায়িত সশস্ত্র পুলিশ কাঠামোর আইনগত ভিত্তি তৈরি হয়।
তাই রাজনৈতিক মূল্যায়নের বাইরে একটি ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে বলা যায়, এপিবিএনের প্রাতিষ্ঠানিক আইনগত যাত্রা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার সময়েই শুরু হয়েছিল।

 

একটি বাহিনীর জন্ম মানে শুধু অস্ত্র, পোশাক কিংবা জনবল নয়। এর জন্য প্রয়োজন হয় শৃঙ্খলা, কমান্ড কাঠামো, প্রশিক্ষণ, সাংগঠনিক সংস্কৃতি, দায়িত্ব পালনের মানসিকতা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্র ও মানুষের নিরাপত্তাকে সামনে রেখে একটি পেশাদার বাহিনী গড়ে তোলার দীর্ঘ প্রস্তুতি।

 

আজিজুল হক: প্রতিষ্ঠার শুরুর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম
এপিবিএনের প্রারম্ভিক ইতিহাসের সঙ্গে তৎকালীন ডিআইজি আজিজুল হকের নাম যুক্ত থাকার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
আপনার সংগৃহীত স্মৃতিচারণ ও তথ্য অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ১৯৮০ থেকে ১৯ জুলাই ১৯৮০ পর্যন্ত তিনি এপিবিএনের প্রাথমিক পর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
একটি প্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্নে কয়েক মাসও কখনো কখনো দীর্ঘ ইতিহাসের ভিত্তি হয়ে থাকে। কারণ তখন একটি নতুন বাহিনীকে দাঁড় করানোর প্রশ্ন ছিল। কী হবে তার দায়িত্ব, কী হবে তার কমান্ড কাঠামো, কীভাবে হবে সদস্যদের প্রশিক্ষণ, কীভাবে গড়ে উঠবে অপারেশনাল সক্ষমতা এবং কীভাবে দুর্গম অঞ্চলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই এপিবিএনের সাংগঠনিক চরিত্র ধীরে ধীরে বিকশিত হয়েছে।

 

বিলাইছড়ি: পাহাড়ের দুর্গমতায় এপিবিএনের শুরুর স্মৃতি
রাঙামাটির বিলাইছড়ি। পাহাড়, নদী, দুর্গম জনপদ আর কঠিন ভৌগোলিক বাস্তবতার এক জনপদ।
এপিবিএনের প্রারম্ভিক সময়ের স্মৃতিচারণে বিলাইছড়ির নামও বিশেষভাবে উঠে আসে। আপনার সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে সেখানে এপিবিএনের প্রথম ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম উদ্বোধনের সঙ্গে আজিজুল হকের নামও যুক্ত রয়েছে।

 

তবে ইতিহাসের স্বার্থে এই অংশটি আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকারি আদেশ, উদ্বোধনী নথি, পুরোনো ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা জরুরি। কারণ স্মৃতি ইতিহাসের প্রাণ, আর নথি ইতিহাসের মেরুদণ্ড।
দুর্গম পাহাড়ে দায়িত্ব পালন ছিল সহজ কোনো কাজ নয়। সীমিত যোগাযোগব্যবস্থা, কঠিন যাতায়াত, ভৌগোলিক প্রতিকূলতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে এপিবিএনের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। সেই দায়িত্বের মধ্য দিয়েই একটি বিশেষায়িত বাহিনীর মাঠপর্যায়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।

 

অস্ট্রেলিয়ায় প্রশিক্ষণ এবং ইতিহাসের নির্মম বাঁক
আপনার সংগৃহীত স্মৃতিচারণে আরও জানা যায়, আজিজুল হক অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে ছিলেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, সেই সময় আজিজুল হক অস্ট্রেলিয়ায় প্রশিক্ষণে ছিলেন।

 

ইতিহাসের কী অদ্ভুত পরিহাস। একজন রাষ্ট্রনায়ক দেশের মাটিতে জীবন হারালেন, আর তাঁর সময়ের নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মকর্তা তখন দেশের বাইরে পেশাগত প্রশিক্ষণে ছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্র থেমে থাকেনি। প্রতিষ্ঠান থেমে থাকেনি। এপিবিএনের যাত্রাও থেমে থাকেনি। সময়ের সঙ্গে নেতৃত্ব বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, অপরাধের ধরন বদলেছে এবং নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ বদলেছে। কিন্তু রাষ্ট্র ও মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে গেছে। পাহাড় থেকে বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে শরণার্থী শিবির সময় যত গড়িয়েছে, এপিবিএনের দায়িত্বও তত বিস্তৃত হয়েছে।

 

বাংলাদেশ পুলিশের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এপিবিএনের মূল দায়িত্বের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, সশস্ত্র অপরাধী চক্র দমন, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে সহায়তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সহায়তা অন্যতম। বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে।

 

আজকের এপিবিএনের দায়িত্ব তাই শুধু কোনো একটি অঞ্চল বা একটি ধরনের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বিমানবন্দর, বিশেষ নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনা, দুর্গম এলাকা, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় সহায়তা, মানবপাচার ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার মতো বহুমাত্রিক দায়িত্ব এ বাহিনীর ওপর রয়েছে। সব মিলিয়ে এপিবিএন এখন বাংলাদেশের বহুমাত্রিক নিরাপত্তা কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

বিমানবন্দর ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প: দায়িত্বের নতুন বাস্তবতা
বিমানবন্দর কোনো সাধারণ স্থাপনা নয়। এটি একটি দেশের প্রবেশদ্বার, অর্থনীতি ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং একই সঙ্গে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা সংবেদনশীল এলাকা। অন্যদিকে কক্সবাজার ও অন্যান্য স্থানে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মানবিক ও নিরাপত্তা বাস্তবতা তৈরি করেছে। এই ধরনের বিশাল ও জটিল নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনে প্রয়োজন শুধু সদস্য সংখ্যা নয়। প্রয়োজন প্রশিক্ষিত জনবল, আধুনিক যানবাহন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, নজরদারি প্রযুক্তি, সুরক্ষা সরঞ্জাম, আবাসন ও চিকিৎসা সুবিধা, পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তা এবং সর্বোপরি দক্ষ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব।

 

২০২৬: পুরোনো অধ্যাদেশ থেকে নতুন আইনের পথে
এপিবিএনের ইতিহাসে ২০২৬ সাল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল এপিবিএনকে আরও জনবান্ধব করা এবং ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া।

 

এরপর ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয় এবং ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সরকারি গেজেটে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ হিসেবে প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ ১৯৭৯ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে যে বাহিনীর আইনগত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, ২০২৬ সালে এসে সেই কাঠামো নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি পূর্ণাঙ্গ আইনের রূপ পেল। এটি শুধু আইনের পরিবর্তন নয়। এটি দায়িত্বের পরিবর্তন, সক্ষমতার পরিবর্তন এবং জবাবদিহির নতুন প্রত্যাশাও।

 

তদন্তের ক্ষমতা: ক্ষমতার সঙ্গে বাড়বে দায়িত্বও
নতুন আইন এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দিয়েছে। একই সঙ্গে এ দায়িত্ব ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইনের অধীন পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। এই পরিবর্তন এপিবিএনের জন্য যেমন নতুন সুযোগ, তেমনি নতুন দায়িত্বও।

 

কারণ তদন্ত মানে শুধু আসামি গ্রেপ্তার নয়। তদন্ত মানে তথ্য সংগ্রহ, প্রমাণ সংরক্ষণ, সাক্ষ্য যাচাই, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং আদালতে গ্রহণযোগ্য একটি সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা।
অতএব এপিবিএনের তদন্তক্ষমতার সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, ফরেনসিক সক্ষমতা, সাইবার অপরাধ তদন্তের দক্ষতা, তথ্যপ্রযুক্তি, ডেটা বিশ্লেষণ এবং পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তা সমানভাবে জরুরি।

 

ক্ষমতা যত বাড়বে, জবাবদিহিও তত বাড়তে হবে। আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ: ইতিহাসের বিরল প্রজন্মান্তর
এখানেই এপিবিএনের ইতিহাস একটি ভিন্ন মাত্রা পায়। আজিজুল হক ছিলেন এপিবিএনের প্রারম্ভিক সময়ের সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মকর্তা। কয়েক দশক পর তাঁর সন্তান অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজ এপিবিএনের প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

১৬ মার্চ ২০২৬ সালের সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজকে এপিবিএনের প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। এ যেন একই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে সময়ের দুই প্রান্তের মিলন। এক প্রজন্ম দেখেছে প্রতিষ্ঠার শুরুর দিন। পরবর্তী প্রজন্ম দায়িত্ব নিয়েছে পরিবর্তিত ও বিস্তৃত নিরাপত্তা বাস্তবতার একটি বাহিনীর।

 

বাবার সময়ের এপিবিএন আর সন্তানের সময়ের এপিবিএন এক নয়। তখন ছিল প্রতিষ্ঠার সময়, এখন আধুনিকায়নের সময়। তখন ছিল সীমিত প্রযুক্তি, এখন ডিজিটাল নিরাপত্তা, সাইবার অপরাধ, আধুনিক নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার যুগ। তখন ছিল একটি নতুন বিশেষায়িত বাহিনীকে দাঁড় করানোর চ্যালেঞ্জ, এখন সেই প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ, আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করে তোলার চ্যালেঞ্জ।

 

হাসিব আজিজের সামনে নতুন অধ্যায়
হাসিব আজিজের এপিবিএন নেতৃত্বের সময়টি তাই শুধু একটি পদায়নের ঘটনা হিসেবে দেখলে এর বৃহত্তর তাৎপর্য ধরা পড়বে না।
তাঁর সামনে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক বাহিনীকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব। তদন্তক্ষমতার নতুন আইনগত কাঠামো বাস্তবায়ন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদার, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সক্ষম করা, রোহিঙ্গা শিবিরে নিরাপত্তা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় বিশেষায়িত সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সদস্যদের প্রশিক্ষণ উন্নত করা এবং একই সঙ্গে এপিবিএনকে আরও জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব তাঁর নেতৃত্বের সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই জায়গাতেই প্রয়োজন জনবল বৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তা। কারণ দায়িত্ব যদি বাড়ে, সক্ষমতাও বাড়াতে হয়।

 

একটি বাহিনীকে দিয়ে যদি বিমানবন্দর থেকে রোহিঙ্গা শিবির, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে বিশেষ নিরাপত্তা, অপরাধ দমন থেকে তদন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত দায়িত্ব পালন করাতে হয়, তাহলে সেই বাহিনীর সদস্যদের জন্য পর্যাপ্ত জনবল, যানবাহন, অস্ত্র ও সুরক্ষা সরঞ্জাম, যোগাযোগব্যবস্থা, প্রযুক্তি, আবাসন, চিকিৎসা এবং প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। এটি কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নয়। এটি দায়িত্ব পালনের অবকাঠামো।

 

এপিবিএনের সাফল্যের গল্প: নীরব দায়িত্বের মহাকাব্য
এপিবিএনের সাফল্যের গল্প সবসময় সংবাদপত্রের শিরোনামে আসে না। কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় রাত জেগে পাহারা দেওয়া একজন সদস্যের গল্প সংবাদ হয় না। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করা সদস্যের ক্লান্ত চোখও সংবাদ হয় না। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জটিল পরিবেশে দায়িত্ব পালন করা সদস্যের প্রতিদিনের ঝুঁকিও অনেক সময় অদৃশ্য থেকে যায়। কিন্তু রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অনেক সময় এমনই।

 

সাফল্য তখনই সবচেয়ে বড়, যখন সাধারণ মানুষ নিরাপদে ঘুমাতে পারে। একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্বিঘ্নে চালু থাকে। একজন বিদেশি অতিথি নিরাপদে দেশে প্রবেশ করেন। একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে থাকে। একটি অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান সফল হয়। একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। একজন সাধারণ মানুষ পুলিশের কাছে গিয়ে আস্থার সঙ্গে কথা বলতে পারেন। সেই অদৃশ্য নিরাপত্তার দেয়াল নির্মাণ করেন ইউনিফর্ম পরা মানুষগুলো।

 

জনবান্ধব এপিবিএন: ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা
একটি আধুনিক বিশেষায়িত বাহিনীর শক্তি শুধু অস্ত্রে নয়। মানুষের আস্থায়। এপিবিএনকে যদি আগামী দিনের আরও জনমুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তাহলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে সম্পর্কও তার শক্তিতে পরিণত হবে। মানুষ যেন এপিবিএনের সদস্যকে শুধু অস্ত্রধারী নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে না দেখে। দেখে রাষ্ট্রের একজন দায়িত্বশীল সেবক হিসেবে, যে মানুষের কথা শুনবে, বিপদে পাশে দাঁড়াবে, আইন মেনে দায়িত্ব পালন করবে, অন্যায় প্রতিরোধ করবে, দুর্বল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ক্ষমতার প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিকতার পরিচয় দেবে। নতুন ২০২৬ সালের আইনেও এপিবিএনকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নই হতে পারে নতুন যুগের এপিবিএনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়।

 

সামনে আরও জনবল, আরও প্রযুক্তি, আরও সক্ষমতা
এপিবিএনের দায়িত্বের বিস্তৃতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে জনবল ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।
কারণ আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু জনবল দিয়ে চলে না। প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তি, দ্রুতগামী যান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, সিসিটিভি ও নজরদারি প্রযুক্তি, সাইবার ও ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং আধুনিক অস্ত্র ও সুরক্ষা সরঞ্জাম। এর পাশাপাশি সদস্যদের পরিবার ও কল্যাণের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

 

একজন সদস্য যখন নিশ্চিন্তে জানবেন তাঁর পরিবার নিরাপদ, চিকিৎসা সুবিধা আছে, আবাসন আছে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ন্যূনতম নিশ্চয়তা আছে, তখন দায়িত্ব পালনের মানসিক শক্তিও বাড়ে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষাকারী মানুষের নিরাপত্তাও রাষ্ট্রের দায়িত্বের অংশ।

 

একটি পরিবারের গল্প থেকে একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস
আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজের গল্প শুনতে পারিবারিক উত্তরাধিকারের গল্প মনে হতে পারে। কিন্তু এর গভীরে রয়েছে আরও বড় একটি ইতিহাস। একজন কর্মকর্তা ছিলেন প্রতিষ্ঠার সময়ের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর সন্তান কয়েক দশক পর সেই একই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে।
এখানে রক্তের সম্পর্কের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানের সময়ের ব্যবধান। বাবার সময়ের দায়িত্ব ছিল একরকম। সন্তানের সময়ের দায়িত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তবু একটি জায়গায় মিল আছে।

 

দায়িত্ব
রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব, মানুষের প্রতি দায়িত্ব, আইনের প্রতি দায়িত্ব এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়িত্ব। এই জায়গাতেই দুই প্রজন্ম যেন ইতিহাসের দুই তীর হয়ে দাঁড়ায়।

 

জিয়াউর রহমান থেকে আজকের এপিবিএন
১৯৭৯ সালের অধ্যাদেশ ছিল একটি প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা। আজ ২০২৬ সালে এসে নতুন আইন হলো সেই যাত্রার একটি নতুন অধ্যায়।
মাঝখানে কেটে গেছে প্রায় অর্ধশতাব্দী। দেশ বদলেছে। সমাজ বদলেছে। অপরাধ বদলেছে। প্রযুক্তি বদলেছে। নিরাপত্তার সংজ্ঞা বদলেছে। কিন্তু রাষ্ট্রের মানুষের নিরাপত্তার প্রয়োজন বদলায়নি। বরং দায়িত্ব আরও বেড়েছে। আর সেই দায়িত্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এপিবিএনের আইনগত কাঠামোও এখন নতুন রূপ পেয়েছে। এ যেন পুরোনো বৃক্ষের নতুন পাতা। শিকড় ১৯৭৯ সালে।
কাণ্ড কয়েক দশকের অভিজ্ঞতায় শক্ত। আর ২০২৬ সালে নতুন আইনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের দিকে আরও একটি নতুন শাখা বিস্তারের সুযোগ।

 

ইতিহাসের সেতু
জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনার সময় এপিবিএনের আইনগত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। আজিজুল হক ছিলেন সেই প্রারম্ভিক সময়ের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। আর কয়েক দশক পর তাঁর সন্তান হাসিব আজিজ এপিবিএনের নেতৃত্বে এসে দাঁড়িয়েছেন। এক প্রান্তে প্রতিষ্ঠার সময়। অন্য প্রান্তে আধুনিকায়নের সময়। একদিকে অতীতের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরার অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. হুমায়ূন কবিরের সাফল্য
পরবর্তী পোস্ট
দেবহাটা থানার আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা

রিলেটেড পোস্ট

জাকারিয়া হত্যাকান্ডে সিসি ফুটেজ ফ্যাক্টর হয়ে দাড়িয়েছে

অক্টোবর ৯, ২০২৬

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. হুমায়ূন...

অক্টোবর ৯, ২০২৬

কাশফুলের সাদা মেঘে হারিয়ে যাওয়া এক বিকেল: আজকের...

অক্টোবর ৯, ২০২৬

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও...

অক্টোবর ৮, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা জাতীয় গ্রিডে...

অক্টোবর ৭, ২০২৬

সাতক্ষীরা কমিউনিটির নবগঠিত কমিটির আইডি কার্ড বিতরণ

অক্টোবর ৭, ২০২৬

সাতক্ষীরা সদর থানার নতুন ওসি শফিকুল ইসলামকে ‘সাতক্ষীরা...

অক্টোবর ৬, ২০২৬

‘বই উপহার পৃথিবীর সেরা উপহার’— ডিআইজি হুমায়ুন কবির

অক্টোবর ৫, ২০২৬

খুঁটিতে বাঁধা বাবা, পাশে ছোট্ট তুবা— বদলে যেতে...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting