
নিজস্ব প্রতিবেদক :সাতক্ষীরায় আদালতের রায় উপেক্ষা করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রাজারবাগান এলাকায়। উক্ত জমির ওয়ারেশগণ এমন অভিযোগ করেছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা ল্যান্ড সার্ভে আদালতে একতরফা ১০.৫৮ শতক জমির রায় করে রাজারবাগান এলাকার মেহেরুননেজা বেগম। পরবর্তীতে সেই রায়ের পক্ষে সদর ভূমি অফিস থেকে নামজারি করে মেহেরুননেজা বেগমের ছেলের মামুন হোসেন। কিন্তু উক্ত জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছে রিজিয়া খাতুনের ওয়ারেশ রেজা হোসেন ও সিরাজ হোসেন গং। একতরফা রায় জানাতে পেরে রেজা হোসেন গং উচ্চ আদালতে আপিল করে তাদের আপিলের প্রেক্ষিতে নিম্ন আদালতের রাশ বাতিল করে। উচ্চ আদালত পুনারায় নিম্ন আদালতকে মামলা নতুন করে শুনানির জন্য আদেশ দেয়। কিন্তু এমতাবস্থায় আদালতের এমন রায় উপেক্ষা করে মামুন হোসেন উক্ত জমি দখল করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করেছে রেজা হোসেন গং। রেজা হোসেন গং দাবি করে মামলার দাগ নং ২১১/২১২ দাগে মেহেরুননেজা কোন জমি পাবে না। মেহেরুন্নেছা ও তার বোনদের থেকে ফারাজ সূত্রে প্রাপ্ত জমি ২৭ শতক ১৯৮০ সালে ক্রয় করে রিজিয়া বেগম। তাছাড়া মেহেরুন্নেছার মোট জমি ১৫ শতক তার মধো ১৩ শতক জমি বিক্রি করে আব্দুলের আজিজের কাছে ২ শতক বিক্রি করে রিজিয়া খাতুনের কাছে অবশিষ্ট ২ শতক জমি অন্য দাগে। কিন্তু মেহেরুন্নেছার ছেলে মামুন হোসেন ২১১/২১২ দাগে জমি দাবি করে আসছে। জোর করে আদালতে রাশ বাতিল হলের সে গায়ের জোরে দখলের চেষ্টা করছে।
ভুক্তভোগী সিরাজ হোসেন বলেন, আমাদের ক্রয়কৃত সম্পদ দীর্ঘদিন ভোগ করে আসছি। মেহেরুন্নেছার পুত্র মামুন হোসেন একতরফা রায় করে নামাজারি করে জমি দখলের চেষ্টা করে আসছে। আমরা রায় বাতিল করে উচ্চ আদালতের আদেশ নিয়ে আসলেও সে জমি বারবার দখলের চেষ্টা করছে। আমরা চাই মামুন গায়ের জোরে আমাদের জমিতে যেন জবর দখল না করতে পারে। আমরা আইনের মাধ্যমে জমি সে পেলে আমরা বুঝিয়া দিব।
আরেক ভুক্তভোগী রেজা হোসেন বলেন, আমরা ১৯৮০ সাল থেকে জমি ভোগ দখল করে আসছি। আমাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে মামুন হোসেন। আমরা উচ্চ আদালতে রায় নিয়ে এসেছি।তবুও সেই জমিতে ঝামেলা সৃষ্টি করছে বিভিন্ন ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরীহ মানুষ আমরা কোন ঝামেলা চাই না।
অভিযুক্ত মামুন হোসেন সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি জমি ল্যান্ড সার্ভে রায় পেয়েছি জমি নামজারি করেছি। তারা সেই রায় বাতিল করেছে। আদালত পুনারায় মামলা শুনানি করছে। মামলায় তারা রায় পেলে আমি জমি দাবি করব না।

