দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
মঙ্গলবার | ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১২:৫৫
অপপ্রচার চালিয়ে শ্যামনগরে এক নারী এনজিও কর্মীকে ফাঁসানোর...
এবার এস এস সিতে হাবিবার সাফল্য
কালিগঞ্জ ডায়াবেটিক হসপিটাল ঘেরাও ও মানববন্ধন
সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে প্রাইম “ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট ২০২৬”...
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল...
তালার মহান্দী- কাটবুনিয়া সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধনে জেলা পরিষদ...
শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষায় ২+২ মডেলের বিপ্লব
খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা
আশাশুনির গোদাড়ায় তিনজনকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি...
সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাদুল হক খান
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শিক্ষাসম্পাদকীয়

সময়ের বড় শক্তি হলো মানুষকে ভাবতে শেখায় সেই ভাবনার বাইরে আমরা কেউ নই—– সাইদুর রহমান

কর্তৃক Satnadee Satkhira জুন ২৬, ২০২৬
জুন ২৬, ২০২৬ ০ কমেন্ট 110 ভিউস

ডেস্ক রিপোর্ট: সময়ের বড় শক্তি হলো মানুষকে ভাবতে শেখায় সেই ভাবনার বাইরে আমরা কেউ নন। সাতক্ষীয়ায় এবার হঠাৎ আসতে হলো। অভিজ্ঞা হলো বিচিত্র কিছুর। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত ট্রেনিংয়ে প্রশিক্ষক ছিলাম। বিদ্যামান দু,টি অংশকে আলাদভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা একসাথে দু,পক্ষের উপস্থিতিতে সার্টিফিকেট দেয়া, যদিও সেটি সম্ভব হয়নি। তবে পৃথকভাবে দুইপক্ষকেই সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সার্টিফিকেট দেয়া।

সাতক্ষীরা জেলা প্রেসক্লাবে প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত হন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাহেব। প্রায় বছর দেড়েক পর উনার সাথে আমার দেখা। আমাকে দেখে কাছে টেনে নিলেন, কোলাকুলি করলেন। তারপর আমরা একইমঞ্চে বসে সার্টিফিকেট বিতরণ শেষ করেছি। এরপর চলে যাবো কিন্তু হাবিব সাহেব নছোড়বান্দা। এক প্রকার জোর করে Shahanuare Shaid Shahin ভাই এবং আমাকে উনার ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে নেন।শতব্যস্ততার মাঝে আপত্তি করলেও উনার মুগ্ধতা, সৌজন্যতার কাছে হেরে গেছি।

আমরা কোথায় যাবো সেটিও জানি না। গাড়িতে উঠার পর উনি বললেন লেকভিউতে। গাড়ির ভীতরে সৌজন্য এবং কিছু আলাপ চারিতা শেষে লেকভিউকে খাওয়া-দাওয়া পর্ব। স্বাভাবিকভাবে হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাহেব একজন জনপ্রিয় জাতীয় নেতা। সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে উনার পরাজয়টি সকলের কাছে অস্বাভাবিক এবং মেনে নেয়া আমাদের জন্য ছিলো কষ্টকর। আলাপের শুরুতে নির্বাচন প্রসঙ্গ। তবে আমি মোটাদাহে উনাকে কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরেছি যে, কেন হারলাম আমরা। এর মধ্যে বড় একটি কারণ কলারোয়া বিএনপির আদি আমলের আওয়ামী মিশ্রনের ইউনিয়ন কমিটি, ফ্যাসিবাদ বিরোধী তরণ প্রজন্মকে পুরোপুরি মাঠে না নামতে পারা, গাড়িবহর আসামীদের বেপরোয়া আচরণ, আপনারা পরিবারের সদস্যদের লাগামহীন কর্তৃত্ব। আর সবচেয়ে বড় কারণটি ছিলো, প্রশাসনিক ম্যাকানিজ সম্পর্কে বিএনপির অবগত না থাকা। জামায়াতের বিপুল আর্থিক ফ্যান্ডিং, মন্ত্রীপরিষদ সচিব, জেলা প্রশাসক তালা এবং কলারোয়ার নির্বাচনকে বিতর্কিত করেছে। আলোচনায় উঠে এসেছ এই যেমন জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতার মা বা বাবা ভারতে থাকেন। কিন্তু উনারা বাংলাদেশের ভোটার-দুর্ভাগ্য উনারা দেশে না আসতে পারলেও তুলশীডাঙ্গা কেন্দ্রে কে বা কারা তাদের ভোটও দাঁড়িপাল্লায় দিয়েছে কিন্তু বিএনপির এজেন্টরা ধরতে পারেনি। সবশেষ বলে এসেছি আপনার আশপাশে জামায়াত তাদের এজেন্ট আছে, দেখলেই বোঝা যায়। আপনার গতিবিধি সার্বক্ষনিক তাদেরকে অবহিত করে। আরো কিছু লোক আছে যাদের পাবলিক ইমেজ খু্বই খারাপ, যেটি এবারের ভোটে আমাদের ক্ষতি করেছে। তারাই পরিকল্পিতভাবে বিএনপির মধ্যে ভীতরে ঐক্য নষ্ট করে।

নিজেদের মধ্যে আত্ম সমালোচনার পাশাপাশি অনেকদিন পর উনার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে অনেক তর্ক বা বিতর্ক হয়েছে। উনি ধের্য মনোযোগ সহকারে শুনেছেন। এরপর উনার আমন্ত্রনে জেলা পরিষদ অফিসে চলে আসি। সেখানেও উনার আথিতিয়তায় মুগ্ধ হয়েছি। প্রতিটি কাজে যথেষ্ট আন্তরিকতার ছাপ স্পষ্ট হয়েছে। মিষ্টি খাওয়ালেন। আমিও ফুল দিয়ে উনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। ব্যস্ততার কারণে চলে আসার আগে আবারো কোলাকুলি করলাম। সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছে উনি আমাদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান দেখিয়েছেন। চলে আসার সময় চেয়ার থেকে উঠে সিঁড়ি পর্যন্ত এসে বিদায় দিলেন। উনার মানবিক ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছি।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির গর্ব। আমাদের গর্বিত অভিভাবক। যখন তিনি তৃণমূলে দল গঠন শুরু করলেন সেই ১৯৯৫ সাল থেকে কাছ থেকে উনাকে দেখে এসেছি। অনেকবার আমাদের বাড়িতে এসেছেন। মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন মামলায় জেলে যাওয়ার আগেও আমরা আমার অফিসে একাধিকবার বসেছি, বিভিন্ন পুরাতন সংবাদপত্র উনাকে সংগ্রহ করে দিয়েছি। জেলে যাওয়ার পর জেল থেকে টেলিফোনে কথাও হয়েছে, কারাবন্দি থাকা অবস্থায় পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দেখা করেছি। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে জেল থেকে বের হওয়ার পর দেখা হয়েছে, মালয়েশিয়াও দেখা হয়, কথা হয়। উনি নিজে আমাকে কাজিরহাট কলেজের সভাপতির দায়িত্ব দেন।

সুদীর্ঘকালের গভীর সম্পর্ক কে বা কারা নির্বাচনের আগমুহুর্তে হঠাৎ করে সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি করে। এমনকি আমি যখন উনার পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে আমার এলাকায় আসি, তখন উনার পোস্টার লিফলেটও দিতে অস্বীকৃতি জানায় একটি পক্ষ। এতে আমি খুবই মর্মাহত হই। নির্বাচনের আগে দলের জন্য এমনকি উনার পক্ষে এলাকায় গিয়ে আরো বেশি বেশি কাজ করতে চেয়েছিলাম, কাঙ্খিত সহযোগিতা না থাকায় সম্ভব হয়নি। এমনকি আমার সাথে তালা-কলারোয়ার যেসব দলের নেতাকর্মীদের যোগাযোগ ছিলো তাদের পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা হয়।।আজ উপলব্ধি হলো উনাককে একটি দুষ্টচক্রের মধ্যে আবদ্ধ করে রেখে ফেলেছিলো। সেটিও জামায়াতিদের গেইম ছিলো। এই চক্রটি ৫ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের সমর্থক ছিলেন। পরবর্তীতে হঠৎ বনে যান হাইব্রিড প্রতিবাদী।

মোদ্দকথা হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির কারিগর। আমাদের অহংকার। ষ্ট্রেট ম্যাকানিজমে আমরা হারলেও জনগনের ভোটে আমরা জিতেছি। হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাহেবকে জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়ায় বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য ও কর্মউদ্যম। তার নেতৃত্বে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। আশা করি জামায়াতিদের হাত থেকে অচিরেই সাতক্ষীরার জনগনকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা হবে। হাবিব সাহেব একটি নাম নই, একটি সংগ্রাম এবং লড়াইয়ের প্রতীক। হাবিব সাহেবের জন্য শুভ কামনা এবং অবিরাম ভালোবাসা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
পিআইবির প্রশিক্ষণে সাতক্ষীরায় এসে যা বললেন সাংবাদিক সাইদুর রহমান
পরবর্তী পোস্ট
বিজিবির অভিযানে মাদক সহ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার ,আটক-৩

রিলেটেড পোস্ট

AIUB ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন শ্যামনগরের সাইফ

জুলাই ১৯, ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির...

জুলাই ২, ২০২৬

ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের সাবেক এমপি...

জুন ২৭, ২০২৬

ধানমন্ডির এক সন্ধ্যায় আনিস আলমগীর কারাগারের দেয়াল পেরিয়ে...

জুন ৯, ২০২৬

সাতক্ষীরা সিটি কলেজে শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে গভর্নিং বডির সভাপতির...

মে ২৪, ২০২৬

ছাত্রী হলের দেয়ালে আপত্তিকর ছবি, তদন্ত কমিটি গঠন

মে ২২, ২০২৬

জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা: মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাত...

মে ২০, ২০২৬

সাতক্ষীরায় মব সন্ত্রাসের শিকার হলেন স্কুল শিক্ষক

মে ১৯, ২০২৬

জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্ত স্কুল বিতর্ক...

মে ১৮, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting