দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি | সকাল ১১:৫৯
ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ৭ দিন বন্ধ থাকবে
নিহত আমিনুরের বাসায় ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন ড.মনিরুজ্জামান
এসসিএফ এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ
গোশত কাটার সময় যে ভুল এড়াবেন
ঈদের রাতের আমলে জান্নাত ওয়াজিব হয়
 সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর তিন গ্রামে ঈদুল...
ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলো...
শ্যামনগরে দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
পাটকেলঘাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনজনকে কুপিয়ে জখম
ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে নতুন পোশাক...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
রাশিফলশ্যামনগরসাতক্ষীরা জেলা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সনাতন পদ্ধতিকে পেছনে ফেলেঃ আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়িচাষ

কর্তৃক mirkhairul.news ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪
ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪ ০ কমেন্ট 222 ভিউস

সিরাজুল ইসলাম শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সুন্দরবনের পাদদেশে মালঞ্চ নদীরকোলে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ উপজেলার নাম শ্যামনগর। এ উপজেলার সকল কর্মই যেন সুন্দরবনের সুন্দরের সাথে মিলেই তৈরি হয়েছে। লবণাক্ত পানি আর মিষ্টি পানির মিশ্রণে ফলে সকল প্রকারের ফষল। এ অঞ্চলের লোনা পানির সোনা খ্যাত চিংড়ি চাষ বহির্বিশ্বে পরিচয় ঘটিয়েছে এ উপজেলাকে। সত্তর দশক থেকে সাতক্ষীরাবাসীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে চিংড়ি সম্পদ বিশেষভাবে জড়িত। বঙ্গোপসাগর থেকে চিংড়ি আহরণের পাশাপাশি সত্তর দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশে প্রথম বৃহত্তর খুলনা জেলায় বাগদা চিংড়ি চাষ শুরু হয়। তন্মধ্যে সর্বপ্রথম চিংড়ি চাষ শুরু হয় তৎকালীন বৃহত্তর খুলনা জেলার অন্তর্গত বর্তমান সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর থানায়। তখন থেকেই দেশীয় (সনাতন) পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ হয়ে আসছে। বর্তমান সময়ে যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে চিংড়ি চাষ সনাতন পদ্ধতিকে পেছনে ফেলে শ্যামনগরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়িচাষ করে অধিক উৎপাদনে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। আধানিবিড় বা সেমিইন্টেসিভ বলা হয়। যেহেতু ঘেরে চিংড়ি চাষের জন্য বেশি জমির প্রয়োজন হয়, সে কারণে নানা সমস্যা তৈরি হয়। প্রয়োজনীয় উপযোগী জমিরও অভাব রয়েছে। তাই স্বল্প জমিতে পুকুর কেটে এ পদ্ধতির চাষ বেশ সুবিধা ও লাভজনক। অল্প জমিতে অধিক উৎপাদনের ফলে দিন দিন এই চাষ পদ্ধতির ব্যবহার বেড়েই চলেছে। তবে সরকারি বেসরকারি সহায়তা পেলে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহারে আরো আগ্রহী হবেন চাষিরা। এই পদ্ধতির ফলে চিংড়ির উপযোগী গুণগত মান সম্পন্নের পাশাপাশি এ খাত থেকে বছরে সন্তোষ্ঠ জনক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রযুক্তির মাধ্যমে অক্সিজেন, ঔষধ ও খাবার সরবরাহের কারণে সম্পূর্ণ ভাইরাসের ঝুঁকিমুক্ত হওয়ায় পদ্ধতিটি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। সাধারণ চাষের তুলনায় মুনাফার পরিমাণ অধিক হওয়ায় পার্শ¦বর্তী কয়েকটি জেলায়ও এ পদ্ধতি ব্যবহার হচ্ছে। এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর বলেন, অল্প জমিতে অধিক মুনাফা লাভের জন্য এই প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই। ইতিমধ্যে আধানিবিড় পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করতে মৎস্য বিভাগও কাজ শুরু করছে। নওয়াবেকী শ্রিম্প কালচারের দেখাদেখি এলাকার অনেক চিংড়ি চাষি এই পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করতে আগ্রহী হয়েছেন। আধা-নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। একটি খামারে দুই শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। প্রতিটি পুকুরে বছরে ২ বার মাছ ধরা যাবে। সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে অর্থাৎ যদি নিরোগ পোনা ছাড়া হয় তাছাড়া ঘেরে পানির পরিমাণ ৩ থেকে ৪ ফুট, ভালো পানি, ভালো পরিবেশ, জৈব নিরাপত্তা, ভালো মানের খাদ্য, মাছের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এসব সব ঠিক থাকলে ৫ মাসে একর প্রতি ১০ লক্ষ টাকা পাওয়া সম্ভব, যেখানে খরচের পরিমান ৫ লক্ষ টাকা। সনাতন পদ্ধতির অপেক্ষা আধা নিবিড় পদ্ধতিতে ১০গুণ মাছ উৎপাদন করা সম্ভব বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন এ পদ্ধতিতে চিংড়ি উৎপাদন করে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে। সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূল এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদাচিংড়ি চাষে ব্যাপক সফলতা এসেছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে অক্সিজেন, ওষুধ ও খাবার সরবরাহের কারণে সম্পূর্ণ ভাইরাসের ঝুঁকিমুক্ত হওয়ায় পদ্ধতিটি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। সাধারণ চাষের তুলনায় মুনাফার পরিমাণ বেশি হওয়ায় পাশের কয়েকটি জেলায়ও এ পদ্ধতি ব্যবহার হচ্ছে। শ্যামনগর উপজেলার বাগদা চিংড়ির সেমি-ইনটেনসিভ খামারের ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, শাওন ফিস প্রডাক্টস লিঃ প্রোঃ মোঃ আঃ সাত্তার, মোড়ল, ১৩৫.০০ হেক্টর জমিতে যার মধ্যে জলায়তন ৬৪.০০ হেক্টর, পকুরের সংখ্যা ১৮০টি, যার মধ্যে চাষকৃত ১৫৮টি, তার উৎপাদিত মাছের পরিমান ৯৫০.৫০ মেট্রিক টন। রেডিয়েন্ট শ্রিম্প কালচার-০১ প্রোঃ আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম নঁওয়াবেকী, ৪০.০০ হেক্টর জমিতে যার মধ্যে জলায়তন ১৯.৪০ হেক্টর, পকুরের সংখ্যা ৬০ টি, যার মধ্যে চাষকৃত ৪৮ টি, তার উৎপাদিত মাছের পরিমান ২৩০.০০মেট্রিক টন। সুন্দরবনমৎস্য প্রকল্প টাইগারপয়েন্ট, সুশীলন, মুন্সিগঞ্জ, ৩.৫০ হেক্টর জমিতে যার মধ্যে জলায়তন ১.৬২ হেক্টর, পকুরের সংখ্যা ৪ টি, তার উৎপাদিত মাছের পরিমান ২০.০০ মেট্রিক টন। সুন্দরবন শ্রিম্প কালচার লিঃ প্রোঃ আলঃ আবুল কালাম বাবলা, নঁওয়াবেকী, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা ০৫.০০ হেক্টর জমিতে, যার মধ্যে জলায়তন ৩.২৩ হেক্টর, পকুরের সংখ্যা ১০ টি, যার মধ্যে চাষকৃত ৯ টি, তার উৎপাদিত মাছের পরিমাণ ২৩.০০ মেট্রিক টন। মৎস্য বিভাগ অল্প পরিসরে হলেও এ পদ্ধতিতে চাষে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানায়। স্থানীয় চাষিদের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তারা জানান, আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করতে আমরা আগ্রহী হলেও মূলত অর্থনৈতিক ঘাটতি থাকার কারণে আমরা এ চাষে অন্তর্ভূক্ত হতে পারছিনা। তবে আমরা জেনেছি এই পদ্ধতিতে চাষে অল্প সময়ে অধিক মুনাফা পাওয়া সম্ভব। তারা আরো বলেন, এই চাষ পদ্ধতিতে বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ যেখানে নেই সেখানে ইঞ্জিনচালিত মেশিন অথবা প্রয়োজন মতো সোলারের সাহায্যে চাষ করা সম্ভব। চাষি পর্যায়ে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা এবং বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা গেলে এ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষিরা ব্যাপক লাভবান হবে বলে জানান তারা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সুন্দরবনে বেড়েছে হরিণ, কারণ জানালো বন বিভাগ
পরবর্তী পোস্ট
দুই বছর ধরে জন্ম নিবন্ধন সনদ বন্ধ, শ্যামনগর পৌরসভার শতাধিক শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তি অনিশ্চিত

রিলেটেড পোস্ট

ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ৭ দিন বন্ধ থাকবে

মে ২৮, ২০২৬

নিহত আমিনুরের বাসায় ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন ড.মনিরুজ্জামান

মে ২৭, ২০২৬

এসসিএফ এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ

মে ২৭, ২০২৬

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলো...

মে ২৭, ২০২৬

শ্যামনগরে দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

মে ২৬, ২০২৬

পাটকেলঘাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনজনকে কুপিয়ে জখম

মে ২৬, ২০২৬

ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে নতুন পোশাক...

মে ২৬, ২০২৬

সাতক্ষীরায় পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ ভাইয়ের

মে ২৬, ২০২৬

কদমতলা পি.ডি.কে মিতালী সংঘের আয়োজনে বাৎসরিক তাফসিরুল কুরআন...

মে ২৬, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting