দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি | বিকাল ৫:২৩
শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা যাচাইকরণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
খুলনায় গরম কড়াই দিয়ে গৃহকর্মীকে নির্যাতন মামলায় পুলিশ...
নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার কর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে সংলাপ
শ্যামনগরে কারিতাসের সেলাই মেশিন ও উপকরণ বিতরণ
নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
ডুমুরিয়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ধ্বংসের মুখে শতাধিক পরিবার
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড়কালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
যৌন হয়রানির অভিযোগে খুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
নোয়াখালীতে সাত ইয়াবাসেবীর কারাদণ্ড
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
চট্টগ্রাম

রেলের রাজা শাহ্ আলম, রেলকে গিলে খাচ্ছে !

কর্তৃক kobirubel.satnadee আগস্ট ২০, ২০২০
আগস্ট ২০, ২০২০ ০ কমেন্ট 759 ভিউস

মো. কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশনে আবারও হেরিটেজ হোটেল ও কেটারিং এর কাজ পেয়েছে রেলের রাজা শাহ্ আলম। এই শাহ্ আলম রেলকে গিলে খাচ্ছে। তার কাছে রেলের মন্ত্রি হতে শুরু করে রহস্যজনকভাবে সবাই জিম্মি হয়ে আছে। শাহ্ আলম রেলের আসাধ্যকে সাধন করে থাকে। এমন কোন অপকর্ম নেই শাহ্ আলম রেল বিভাগে করে না। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকার পরও টেন্ডারবিহীন হাতিয়ে নিয়েছে হেরিটেজ হোটেল ও কেটারিং এর কাজ। তার সকল অপকর্মের আশ্রয়দাতা আয়ুব আলী বলে জানা যায়।

এই শাহ্ আলম রেল থেকে হাতিয়ে নিয়েছে, হাজার কোটি টাকা। যার বিবরণ দিয়ে বিগত সময় সংবাদ পত্রে অসংখ্য সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলেও রেল কর্তৃপক্ষ তাকে কিছুই করতে পারেনি। অন্যদিকে দূর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে মর্মে বিজ্ঞ জনেরা বলে থাকেন। শাহ্ আলম রেল স্টেশনের পানি বিক্রী থেকে আজ হাজার কোটি টাকার মালিক অন্যদিকে সে একজন বিএনপি জামাতের বিগত সময়ের চিহ্নিত ক্যাডার এবং মাদার বাড়ী যুব দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা হওয়ার পরও তাকে আওয়ামী লীগের তথাকথীত নেতারা রাতারাতি ছাত্রলীগের নেতার ছাড়পত্র দিয়ে সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হককে বোকা বানিয়েছেন। তার সাথে তারেক জিয়ার সরাসরি সখ্যতা থাকার পরও কিভাবে আওয়ামী লীগের ছত্র ছয়ায় রেল হতে হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়েছে তা সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়।

শাহ আলমের অবৈধ সম্পদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো:

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের পাশেই আইস ফ্যাক্টরি রোডে প্রায় এক লাখ বর্গফুট জমি লিজ নিয়েছেন রেলের ঠিকাদার শাহ আলম। নামমাত্র মূল্যে নিয়ম-নীতি না মেনে এ জমি লিজ দিয়েছে রেলের ভূ-সম্পদ বিভাগ। গত দুই বছরে এ জমিতে এক কোটি ১৯ লাখ ২২ হাজার টাকা রাজস্ববঞ্চিত হয়েছে সরকার। ২০১৮ সালের শেষ দিকে এ জমি লিজ দেয়া হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় বলা হয়েছে- চট্টগ্রামের স্টেশন রোড, মাদারবাড়ি, আগ্রাবাদ, ষোলশহর স্টেশন, পাহাড়তলী, টাইগারপাস, আইস ফ্যাক্টরি রোড, ষোলশহর ১নং ও ২নং গেট এলাকা, ঢাকার কমলাপুর, শাহজাহানপুর, ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান, গোপীবাগ, স্বামীবাগ, তেজগাঁও, ঢাকা বিমানবন্দর, মালিবাগ, কারওয়ানবাজার, নারায়নগঞ্জ স্টেশন, ৫ নম্বর ঘাট, জিমখানা, নারায়ণগঞ্জ ১ ও ২ নম্বর গেট ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার রেলভূমি (খোলা) প্রতি বর্গফুট বাৎসরিক লাইসেন্স ফি ১০০ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ নগরীর আইস ফ্যাক্টরি রোডে ৯৯ হাজার ৩৬০ বর্গফুট জমি প্রতিবর্গফুট ৪০ টাকা করে বছরে ৩৯ লাখ টাকা ফিতে লিজ দেয়া হয়েছে। এতে প্রতি বর্গফুটে ৬০ টাকা হিসাবে বছরে ৫৯ লাখ ৬১ হাজার ৬ শ’ টাকা রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে সরকার। গত দুই বছরে এক কোটি ১৯ লাখ ২২ হাজার টাকা রাজস্ববঞ্চিত হয়েছে। ২০১৮ সালের শেষের দিকে ঠিকাদার শাহ আলম আইস ফ্যাক্টরি রোডে রেলের ৯৯ হাজার ৩৬০ বর্গফুট জমি লিজ নেন। তাতে তাঁর মন ভরেনি। লিজের বরাদ্দের আশেপাশে আরো এক দশমিক ৬৮ একর জমি দখলে নিয়ে শক্ত স্থাপনায় গড়ে তুলেছেন মার্কেট। প্রতিটি দোকান দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করে বিক্রি করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, কোনোটি দোকান ১৫ লাখ টাকায়, কোনোটি ২০ লাখ আবার কোনোটি ২৫ লাখ টাকায় দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে কিনেছেন ব্যবসায়ীরা।

আইস ফ্যাক্টরি রোডের মূল্যবান এ জমি লিজ দেয়ার অনিয়ম খুঁজতে রেল মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হলেও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন।

শাহ আলমের রেলের জমি লিজ কাহিনী এখানে শেষ নয়। মাছ চাষের কথা বলে হালিশহরে অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমীতে প্রায় ২৬ একর জলাশয়, কদমতলী নতুন স্টেশনে পুলিশ ব্যারাকের জায়গায় গড়ে তুলেছেন লন্ড্রি, ১২টি সেলুন, সিআরবি সাত রাস্তার মোড়ে দোকান করার কথা বলে ৫০০ বর্গফুট জমি লিজ নিয়ে পাঁচ হাজার বর্গফুট দখল করে তাসফিয়া গার্ডেন নামে একটি একটি খাবারের দোকানও খুলেছেন। এর বাইরেও রয়েছে একাধিক রেলে খাবার ও এটেনডেন্ট সরবরাহের ব্যবসা। পুর্বাঞ্চল রেলে একরের পর একর মূল্যবান জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। অবৈধ দখলদারের পাশাপাশি নামমাত্র মূল্যে লিজের নামে একের পর এক ভূমি চলে যাচ্ছে দখলদারের হাতে। বছরের পর বছর ধরে এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলেও রেল মন্ত্রণালয় কিংবা রেলওয়ে সংসদীয় কমিটি রহস্যজনকভাবে নিরব ভূমিকা পালন করছে।

অথচ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি এসব বিষয় দেখভাল করার জন্য ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীকে সভাপতি করে রেলের দশ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর, শফিকুল ইসলাম শিমুল, শফিকুল আজম খান, মো. সাইফুজ্জামান, এইচ এম ইব্রাহিম, নাছিমুল আলম চৌধুরী ও গাজি মুহাম্মদ শাহ নওয়াজ। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, পূর্বাঞ্চল রেলের মালিকানাধীন জমি রয়েছে এক হাজার ৪ একর। এর ৭৮০ একর জমি রয়েছে দখলদারের হাতে। আর চট্টগ্রামে ২২৩ একর জমি বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দখলে রয়েছে। সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে ২৫ একরের মতো জমি উদ্ধার করেছে রেলের ভূ-সম্পদ বিভাগ।

বাসা ভাড়া বাণিজ্য : আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসাবাড়ির ব্যবস্থা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। অতীতে দেখা গেছে- বাসা ভাড়া বাণিজ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করা হয় ওই পর্যন্তই। এই উপরি আয়ের কারণে বাসা ছাড়তে হয়েছে কিংবা বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ অন্য কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এমন নজির নেই বললেই চলে। নিয়ম অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি বাসা বরাদ্দ নিয়ে অন্য কাউকে ভাড়া দিলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আর শাস্তি হিসাবে বদলি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও বিষয়টি একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির সুপারিশও করো হয়েছে। সেই সুপারিশও বাস্তবায়ন হয়নি।

রেলওয়ের তথ্যমতে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আওতাধীন নগরীর ৩০টি কলোনিতে চার ক্যাটাগরিতে মোট পাঁচ হাজার ৩২৯টি বাসা রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের জন্য ১৫৩টি, দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের জন্য ২৩৭টি, তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য দুই হাজার ২৫৫টি এবং চতুর্থ শ্রেণীর জন্য দুই হাজার ৬৮৪টি বাসা রয়েছে।

নগরীতে রেলওয়ের অধীনে থাকা কলোনিগুলো হলো- স্টেশন কলোনি, স্টেশন রোড এলাকা কলোনি, পলোগ্রাউন্ড কলোনি, হাসপাতাল কলোনি, সিআরবি অফিসার্স কলোনি, টাইগারপাস কলোনি, ফ্লোরাপাস কলোনি, লালখানবাজার কলোনি, পাহাড়তলী নিউ ঝাউতলা কলোনি, পাহাড়তলী ঝাউতলা কলোনি, পাহাড়তলী টিপিপি কলোনি, পাহাড়তলী ডিজেল কলোনি, পাহাড়তলী উত্তর আমবাগান কলোনি, পাহাড়তলী ওয়্যারলেস কলোনি, পাহাড়তলী দক্ষিণ আমবাগান কলোনি, পাহাড়তলী সেগুনবাগান ও রেঞ্জ রোড কলোনি, পাহাড়তলী এক্স-ই জন কলোনি, পাহাড়তলী ফিল্টার বেড কলোনি, পাহাড়তলী মাস্টার লেন কলোনি, পাহাড়তলী শহীদ লেন কলোনি, পাহাড়তলী নিউ শহীদ লেন কলোনি, পাহাড়তলী ইঞ্জিনিয়ারিং ও ভেলুয়ার দীঘিরপাড় কলোনি, পাহাড়তলী সিগন্যাল কলোনি, পাহাড়তলী পাওয়ার হাউস ও বাজার কলোনি, পাহাড়তলী স্টেশন কলোনি, পাহাড়তলী লোকো কলোনি, পাহাড়তলী হাসপাতাল কলোনি, ফ্রান্সিস রোড কলোনি এবং ইঞ্জিনিয়ার কলোনি।

শাহ আলমের বিরুদ্ধে দৈনিক সকালের সময়, দৈনিক সাতনদী, সাপ্তাহিক সময়ের আলোসহ অসংখ্য অনলাইনে সংবাদ একাধিকবার প্রচারিত হয়েছে। কিন্তু শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার হলেও তার দিন দিন প্রমোশন হচ্ছে। সেই সেন্ডিকেটের মাধ্যমে রেল থেকে বিভিন্ন কৌশলে কাজ হাতিয়ে নিয়ে রাজার হালে অবস্থান করছে। এই রেলের রাজা শাহ্ আলমের অপকর্মের যদি যথাযথ ব্যবস্থা হত তাহলে শাহ্ আলম রাতারাতি হাজার কোটি টাকার মালিক হতে পারত না।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
চট্টগ্রামে ডাবলমুরিং থানায় চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার, কিন্তু রুজু হয়নি কোন মামলা
পরবর্তী পোস্ট
দেবহাটায় পাটজাত পণ্যের ব্যবহার নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

রিলেটেড পোস্ট

রুগ্ন ভেনামী চিংড়ি পোনায় ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষিরা

জুন ৯, ২০২৬

বাংলালিংকের ১২তম ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

কম দামের পণ্যের জন্য লাইনে বড় লড়াই

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬

সঠিক তথ্যে ভোটার হবো,স্মার্ট বাংলাদেশে গড়ে তুলবো

মার্চ ৪, ২০২৪

চসিক কাউন্সিলর ওয়াসিমের দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে দুদক

ডিসেম্বর ১০, ২০২৩

চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে ভাঙচুর ও...

ডিসেম্বর ১০, ২০২৩

চট্টগ্রামে ব্যাটারি রিকশায় আড়াইশ কোটি টাকার চাঁদাবাজি ক্স...

ডিসেম্বর ৪, ২০২৩

চট্টগ্রাম-১৩ আসনে শক্ত অবস্থানে আওয়ামী লীগ, কেন্দ্রের দিকে...

নভেম্বর ২৯, ২০২৩

৫ টাকায় ‘স্মার্ট স্কুল বাস’এ বিদ্যালয়ে যাবে শিক্ষার্থীরা:...

নভেম্বর ২৩, ২০২৩

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting