
অনলাইন ডেস্ক:বর্তমানে দেশে ৫৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। আমরা আগামী দিনে প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৃদ্ধিকরণ এবং জনগণের চাহিদা মিটানোর চেষ্টা করব। একটি শিক্ষিত জাতি গঠন করার জন্য আমরা আগামী দিনে এই চিন্তাভাবনা করব।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সব সংসদ সদস্য নিজ নিজ এলাকায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মাননীয় স্পিকার আমি জানি, সকলেই তার স্ব স্ব এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যেমনিভাবে মুন্সিগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ সাহেব বললেন যে, নদীর ওপারে মুন্সিগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনা করা হোক। ঠিক তেমনিভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাননীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাও বলেছেন যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৫৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। আমরা আগামী দিনে প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৃদ্ধিকরণ এবং জনগণের চাহিদা মিটানোর চেষ্টা করব। একটি শিক্ষিত জাতি গঠন করার জন্য আমরা আগামী দিনে এই চিন্তাভাবনা করব। তবে এই মুহূর্তে গফরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া কতটা সমুচিত হবে সে বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা দরকার। তাই আমি এই আসনের সংসদ সদস্যকে এই দাবিটি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করছি।
এর আগে সংসদে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান নিজ আসনে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন করেন। তার প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সংশোধনী প্রস্তাবে আরও ৯ জন সংসদ সদস্য তাদের দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে ৬ জন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি জানান। একজন সংসদ সদস্য কৃষি কলেজ স্থাপনের দাবি জানান।
এদিকে, শিক্ষামন্ত্রীয় দাবিটি প্রত্যাহার করার অনুরোধের পর সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান তা প্রত্যাহার করে নেন। পরে স্পিকার সেটি সংসদে পাস করার জন্য ভোটের আহ্বান জানান। এরপর সম্মিলিতভাবে কণ্ঠভোটে প্রত্যাহারের পক্ষে অবস্থান জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি পাস হয়েছে বলে সংসদকে অবহিত করেন।

