
নিজস্ব প্রতিবেদক:সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে পা গুড়িয়ে দিলেও মামলা নিচ্ছেনা সদর থানার ওসি । গত শনিবার সকালে থানায় এজাহার দেওয়ার পর ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও তদন্তের নামে তালবাহনা করছে পুলিশ । অভিযোগে জানা যায়, শেখ শফিউল্লাহ মনি সাতক্ষীরা শহরের নারিকেলতলা মোড়ে একটি পরিবহন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বিনেরপোতা এলাকায় একটি ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন। তার দাবি, গত ১৫ জুলাই রাতে কয়েকজন অভিযুক্ত তার ওয়ার্কশপে গিয়ে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে প্রাণভয়ে তিনি ৪০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন। বাকি টাকা ১৫ দিনের মধ্যে না দিলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার তিনতলা ভবন ও ওয়ার্কশপে হামলা চালান। এ সময় তারা ভাঙচুরের পাশাপাশি ওয়ার্কশপে থাকা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল বস্তাবন্দী করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।হামলার সময় বাঁধা দিতে গেলে অভিযোগকারীর গাড়িচালক বিল্লাল মিয়াসহ কয়েকজন আহত হন। বিল্লাল মিয়ার পায়ে গুরুতর জখম হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় অভিযোগকারীর গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন এবং তার বড় ভাইয়ের হাতঘড়ি ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি ওয়ার্কশপে থাকা বৈদ্যুতিক তার, মোটর, প্রেসার মেশিন, ওয়েল্ডিং সরঞ্জামসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল চুরি করা হয়েছে।পাশাপাশি ভাঙচুরে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
,ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শনিবার সকালে এ ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০–২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করার আবেদন করা হয়েছে।
মামলার বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. মাসুদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি অভিযানে আছি পরে কথা হবে।

