
# এসও সুমন রায় দূনীতির মুল কারিগর
হাবিবুর রহমান শ্যামনগর থেকে ফিরে:শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জিও বস্তা সরবরাহ ও ব্যবহারের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পাউবোর ৫ নম্বর পোল্ডারের ৫২ হাজার জিও বস্তার কাজ নিয়ে এ অভিযোগ সামনে এসেছে।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নওয়াবেকি শাখার ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. সিরাজুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ও ঠিকাদারের মাধ্যমে পরিচালিত কাজটিতে বস্তা গণনায় অনিয়ম করা হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমিন এন্ড কোং ২ হাজার ২০০ বস্তার স্থলে মাত্র ৮৫০ বস্তার কাজ সেরেছে ।এছাড়া পূর্বে ব্যাবহার করা ১ হাজার ৩৫০ বস্তা গণনার মধ্যে ধরা হয়েছে । এভাবেই এক বস্তা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে প্রায় ছয়বার গণনা করার অভিযোগ রয়েছে।
প্রকল্পের নির্ধারিত পরিমাণ জিও বস্তা বাস্তবে ব্যবহার করা হয়েছে কিনা একই সাথে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, একই কর্মস্থলে ১২ বছর থাকার কারণে সিরাজুল ইসলাম শ্যামনগর পাউবোর নওয়াবেকি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন । দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রভাব বলয় তৈরি হয়েছে। সিরাজুল ইসলামের নামে ও পরিবারের ব্যবহারে থাকা সম্পদ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে ।মোটা টাকা লুট করে তার নিজ এলাকা পদ্মপুর ইউনিয়নে বাড়ি সহ দুটি মোটরসাইকেল কিনেছেন। এছাড়া কালিগজ্ঞ উপজেলার নলতা এলাকায় ৩৫ লাখ টাকা দিয়ে পাঁচ শতক জমি কেনা হয়েছে বলে জানান তারা । সেখানে একতলা ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্বিতীয় তলার নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। সিরাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে কীভাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন দাবি জানিয়েছেন তারা ।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সিরাজুল ইসলাম জানান, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।।
এ বিষয়ে শ্যামনগর পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) সুমন রায় জানান , জিও বস্তা গননা করেন টাক্স ফোর্সের সদস্যরা । এখানেঅনিয়মের কোন সুযোগ নেই ।

