
অনলাইন ডেস্ক: ১০ টাকার চাউলের কার্ড ফিরতে ৩০ টাকা খরচ! খাদ্যবান্ধব কার্ড সংস্করণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ! জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, এই অর্থ দিতে হয় অফিসারকে ৷ কার্ডের জায়গা শেষ হওয়ায় তুলে নেওয়া কার্ড ফেরত দেওয়ার সময় উপকারভোগীদের কাছ থেকে প্রতিটি কার্ডে ৩০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলে, শিকার করেছেন জনপ্রতিনিধিরা ৷
সত্যতা যাচাইয়ে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসে, কার্ডের স্লট বা জায়গা শেষ হয়ে যাওয়ায় পূর্বে জমা নেওয়া কার্ডগুলো ফেরত দেওয়ার সময় প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে কোথাও ৩০ টাকা আবার কোথাও ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।
সরকারি সুবিধাভোগী দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে এ ধরনের অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
একাধিক উপকারভোগী অভিযোগ তোলেন, সরকারি সহায়তার ১৫ টাকার চাউল পাওয়ার জন্য কার্ড দেওয়া হলেও সেই কার্ড ফেরত নিতে বা পুনরায় পেতে অর্থ দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে, কার্ড ফেরত দিচ্ছেন না, বলেও তারা অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল হান্নান বলেন, আমরা কষ্টে থাকা মানুষ সরকার আমাদের কার্ড দিয়েছে । এখন যদি টাকা দিতে হয়, তাহলে এই সুবিধা আমাদের কী কাজে লাগল।আরেক ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান বলেন, কার্ডের জায়গা শেষ হয়ে গেলে জমা নিয়েছিলো। এখন ফেরত নিতে গেলে ৩০ টাকা করে নিচ্ছে, কোনো কোনো জায়গায় আবার ৫০ টাকাও নিচ্ছেন কেন! বুঝতে পারছি না। তবে জরিপে দেখা দেখাগেছে, হিসাব অনুযায়ী একটা ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৪ হাজার ৫০টি কার্ড থেকে ৩০ টাকা করে আদায় করলে, টাকার অংক এসে দাঁড়ায় ১ লাখ ২১ হাজার ৫শ টাকা।
যা উপজেলায় প্রায় ২০ লাখ টাকা আদায় করা হচ্ছে ৷ মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি সদস্যরা বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশে টাকা নেওয়া হচ্ছে ৷ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম পল্টু বলেন, ফোনে কথা বলা যাবে না, দেখা করেন ৷ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান বলেন, কাগজ প্রিন্ট দিতে কিছু খরচ আছে কিন্তু তারা কেন বেশি নিচ্ছে, বিষয়টি দেখছি ৷ শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক বলেন, আমি বলে দিচ্ছি, আর নিবে না ৷

