দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
রবিবার | ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ৩:০০
দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক
আশাশুনির ওসি আরিপ পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বদলী
আশাশুনিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
শ্যামনগরে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সাতক্ষীরায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে পুলিশের মতবিনিময়
খুলনায় পর্দা উঠল ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের
জাতীয় কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদে সাতক্ষীরার তিন মুফাসসির
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক- ৪৫
বুড়িগোয়ালিনী তারুণ্যের শক্তি ইয়ুথ টিমের উদ্বোধন
মারামারি ঠেকাতে গিয়ে ছুরির আঘাতে প্রাণ গেল কিশোরের
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
দেবহাটা

দেবহাটায় দারিদ্রতা জয় করে গরীবের ছেলে জজ

কর্তৃক kobirubel.satnadee জানুয়ারি ২৮, ২০২০
জানুয়ারি ২৮, ২০২০ ০ কমেন্ট 401 ভিউস

আকরামুল ইসলাম: বাবার অভাবের সংসার। সংসারের টাকা রোজগারের আশায় রাজধানীতে গিয়ে একটি বাড়িতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরি নেন। অভাবের তাড়নায় মা অন্যের বাড়িতে ঝি’র কাজ শুরু করেন। পরিবারের এমন অভাব অনটনের মধ্যেই সংগ্রামী হয়ে ওঠেন গোলাম রসুল সুইট। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী গোলাম রসুল সুইট। পরিবারের অভাবও দমাতে পারেনি তাকে। ঠিকমত খেতে না পারা সেই গোলাম রসুল সুইট এখন জজ।
১২ তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে ৬৭ তম হয়েছেন গোলাম রসুল সুইট। ১৯ জানুয়ারি ঘোষিত গেজেটে তালিকা প্রকাশ করা হয়। (২৮ জানুয়ারি) মঙ্গলবার সহকারি জজ হিসেবে পিরোজপুর জেলায় যোগদান করবেন তিনি।
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামের বাবা মোশারফ হোসেন ও মা মাহফুজা খাতুনের বড় ছেলে গোলাম রসুল সুইট দৈনিক সাতনদীর প্রধান প্রতিবেদক আকরামুল ইসলামের সঙ্গে নিজের পরিবার ও লেখাপড়া নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন এই সহকারি জজ গোলাম রসুল সুইট। তিনি বলেন, শাখরা কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ভোমরা ইউনিয়ন দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল পাশ করেছি। এরপর দেবহাটা উপজেলার সখিপুর খানবাহাদুর আহসানউল্লাহ্ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। আমাদের পরিবারের তখন খুব অভাব। বাবাও ছিলেন উদাসীন। কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন চলতো আমাদের।

সহাকরি জজ গোলাম রসুল সুইট আরও জানান, কলেজ শেষ করার পর লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এমন সময় সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমীতে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করি। সেখান থেকে এক ভাই আমাকে পরামর্শ দেয় ঢাকায় গিয়ে কোচিং করার। তবে ঢাকাতে যেয়ে কোচিং করানোর মত পারিবারিক কোন আর্থিক সঙ্গতি আমাদের ছিল না। মায়ের একটি গরু ছিল। সেই গরুটি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে ২০১০ সালের ১৭ মে ঢাকাতে যায়। একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হই।
তিনি বলেন, কিছুদিন মায়ের গরু বিক্রি করা সেই টাকাও ফুরিয়ে যায়। বাড়িতেও টাকা চাওয়া বা পরিবারের দেওয়ার মত কোন সঙ্গতি ছিল না। অবশেষে কান্নাকাটি করেছিলাম কোচিং পরিচালকের সামনে। এরপর তিনি আমাকে সেখানে বিনামূল্যে কোচিং ও থাকার ব্যবস্থা করেন। এরই মধ্যে সঙ্গে থাকা সহপাঠীদের বন্ধু হয়ে যায় আমি। বন্ধুরাও আমার পারিবারিক অবস্থা জানার পর আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে থাকে। বন্ধুদের সহযোগিতার কথাগুলো ভুলে যাওয়ার নয়। মা ও বাবা মাঝে মধ্যে এক হাজার বা দুই হাজার করে টাকা দিতো বিভিন্ন সময় সামর্থ অনুযায়ী। গত এক মাস আগে বাবাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরিটা ছেড়ে দিয়েছে। মাকেও এক বছর আগে অন্যের বাড়িতে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছি।
২০১০-১১ শিক্ষা বর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার গল্প জানিয়ে গোলাম রসুল সুইট বলেন, আমি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য পরীক্ষা দেই। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তির সুযোগ হয়। বন্ধু ও শোভাকঙ্খীদের পরামর্শে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হই। ভর্তির পর নিজে হাতে পোষ্টার ছাপিয়ে অবিভাবকদের কাছে বিতরণ শুরু করি। এভাবে পাঁচটি টিউশুনি জোগাড় হয়ে যায়। এভাবেই চলেছে আমার শিক্ষাজীবন। আত্নীয়-স্বজনরা কখনো খোঁজ নেয়নি তবে আমার বন্ধুরা আমার পাশে থেকেছে সব সময়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের ফলাফলে বি ইউনিটে মেধা তালিকায় হয়েছি ১১ তম। ১২ তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে হয়েছি ৬৭ তম। বাংলাদেশের ১০০ জন উত্তীর্ণ হয়। এর মধ্যে নিয়োগ হয়েছে ৯৭ জনের। তিনজন পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছেন।
২৮ জানুয়ারি পিরোজপুর জেলার সহকারি জজ হিসেবে যোগদান করবো জানিয়ে তিনি বলেন, আমার বড় লোক হওয়ার কোন ইচ্ছা নেই। সব সময় ন্যায়ের পথে থেকে মানুষদের জন্য কাজ করে যাবো। কখনোই অনিয়ম বা দুর্ণীতির সঙ্গে জড়িত হবো না। যখন চাকুরিজীবন শেষ করবো তখন যেন অবৈধ উপায়ে উপার্জনের একটি টাকাও আমার ব্যাংক একাউন্টে না থাকে। আমার কাছে সকল মানুষ ন্যায় বিচার পাবে। অসহায় মানুষরা কখনোই ন্যায় বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না।
দুস্থ পরিবারের সমস্যাগুলো আমি বুঝি, নিজে দেখেছি জানিয়ে গরীব ও অভাবী মেধাবী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গোলাম রসুল সুইট বলেন, টাকা পয়সা লেখাপড়ার পথে কোন বাঁধা নয়। ইচ্ছাশক্তি থাকলে সে এগিয়ে যাবেই, পথ বেরিয়ে যাবেই।
সহকারি জজ গোলাম রসুল সুইটের বাবা মোশারফ হোসেন জানান, রাজধানীর উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরে ৮ বছর সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করেছি। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুইজনই থাকতাম। স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করতো। এক মাস আগে ছেলে চাকুরিটা ছেড়ে দিতে বলেছে। তাই চাকুরি ছেড়ে বাড়িতে চলে এসেছি। ছেলে বলেছে, আমি এখন চাকুরি পেয়েছি আপনার কাজ করতে হবে না। ভাবছি, এলাকায় ছোট একটি দোকান দিয়ে ব্যবসা করবো।
অন্যের বাড়িতে কাজের বুয়া থাকাকালীন সময়ের সেসব কথা মনে করে কেঁদে উঠেন মা মাহফুজা খাতুন। আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, মানুষের বাড়িতে কাজ করতাম। স্বামী আর আমার টাকা দিয়েই চলতো সংসার আর দুই ছেলের খরচ। আমরা যেটুকু পেরেছি সাধ্যমত চেষ্টা করেছি ছেলের লেখাপড়া করানোর জন্য। দোয়া করেছি। আল্লাহ্ আমাদের ডাক শুনেছেন। দোয়া কবুল করেছেন। আমি অনেক খুশি। এখন সকল মানুষের কাছে আমার ছেলের জন্য দোয়া চাই।
গোলাম রসুল সুইটের বাল্যবন্ধু জাবিরুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই শান্ত ও মেধাবী ছিল রসুল। আমরা এক সঙ্গেই লেখাপড়া করতাম। কখনো কারো সঙ্গে জোর গলায় কথা বলেছে, আমাদের জানা নেই।
দেবহাটার পারুলিয়ার ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম বলেন, খুব অভাবী পরিবার। জমি জায়গা কিছুই নেই। মা-বাবা খুব কষ্ট করে ছেলেটাকে লেখাপড়া শিখিয়েছে। ছেলেটাও খুব ভালো। জজের চাকুরি পেয়েছে। এতে এলাকার সকল মানুষ খুশি হয়েছে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শুভেচ্ছা
পরবর্তী পোস্ট
ভোমরায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে ডিসির অভিযানে ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

রিলেটেড পোস্ট

দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক

অক্টোবর ৩, ২০২৬

সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে দূনীতির অভিযোগ

অক্টোবর ৩, ২০২৬

দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে ওসির বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন

অক্টোবর ১, ২০২৬

দেবহাটা সখিপুরের মেম্বার নজরুলের উদ্যোগে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

দেবহাটার গণ্ডি পেরিয়ে ফেয়ার মিশনের আন্তর্জাতিক যাত্রা

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

দেবহাটায় জামাত নেতার স্ত্রী’র মৃত্যুতে কুলিয়া আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের...

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

দেবহাটায় শিশুদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

দেবহাটায় কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির সাংগঠনিক সভা ও...

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

দেবহাটা কুলিয়া ইউনিয়নকে মডেল ও আধুনিক করে গড়তে...

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting