দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
রবিবার | ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১০:২৯
চিকিৎসা শুধু কনসাল্টেন্সি নয়, চাই চিকিৎসক–রোগীর কোঅপারেশন
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিল নিয়ে গ্রাহকের অভিযোগ
 চিকিৎসক-রোগীর আস্থাই স্বাস্থ্যসেবার প্রাণ, কনসাল্টেন্সির বাইরে প্রয়োজন কোঅপারেশন
যুবদল নেতার কোটি টাকার ৮ টি স্বর্ণের বার...
সাতক্ষীরায় আ’লীগ নেতা মসলউদ্দিনকে সারের ডিলার শিপ না...
কালিগঞ্জে তৃষ্ণা জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরি
উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে সামনে রেখে নির্বাচনী মাঠে...
শ্যামনগরে বেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর...
আশাশুনিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আলিম মোল‍্যা...
কাদাকাটিতে ডা. গাউসুল হক মোড়লের দাফন সম্পন্ন
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সাতক্ষীরা জেলাসাতক্ষীরা সদর

চিকিৎসা শুধু কনসাল্টেন্সি নয়, চাই চিকিৎসক–রোগীর কোঅপারেশন

কর্তৃক Satnadee Satkhira সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ০ কমেন্ট 25 ভিউস

#চার দিনের হাসপাতালবাসে চিকিৎসক ডা. মনোয়ার হোসাইনের উপলব্ধি—‘কোঅপারেশনের অভাবেই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে মারামারি-হাঙ্গামা’চিকিৎসক থেকে রোগী—নিজের অসুস্থতা, ২০১৬ সালের অপারেশন-জটিলতা ও মায়ের দুই দশকের চিকিৎসাযাত্রা বদলে দিয়েছে তাঁর স্বাস্থ্যসেবা-ভাবনাচিকিৎসক–রোগীর সম্পর্ক শুধু পরামর্শে নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক আস্থা, বোঝাপড়া ও সহযোগিতা।

বিশেষ প্রতিবেদক:চিকিৎসা শুধু কনসাল্টেন্সি নয়, চাই চিকিৎসক–রোগীর কো অপারেশনচার দিনের হাসপাতালবাস শেষে ডা. মনোয়ার হোসাইনের উপলব্ধি: ‘কোঅপারেশনের অভাবেই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে মারামারি-হাঙ্গামা । চিকিৎসক থেকে রোগী—তারপর উপলব্ধি; নিজের অসুস্থতা, ২০১৬ সালের অপারেশন-জটিলতা ও মায়ের ২০ বছরের চিকিৎসাযাত্রা বদলে দিয়েছে তাঁর স্বাস্থ্যসেবা-ভাবনা প্রায় চারদিন সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে ভর্তি থেকে বাসায় ফিরেছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও চিকিৎসক ডা. মো. মনোয়ার হোসাইন। একজন চিকিৎসক হিসেবে অসংখ্য রোগী দেখেছেন, চিকিৎসা দিয়েছেন, রোগীর স্বজনের উৎকণ্ঠা দেখেছেন। কিন্তু এবার নিজেই ছিলেন হাসপাতালের শয্যায়—একজন রোগী হিসেবে।হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পর নিজের সেই অভিজ্ঞতা, চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স-স্টাফদের আন্তরিকতা এবং দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা-অভিজ্ঞতার আলোকে চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তাঁর দীর্ঘ লেখায় উঠে এসেছে কৃতজ্ঞতা, স্মৃতি, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক কি শুধু ‘কনসাল্টেন্সি’তেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি সেখানে প্রয়োজন ‘কোঅপারেশন’?

ডা. মনোয়ার হোসাইনের বক্তব্যে, এই ‘কোঅপারেশন’ বা পারস্পরিক সহযোগিতার অভাবই স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন পর্যায়ে তৈরি করছে ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা, তর্ক-বিতর্ক এবং কখনো কখনো মারামারি-হাঙ্গামার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি। ‘ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না’—চার দিনের হাসপাতালবাসে কৃতজ্ঞতার দীর্ঘ তালিকা

সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে প্রায় চারদিন ভর্তি থাকার পর চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ডা. মনোয়ার হোসাইন।তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. কাজী আরিফ আহমেদ স্যার, ডা. আসাদুল্লাহ গালিব, ডা. মানস কুমার এবং ডা. আহাদ মুর্শিদের প্রতি।তাঁর ভাষায়, তাঁদের ‘ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না’।চিকিৎসকদের পাশাপাশি ব্লিস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতালের এই চিকিৎসা-পর্বে তাঁদের আন্তরিকতা, যত্ন ও সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেছেন তিনি।

অসুস্থতার সময়ে যারা তাঁর সুস্থতা কামনা করেছেন, ফোন করেছেন, অনলাইনে দোয়া করেছেন কিংবা সরাসরি উপস্থিত হয়ে তাঁর খোঁজ নিয়েছেন—তাঁদের প্রতিও জানিয়েছেন অপরিসীম কৃতজ্ঞতা।একজন চিকিৎসক হিসেবে রোগীদের পাশে থাকার অভিজ্ঞতা যেমন তাঁর রয়েছে, তেমনি এবার নিজে রোগীর অবস্থানে থেকে মানুষের ভালোবাসা ও সহমর্মিতার অভিজ্ঞতাও পেলেন তিনি।অসুস্থতা তাঁর জীবনে নতুন নয়—কখনো ফুড পয়জনিং, কখনো অপারেশন-জটিলতা ডা. মনোয়ার হোসাইন জানিয়েছেন, তিনি আসলে মাঝেমধ্যে অসুস্থ হন।গত বছর ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হয়ে জ্বর ও শারীরিক জটিলতায় তাঁকে একদিন হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল।এর আগে, ২০১৬ সালে অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের জটিলতায় প্রায় ১০ দিন সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।অর্থাৎ চিকিৎসক হিসেবে অন্যকে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি একজন রোগী হিসেবেও তাঁর রয়েছে হাসপাতাল, চিকিৎসা, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে দীর্ঘ প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা।কিন্তু তাঁর সবচেয়ে দীর্ঘ ও গভীর অভিজ্ঞতার জায়গাটি আরও আগে থেকে শুরু।মায়ের কিডনি চিকিৎসা: দুই দশক ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল, চেম্বার থেকে চেম্বার

ডা. মনোয়ার হোসাইনের মা কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় ২০ বছর ধরে তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেম্বারে চেম্বারে ছুটতে হয়েছে।একজন সন্তান হিসেবে দীর্ঘদিনের সেই চিকিৎসাযাত্রা তাঁকে দেখিয়েছে রোগীর স্বজনের উৎকণ্ঠা, চিকিৎসার অনিশ্চয়তা, হাসপাতালকেন্দ্রিক বাস্তবতা এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর একজন পরিবারের নির্ভরতার বিষয়গুলো।আর সেই সময়ের আর্থিক ও সামাজিক বাস্তবতাটিও তিনি ভুলে যাননি।তাঁর নিজের ভাষায়, তখন তাঁর ‘টাকা কিংবা পরিচিতি’—কোনোটিই ছিল না।সেই সময়ের দীর্ঘ ছুটে চলা, বিভিন্ন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা পরবর্তী জীবনে একজন চিকিৎসক হিসেবে তাঁর চিন্তাভাবনাতেও গভীর প্রভাব ফেলেছে।চিকিৎসক যখন রোগী—তখন বদলে যায় দেখার চোখ চিকিৎসকরা সাধারণত রোগীর সামনে বসেন চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। রোগীর সমস্যা শোনেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করেন, রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসা বা পরামর্শ দেন।কিন্তু একজন চিকিৎসক নিজেই যখন রোগীর শয্যায় শুয়ে থাকেন, তখন স্বাস্থ্যসেবাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা বদলে যায়।

ডা. মনোয়ার হোসাইনের সাম্প্রতিক হাসপাতালবাস এবং অতীতের চিকিৎসা-অভিজ্ঞতা তাঁকে সেই দুই অবস্থানের অভিজ্ঞতা দিয়েছে—একদিকে চিকিৎসক, অন্যদিকে রোগী ও রোগীর স্বজন।আর এই দুই অভিজ্ঞতার জায়গা থেকেই তিনি সামনে এনেছেন ‘কনসাল্টেন্সি’ ও ‘কোঅপারেশন’-এর পার্থক্য।শুধু চিকিৎসকের পরামর্শ নয়—রোগীকেও বুঝতে হবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাষা ডা. মনোয়ার হোসাইনের ব্যাখ্যায়, একজন চিকিৎসক যখন রোগীর সমস্যা সম্পর্কে জানতে পারেন এবং রোগীর চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন, সেটি হলো ‘কনসাল্টেন্সি’।কিন্তু এখানেই যদি সম্পর্কটি শেষ না হয়ে রোগীও চিকিৎসক, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা লাভ করেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে সহযোগিতামূলকভাবে চলেন, তখন সেটি পরিণত হয় ‘কোঅপারেশনে’।অর্থাৎ চিকিৎসা ব্যবস্থায় শুধু চিকিৎসকের ভূমিকা নয়—রোগী ও স্বজনের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।চিকিৎসককে যেমন রোগীর কথা শুনতে হবে, রোগীর সমস্যা বুঝতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ দিতে হবে; তেমনি রোগী ও স্বজনকেও চিকিৎসা-প্রক্রিয়া, হাসপাতালের নিয়ম, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তবতা বুঝতে হবে।দুই পক্ষের এই বোঝাপড়া ও সহযোগিতাই তৈরি করতে পারে একটি কার্যকর চিকিৎসা-পরিবেশ।‘কোঅপারেশনের অভাবেই প্রতিদিন মারামারি-হাঙ্গামা’—সেবাখাতে সংঘাতের পেছনে কোথায় ঘাটতি?ডা. মনোয়ার হোসাইনের বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ জায়গাটি এখানেই।

তিনি মনে করেন, চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে এই পারস্পরিক ‘কোঅপারেশন’-এর অভাবেই দেশের সেবামূলক খাতে প্রতিদিন নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে।তর্ক-বিতর্ক থেকে শুরু করে উত্তেজনা, অসন্তোষ, ভুল বোঝাবুঝি এবং কখনো কখনো মারামারি-হাঙ্গামার মতো ঘটনাও ঘটছে।স্বাস্থ্যসেবা এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে মানুষের উদ্বেগ, ভয়, অর্থনৈতিক চাপ, রোগের অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত সুস্থ হওয়ার প্রত্যাশা—সবকিছু একসঙ্গে কাজ করে। সেখানে চিকিৎসক ও রোগী—দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি হলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠতে পারে।তাই শুধু চিকিৎসা দেওয়া নয়, রোগীকে বোঝানো এবং রোগীরও চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বোঝার সুযোগ তৈরি করা জরুরি।রোগীও অংশীদার, চিকিৎসকও দায়িত্বশীল—আস্থার জায়গাটি ফিরিয়ে আনতে হবে ।ডা. মনোয়ার হোসাইনের বক্তব্যের ভেতর দিয়ে চিকিৎসক ও রোগী উভয়ের জন্যই একটি দায়িত্বশীল বার্তা উঠে আসে।

চিকিৎসককে মনে রাখতে হবে—হাসপাতালে আসা মানুষটি শুধু একটি রোগের নাম বা একটি মেডিকেল রিপোর্ট নন; তিনি একজন মানুষ, তাঁর পরিবার আছে, উদ্বেগ আছে, প্রত্যাশা আছে।অন্যদিকে রোগী ও স্বজনকেও মনে রাখতে হবে—চিকিৎসা একটি প্রক্রিয়া; সব রোগের ফলাফল একই নয়, সব চিকিৎসা তাৎক্ষণিক ফল দেয় না এবং চিকিৎসকেরও রয়েছে পেশাগত সীমাবদ্ধতা ও দায়িত্ব।এই বাস্তবতাকে দুই পক্ষ যত বেশি বুঝবে, পারস্পরিক আস্থাও তত বেশি তৈরি হবে।স্বাস্থ্যসেবা শুধু হাসপাতালের চার দেয়ালে নয়—সম্পর্কের জায়গাতেও

একটি হাসপাতাল কেবল চিকিৎসক দিয়ে পরিচালিত হয় না। সেখানে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রশাসন, রোগী ও রোগীর স্বজন—সবাই মিলে একটি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা তৈরি করেন।

একটি ছোট ভুল বোঝাবুঝিও কখনো কখনো বড় সংকট তৈরি করতে পারে। আবার সঠিক যোগাযোগ, ধৈর্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা একটি কঠিন পরিস্থিতিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

ডা. মনোয়ার হোসাইনের বক্তব্যে তাই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার জন্য একটি বৃহত্তর সামাজিক বার্তাও রয়েছে—চিকিৎসক ও রোগী একে অপরের প্রতিপক্ষ নন; তাঁরা একই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দুই গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

চার দিনের অসুস্থতা, দুই দশকের স্মৃতি—একজন চিকিৎসকের উপলব্ধি: চারদিনের হাসপাতালবাস শেষে বাসায় ফিরে একজন চিকিৎসকের এই উপলব্ধি তাই শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতার প্রকাশ নয়।এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাঁর নিজের চিকিৎসাজীবনের অভিজ্ঞতা, রোগী হিসেবে হাসপাতাল দেখার অভিজ্ঞতা এবং প্রায় দুই দশক ধরে মায়ের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে ছুটে চলার স্মৃতি।সব মিলিয়ে তাঁর বক্তব্যে ফুটে উঠেছে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও মানবিক, সহযোগিতামূলক ও পারস্পরিক আস্থাভিত্তিক করার প্রয়োজনীয়তা।

চিকিৎসক রোগীকে জানবেন, রোগীর কথা শুনবেন, চিকিৎসা ও পরামর্শ দেবেন। আর রোগীও চিকিৎসকের পরামর্শ বুঝবেন, হাসপাতালের নিয়ম ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন হবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন—এই দুই দিকের সমন্বয়ই হতে পারে ‘কোঅপারেশন’।

কৃতজ্ঞতার শেষ কথায়ও থাকল সুস্থতার প্রার্থনা: নিজের এই অসুস্থতার সময়ে পাশে থাকা সবাইকে আবারও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ডা. মো. মনোয়ার হোসাইন। চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, নার্স ও স্টাফদের পাশাপাশি যাঁরা ফোন করেছেন, অনলাইনে দোয়া করেছেন, সুস্থতা কামনা করেছেন কিংবা সরাসরি উপস্থিত হয়ে খোঁজ নিয়েছেন—সবার প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা।শেষ পর্যন্ত তাঁর বার্তা খুব সরল—চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, ধৈর্য ও সহযোগিতা থাকলে স্বাস্থ্যসেবা শুধু চিকিৎসা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া থাকবে না; তা হয়ে উঠবে আরও মানবিক একটি সম্পর্ক।

 

তথ্যসূত্র: ডা. মো. মনোয়ার হোসেনের ফেসবুক পোস্ট।ডা. মো. মনোয়ার হোসেন: সহকারী অধ্যাপক, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

 

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিল নিয়ে গ্রাহকের অভিযোগ

রিলেটেড পোস্ট

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিল নিয়ে গ্রাহকের অভিযোগ

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

যুবদল নেতার কোটি টাকার ৮ টি স্বর্ণের বার...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

সাতক্ষীরায় আ’লীগ নেতা মসলউদ্দিনকে সারের ডিলার শিপ না...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

কালিগঞ্জে তৃষ্ণা জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরি

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে সামনে রেখে নির্বাচনী মাঠে...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

শ্যামনগরে বেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

আশাশুনিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আলিম মোল‍্যা...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

কাদাকাটিতে ডা. গাউসুল হক মোড়লের দাফন সম্পন্ন

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

আশাশুনি ও প্রতাপনগরে জামায়াতের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting