দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | বিকাল ৫:১৭
অপপ্রচার চালিয়ে শ্যামনগরে এক নারী এনজিও কর্মীকে ফাঁসানোর...
এবার এস এস সিতে হাবিবার সাফল্য
কালিগঞ্জ ডায়াবেটিক হসপিটাল ঘেরাও ও মানববন্ধন
সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে প্রাইম “ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট ২০২৬”...
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল...
তালার মহান্দী- কাটবুনিয়া সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধনে জেলা পরিষদ...
শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষায় ২+২ মডেলের বিপ্লব
খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা
আশাশুনির গোদাড়ায় তিনজনকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি...
সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাদুল হক খান
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনি

আশাশুনি থেকে হারিয়ে গেছে বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’

কর্তৃক kobirubel.satnadee নভেম্বর ২৭, ২০২৩
নভেম্বর ২৭, ২০২৩ ০ কমেন্ট 360 ভিউস

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: কালে কালে বদলায় সমাজ, সংস্কৃতি, হারায় ঐতিহ্য। তেমনি কালের আবর্তেই আশাশুনি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’। আবহমান কাল থেকেই গ্রামবাংলার মানুষের ধূমপানের অন্যতম মাধ্যম ছিল হুক্কা। ধূমপানের জনপ্রিয় এই মাধ্যম গ্রামবাংলার বিনোদন, আতিথেয়তা, বন্ধুত্ব, সম্প্রীতির প্রতীক। সে সময় ধনী-গরিব প্রতিটি বাড়িতেই ছিল হুক্কার প্রচলন। আজ থেকে এক দুই দশক আগেও গ্রামগঞ্জে ধূমপায়ীরা হুক্কার মাধ্যমে নেশায় অভ্যস্ত ছিল। পুরুষের পাশাপাশি বয়স্ক নারী এবং ছেলেমেয়েরাও হুক্কার মাধ্যমে ধূমপান করত। অনেকে শখের বশেও হুক্কায় দিত আয়েশি টান। এ ছাড়া নাটক, সিনেমায় অভিনয়ে ধনীদের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে পিতলের তৈরি ‘হুক্কা’ ও গরিবদের জন্য নারিকেলের খোল দ্বারা তৈরি ‘ডাবা’ ব্যবহার করা হতো। যা মানুষের জীবনের উঁচু-নিচু পার্থক্য নির্ণয় করত। জানা যায়, সম্রাট আকবর (মুঘল আমলে) ১ম তামাক চাষের হুকুম দিয়েছিলেন।আর এক তথ্যে জানা যায় পুর্তগীজরা ব্যবসার উদ্দেশ্যে এ অঞ্চলে আসার সময় তাদের প্রিয় শখের নেশার পাত্র হুক্কা সাথে নিয়ে আসতেন। হুকা পানের টিকিয়া বা টিক্কা বানানো হ’ত গুরা কয়লা দিয়ে আর তামাকপাতা মিহি গুরার সাথে চিতা গুর মিশিয়ে লাড্ডু বানিয়ে কল্কিতে রেখে আগুন জ্বালিয়ে হুকা পান করা হ’তো। মুঘল আমলে বিদরী কাজের হুকার প্রচলন ছিল।বৃটিশ আমলে পিতল তামা দস্তার হুকার প্রচলন শুরু হয়।বড় নল ওয়ালা পিতলের হুকা কে ফুরশি হুকা বলা হ’ত।রাজা জমিদার ধর্নাঢ্য ব্যক্তিগন কারুকার্য খচিত রৌপ্য জার্মান সিলভার দস্তা তামা পিতলের হুক্কা ব্যাবহার করতেন। কালক্রমে এদেশীয় সাধারন মানুষজন নারিকেলি ও মাটির হুক্কা ব্যাবহার করেছে। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এখনো বাঁশের তৈরী হুকা পান করে থাকেন।এক সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক হিসেবে ‘হুক্কা’ খুবই জনপ্রিয় ছিল। এখন সবই অতীত। আশাশুনি এলাকার কয়েক প্রবীণের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন বৈঠকখানায় মেহমানদের জন্য প্রধান আকর্ষণ ছিল হুক্কা। যে কোন বয়সের ছেলে ও বয়স্করা হুক্কার নেশায় মাতোয়ারা ছিল। তামাক পাতাগুলোকে টুকরো টুকরো করে কেটে এতে চিটাগুড় মিশ্রিত করে তৈরি হত হুক্কার প্রধান উপাদান ‘তামুক’। তামুক মাটির তৈরি কলকি’র মধ্যে দিয়ে কয়লার ‘টিক্কা’র মাধ্যমে আগুন দিয়ে ধূমপান করা হতো। এটা একপ্রকার নেশার মতো। হুক্কায় ধূমপানের জন্য এক সময় হাটবাজারে তামাকের গুড়ি মিশ্রিত করে বিক্রি করতে দেখা যেত, বিক্রি করা হতো নারিকেলের খোল দ্বারা হাতে তৈরি হুক্কা। যা ‘ডাবা’ নামে পরিচিত ছিল। হুক্কা নিয়ে গ্রামবাংলায় একটি জনপ্রিয় লোকগান প্রচলিত ছিল।কালের পরিক্রমায় আশাশুনি উপজেলার গ্রামে গ্রামে হুক্কায় তামাকপানের যে প্রচলন ছিল তা আর দেখা যায় না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হুক্কায় ধূমপান করা দূরে থাক চোখেই দেখেনি হুক্কা। হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেট, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। যার মধ্যে রয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর নিকোটিন। তার পরেও এই মরণ নেশায় জড়িয়ে পড়েছে যুব সমাজ। যাদের নিয়ে দেশের সব অভিভাবক মহল থাকেন সব সময় উদ্বিগ্ন। এক কালের গ্রাম বাংলার অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ‘হুক্কা’ আজ বিলুপ্তির পথে। ঘরের বারান্দায় বা দেউড়ি নয় হুক্কার স্থান এখন মিউজিয়ামে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
ঘুষ গ্রহণের অপরাধে সাতক্ষীরা পৌরসভার অস্থায়ী তিন কর্মচারীকে অপসারণ
পরবর্তী পোস্ট
সিসিডিবি এর এনগেজ প্রকল্পে জেন্ডার রেসপনসিভ বাজেটের উপর প্রশিক্ষণ

রিলেটেড পোস্ট

আশাশুনির গোদাড়ায় তিনজনকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি...

আগস্ট ৪, ২০২৬

আশাশুনিতে সাবেক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট হারিয়ে যাওয়ায় থানায়...

আগস্ট ৩, ২০২৬

আশাশুনির বুধহাটায় জানাজা চলাকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. শহিদুলের...

আগস্ট ২, ২০২৬

 খোলপেটুয়া- কপোতাক্ষ নদী এখন বিএনপি – জামায়তের বালু...

আগস্ট ২, ২০২৬

আশাশুনির বুধহাটায় জানাজা চলাকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাডঃ শহিদুলের...

আগস্ট ২, ২০২৬

আশাশুনির ৯টি প্রতিষ্ঠানে এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের পক্ষে...

আগস্ট ২, ২০২৬

আশাশুনিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার কমিটি গঠন

আগস্ট ১, ২০২৬

আশাশুনির শ্রীউলায় গাঁজা ও নগদ টাকাসহ মাদক কারবারি...

আগস্ট ১, ২০২৬

বুধহাটায় দীর্ঘ ৩৬ বছর ইমামতির পর মাওলানা আব্দুল...

জুলাই ৩১, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting