দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | সকাল ৯:৫৪
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট...
তালায় টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের উদ্বোধন
দেবহাটার গণ্ডি পেরিয়ে ফেয়ার মিশনের আন্তর্জাতিক যাত্রা
সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, চিঠি পেল...
শাশুড়ির পরকিয়া ধরাই কাল হল পুত্রবধুর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কঠোর সতর্কতা,পলাতক আসামি ঠেকাতে বাড়ানো...
হাইকোর্টের আদেশে নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে দায়িত্ব নিলেন...
কালিগঞ্জে ইয়াবা সহ   মাদকের গডফাদার ওবায়দুল্লাহ আটক
যুবদল নেতা সুমনের নেতৃত্বে ১০ পিচ স্বর্নের বার...
চুনা ম্যানগ্রোভকে ওইসিএম স্বীকৃতিতে স্থানীয়দের সম্মতি
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনি

আশাশুনি থেকে হারিয়ে গেছে বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’

কর্তৃক kobirubel.satnadee নভেম্বর ২৭, ২০২৩
নভেম্বর ২৭, ২০২৩ ০ কমেন্ট 376 ভিউস

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: কালে কালে বদলায় সমাজ, সংস্কৃতি, হারায় ঐতিহ্য। তেমনি কালের আবর্তেই আশাশুনি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’। আবহমান কাল থেকেই গ্রামবাংলার মানুষের ধূমপানের অন্যতম মাধ্যম ছিল হুক্কা। ধূমপানের জনপ্রিয় এই মাধ্যম গ্রামবাংলার বিনোদন, আতিথেয়তা, বন্ধুত্ব, সম্প্রীতির প্রতীক। সে সময় ধনী-গরিব প্রতিটি বাড়িতেই ছিল হুক্কার প্রচলন। আজ থেকে এক দুই দশক আগেও গ্রামগঞ্জে ধূমপায়ীরা হুক্কার মাধ্যমে নেশায় অভ্যস্ত ছিল। পুরুষের পাশাপাশি বয়স্ক নারী এবং ছেলেমেয়েরাও হুক্কার মাধ্যমে ধূমপান করত। অনেকে শখের বশেও হুক্কায় দিত আয়েশি টান। এ ছাড়া নাটক, সিনেমায় অভিনয়ে ধনীদের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে পিতলের তৈরি ‘হুক্কা’ ও গরিবদের জন্য নারিকেলের খোল দ্বারা তৈরি ‘ডাবা’ ব্যবহার করা হতো। যা মানুষের জীবনের উঁচু-নিচু পার্থক্য নির্ণয় করত। জানা যায়, সম্রাট আকবর (মুঘল আমলে) ১ম তামাক চাষের হুকুম দিয়েছিলেন।আর এক তথ্যে জানা যায় পুর্তগীজরা ব্যবসার উদ্দেশ্যে এ অঞ্চলে আসার সময় তাদের প্রিয় শখের নেশার পাত্র হুক্কা সাথে নিয়ে আসতেন। হুকা পানের টিকিয়া বা টিক্কা বানানো হ’ত গুরা কয়লা দিয়ে আর তামাকপাতা মিহি গুরার সাথে চিতা গুর মিশিয়ে লাড্ডু বানিয়ে কল্কিতে রেখে আগুন জ্বালিয়ে হুকা পান করা হ’তো। মুঘল আমলে বিদরী কাজের হুকার প্রচলন ছিল।বৃটিশ আমলে পিতল তামা দস্তার হুকার প্রচলন শুরু হয়।বড় নল ওয়ালা পিতলের হুকা কে ফুরশি হুকা বলা হ’ত।রাজা জমিদার ধর্নাঢ্য ব্যক্তিগন কারুকার্য খচিত রৌপ্য জার্মান সিলভার দস্তা তামা পিতলের হুক্কা ব্যাবহার করতেন। কালক্রমে এদেশীয় সাধারন মানুষজন নারিকেলি ও মাটির হুক্কা ব্যাবহার করেছে। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এখনো বাঁশের তৈরী হুকা পান করে থাকেন।এক সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক হিসেবে ‘হুক্কা’ খুবই জনপ্রিয় ছিল। এখন সবই অতীত। আশাশুনি এলাকার কয়েক প্রবীণের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন বৈঠকখানায় মেহমানদের জন্য প্রধান আকর্ষণ ছিল হুক্কা। যে কোন বয়সের ছেলে ও বয়স্করা হুক্কার নেশায় মাতোয়ারা ছিল। তামাক পাতাগুলোকে টুকরো টুকরো করে কেটে এতে চিটাগুড় মিশ্রিত করে তৈরি হত হুক্কার প্রধান উপাদান ‘তামুক’। তামুক মাটির তৈরি কলকি’র মধ্যে দিয়ে কয়লার ‘টিক্কা’র মাধ্যমে আগুন দিয়ে ধূমপান করা হতো। এটা একপ্রকার নেশার মতো। হুক্কায় ধূমপানের জন্য এক সময় হাটবাজারে তামাকের গুড়ি মিশ্রিত করে বিক্রি করতে দেখা যেত, বিক্রি করা হতো নারিকেলের খোল দ্বারা হাতে তৈরি হুক্কা। যা ‘ডাবা’ নামে পরিচিত ছিল। হুক্কা নিয়ে গ্রামবাংলায় একটি জনপ্রিয় লোকগান প্রচলিত ছিল।কালের পরিক্রমায় আশাশুনি উপজেলার গ্রামে গ্রামে হুক্কায় তামাকপানের যে প্রচলন ছিল তা আর দেখা যায় না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হুক্কায় ধূমপান করা দূরে থাক চোখেই দেখেনি হুক্কা। হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেট, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। যার মধ্যে রয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর নিকোটিন। তার পরেও এই মরণ নেশায় জড়িয়ে পড়েছে যুব সমাজ। যাদের নিয়ে দেশের সব অভিভাবক মহল থাকেন সব সময় উদ্বিগ্ন। এক কালের গ্রাম বাংলার অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ‘হুক্কা’ আজ বিলুপ্তির পথে। ঘরের বারান্দায় বা দেউড়ি নয় হুক্কার স্থান এখন মিউজিয়ামে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
ঘুষ গ্রহণের অপরাধে সাতক্ষীরা পৌরসভার অস্থায়ী তিন কর্মচারীকে অপসারণ
পরবর্তী পোস্ট
সিসিডিবি এর এনগেজ প্রকল্পে জেন্ডার রেসপনসিভ বাজেটের উপর প্রশিক্ষণ

রিলেটেড পোস্ট

আশাশুনির প্রতাপনগরে ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

আশাশুনিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আলিম মোল‍্যা...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

কাদাকাটিতে ডা. গাউসুল হক মোড়লের দাফন সম্পন্ন

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

আশাশুনি ও প্রতাপনগরে জামায়াতের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধার ভাড়া দেওয়া দোকানে আগুন, তিন দিনেও মামলা...

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসার গল্প 

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

আশাশুনিতে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ:...

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

আশাশুনির প্রতাপনগরে হুমকি দিয়ে ব্যবসায়ীর দোকান পুড়িয়ে দিল...

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

আশাশুনিতে বন্যা ঝুঁকি মূল্যায়নে কমিউনিটি টেবিলটপ মহড়া অনুষ্ঠিত

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting