
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার বাঁকড়ায় সড়কের পাশের জমি থেকে গাছ কেটে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আহসান সরদার ও তার ছেলে ওমর আলী সরদারের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা করে একই গ্রামের ঈছহাক সরদার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।
বাঁকড়া গ্রামের মুন্সি নাজের সরদারের ছেলে মোঃ ঈছাহাক সরদার বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত ছাদেক সরদারের ছেলে আহসান সরদার ও আহসানে ছেলে ওমর আলীকে বিবাদী করে ইউএনও বরাবর দায়েরকৃত আবেদন সূত্র ও এলাকাবাসী জানান, বাঁকড়া মৌজায় বাদীর পৌত্রিক সুত্রে এসএ রেকর্ডীয় জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড অধিগ্রহন করে নিয়েছে। জমিতে ওয়াপদা বাঁধ নির্মানের পর রাস্তার পাশের অব্যবহৃত পতিত জমিতে বাদী নিজ উদ্যোগে বনায়ন কাজ করেন। বনায়নকৃত একটি বট গাছ অনেক বড় আকারে পরিণত হয়েছে। গাছটি পথিকদেন ছায়াদান, পাখিদের খাদ্য ও আশ্রয় দানসহ পরিবেশ রক্ষা করছিল। গাছটি বাদী রক্ষণাবেক্ষন করে থাকেন। বিবাদীরা সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে বৃহৎ বটগাছটির বড় বড় ১০/১২টি ডাল কেটে আত্মসাৎ করেছে। বাদী বাধা দিলেও শোনেনি বরং গাছ কেটে নেবে যা পারিশ করোগে বলে আস্ফালন করা হয়। এতে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে বাদী জানান।
স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কের পাশে বনায়ন কর্মসূচির গাছ আমি পাহারা দিয়েছি। আহসান সরদার অনেকগুলো বাবলা গাছ কেটে নিয়েছে। আবুল কালাম গাজী বলেন, সরকারি জমিতে বেড়ে ওঠা গাছ সাধারণ কেউ কাটতে পারেনা। কিন্তু আহসানরা কোন নিয়মনীতির তুয়াক্কা করেনাই। বটগাছের ডাল কেটেছে কেবল তাই নয়, তারা ইতিপূর্বে বনায়নের ৭০/৮০টি বাবলা গাছও কেটে নিয়েছে। রবিউল গাজী জানান, ইতিপূর্বে বহু বাবলা গাছ উধাও করে ফেলেছে। এখন ২৫/৩০ বছরের বট গাছ কাটছে।
বাদী ঈছাহাক সরদার আরও বলেন, বট গাছের ডাল কাটতে থাকলে আমি না কাটতে অনুনয় বিনয় করি, কিন্তু শোনেনি। ১০/১২টি ডাল কেটে নিয়েছে। প্রতিবাদ না করলে হয়তো পুরো গাছটি মুড়ো কড়ে নিত। এছাড়া নদী খননের স্তুপাকারে রাখা মাটি ভেক্যু মেশিন দিয়ে কেটে পুনরায় নদীর ধারে ফেলে রাখায় নদী ভরাট হয়ে গেছে। এব্যাপারে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানান হয়েছে।

