দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
মঙ্গলবার | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | সকাল ৬:২০
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের...
নকশা বহির্ভূত ভাবে পৌরসভায় ৫ তলা ভবন নির্মাণ...
দেবহাটা ইউসিসিএর নির্বাচন শান্তিপূর্নভাবে সম্পন্ন: মন্টু চেয়ারম্যান নির্বাচিত
এমপি গাজী নজরুলের ফাঁসির দাবিতে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল
ভাত চুরির অভিযোগ থেকে আজমুলের মৃত্যু: ৬০ ঘণ্টা...
সখিপুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন...
আশাশুনিতে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ:...
ভেজাল খাদ্য ও পণ্যের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স...
দেবহাটায় শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষনা করলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় শ্যামনগরে এমপি গাজী...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
জাতীয়নির্বাচিত খবরসারাদেশ

আজ সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিল, স্বজন হারানো ৯১ এর সেই স্মৃতি ভুলেনি উপকূলবাসী

কর্তৃক kobirubel.satnadee এপ্রিল ২৯, ২০২০
এপ্রিল ২৯, ২০২০ ০ কমেন্ট 365 ভিউস

অনলাইন ডেস্ক:  ‘শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) থেকে গুমোট পরিবেশে বাতাসসহ বৃষ্টি হচ্ছিল। খবর পেয়েছিলাম পাশের গ্রামে মেঝ মেয়েটি সন্তানসহ অসুস্থ। কাঁচা রাস্তা, তার উপর বৃষ্টি হওয়ায় তাদের দেখতে যেতে পারিনি। এখনকার মতো মোবাইল যোগাযোগ ছিল না বলে আর খবরও নিতে পারিনি তাদের কি অবস্থা? অপেক্ষায় ছিলাম বৃষ্টিটা থামলে মেয়ের বাসায় গিয়ে নাতি ও তার সেবা করব। কিন্তু সোমবার (২৯ এপ্রিল) জলোচ্ছ্বাসের পর বৃষ্টি থামলেও চারপাশ ছিল লণ্ডভণ্ড।

প্রায় ২০ ফিট উঁচুই বয়ে যাওয়া জলোচ্ছ্বাসে অন্য উপকূলবাসীর মতো আমার মেয়ে ও নাতিরা তাদের দাদিসহ ভেসে গিয়ে প্রাণ হারায়। তাদের মরদেহটি পর্যন্ত আর দেখা হয়নি। ২৯ বছরে এলাকার অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। জীবন সায়াহ্নে এসে মৃত্যুর প্রহর গুনছি। এখন চারপাশে করোনা নামে একটি ভাইরাসের ভয়ে সব কিছু স্তব্ধ। এরপরও মেয়ে এবং নাতি ও তাদের পরিবারের সবাইকে হারানোর স্মৃতি আমায় পিছু ছাড়েনি। আজ (২৯ এপ্রিল) তাদের কথা বেশি মনে পড়ছে।’

কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকূলীয় পোকখালীর উত্তর গোমাতলীর বাড়িতে বসে ভয়াল ২৯ এপ্রিলের রাতে স্বজন হারানোর সেই স্মৃতি আওড়াতে গিয়ে বুধবার আবেগ তাড়িত হন নুর জাহান বেগম (৬৭)। তিনি সে দিন পাশের গ্রাম কাটাখালীতে বিয়ে দেয়া মেয়ে-নাতিসহ সবাইকে হারিয়েছিলেন।

শুধু তিনি নন, উপকূলের শত শত মানুষ তার মতো আপনজনকে হারিয়ে এখনো স্মৃতি হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। প্রায় আড়াই যুগ সময় পিছনে ফেলে এসেছেন জলোচ্ছ্বাসে আক্রান্ত মানুষ। কিন্তু হারানোর বেদনা তাদের কখনো নিস্তার দেয়নি। উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিল আজকের দিনে ভারাক্রান্ত মনে কেউ মিলাদ পড়িয়ে, কেউ বা বিলাপে সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা চালাবেন।

১৯৯১ সালের এ দিনে স্মরণকালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কক্সবাজারের দ্বীপাঞ্চলসহ উপকূলীয় এলাকা তছনছ করে মহা ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছিল। রাতের অন্ধকারে মুহূর্তে লণ্ডভণ্ড হয়েছিল উপকূলীয় এলাকা। দেশের মানুষ বাকরুদ্ধ হয়ে প্রত্যক্ষ করেছিল প্রকৃতির এই রুদ্ধরোষ। এর আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের এতবড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি উপকুলের মানুষ আর কখনো হয়নি। তাই ১৯৯১ সালের পর থেকে ২৯ এপ্রিল আসলে স্বজন হারা মানুষের কান্নায় এখনও ভারি হয় উপকূলের পরিবেশ। সেদিন জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে অকালে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মৃতি উপকূলবাসীকে এখনো তাড়ায়। বেদনা অশ্রু ভারাক্রান্ত হন তারা।

ক্ষতিগ্রস্তদের মতে, সেদিন আবহাওয়া বিভাগ উপকূলীয় এলাকায় ৯নং সতর্ক সংকেত জারি করলেও অজ্ঞতার বশে লোকজন নিরাপদ স্থানে না যাওয়ায় মহা দুর্যোগের শিকার হন। রাত ১০টার পর ১০ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় সাগরের পানি মুহূর্তেই লোকালয়ে ঢুকে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবলীলায় অনেক মা হারায় সন্তান, স্বামী হারায় স্ত্রী, ভাই হারায় বোনকে। অনেক পরিবার আছে যাদের গোটা পরিবারই পানির স্রোতে হারিয়ে গেছে। ২৯ এপ্রিলের সে ভয়াল স্মৃতি মনে করে এখনও কাঁদেন স্বজন হারানো উপকূলবাসী।

প্রশাসনের হিসাব মতে, ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন নিহত, ১২ হাজার ১২৫ জন নিখোঁজ, ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন আহত হন। মাছ ধরার ট্রলার, নৌকা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছ-পালা, চিংড়ি ঘের, স্কুল-মাদরাসা, পানের বরজ, লাখ লাখ গবাদি পশু, ব্রিজ কালভার্ট ভেঙ্গে গিয়ে ক্ষতি সাধিত হয় কয়েক হাজার কোটি টাকার। তাই ২৯ বছর পরও অতীতের স্মৃতি মুছতে পারেনি উপকূলবাসী।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ১৫৬১ সালের জলোচ্ছ্বাসেও উপকূলের বিপুল মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ১৭৬২ সালে, ১৭৯৫ সালের ৩ জুন, ১৮৯৭ সালের ২৪ অক্টোবরে, ১৯০৫ সালের ২৯ এপ্রিলে, ১৯৬৩ সালের ২৭ মে, ১৯৭২ সালের অক্টোবরে, ১৯৯৭ সালের নভেম্বরে, ১৯৬৫ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়া-দ্বীপসহ উপকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়া খুদিয়ার টেক নামক একটি এলাকা পুরো বিলীন হয়ে গেছে।

১৯৯১ সালের এ দিনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর উপ-দ্বীপ ধলঘাটা-মাতারবাড়ি, পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়ন, কুতুবদিয়ার প্রায় পুরো উপজেলা এবং সদরের বৃহত্তর গোমাতলী এলাকায়। ওখানে অধিকাংশ বাড়ি থেকে পরিবারের ৫-৬ জন লোক মারা যান। অনেক যৌথ পরিবারে ৪০ জন মারা যায়। তাই এ দিনটিতে এখনও স্বজন হারানোর বেদনায় বিলাপ করেন অনেকে।

এতকিছুর পরও কক্সবাজারের উপকূলে পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নেই। বিদ্ধমান ৫ শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্রের অধিকাংশ ব্যবহার অনুপযোগী। শুধু সাইক্লোন সেল্টার নয়, উপকূলের কয়েকশ’ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখনো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে এসব উপকূলীয় বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছিল। ওই ভাঙা বাঁধ এখনো পরিপূর্ণ মেরামত হয়নি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংস্কার ও অবৈধ দখল উচ্ছেদে কার্যক্রম নিয়মিত চলমান। এছাড়া যেখানে প্রয়োজন সেখানে নতুন আরও কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে।

এদিকে, সারা দেশের মতো কক্সবাজারেও করোনার প্রাদুর্ভাবে লকডাউন পরিস্থিতি থাকায় অন্য সময়ের মতো শোক র‌্যালি বা ঘটা করে মিলাদ ও মোনাজাত না হলেও নিহত এবং নিখোঁজদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় স্বজনরা নিজেদের মতো করে দোয়া করবেন। (সূত্র: ইত্তেফাক)

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকিরের অপকর্মের প্রতিবাদে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
পরবর্তী পোস্ট
মসজিদ খোলার ঘোষণা দিলেন গাজীপুরের মেয়র

রিলেটেড পোস্ট

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের...

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় শ্যামনগরে এমপি গাজী...

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

লিটারে ২০ টাকা বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

সাতক্ষীরায় যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিশাল আনন্দ...

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের জেলা সমাবেশ...

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

মানব পাচার প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় সক্রিয় কর্মী দলের দ্বি-মাসিক...

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বীথিকা বিনতে হোসাইনের নির্দেশনায় সপ্তাহব্যাপী...

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা...

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

সাতক্ষীরার তালায় নকল সার-কীটনাশক তৈরির অভিযোগে সাব-ডিলার আটক,...

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting