
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পাওনা টাকার জেরে ফিল্ম স্টাইলে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলামকে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নিয়ে দলিলে স্বাক্ষর করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার( ১২ মে) দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের অদুরে বিনেরপোতা এলাকার বুশরা পলিটেকনিকের সামনে এ ঘটনা ঘটে । আজ বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি । এদিকে ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর মুক্তি পেয়ে বুশরা গ্রপের সাতক্ষীরা শাখার প্রধান কার্যলয়ে রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের সামনে এ দাবী করেন ।
তিনি বলেন, বেশ কয়েকমাস ধরে বরশা গ্রুপে কয়েকমাস ধরে লেনদেন সংক্রান্ত জাটলতা দেখা ধেয় । এই সুযোগে কিছু লোক পাওনা টাকার জের ধরে সমিতি দেউলিয়া হয়ে গেছে এমন প্রচার দিতে থাকে । এসে জেলা ব্যাপি সকল শাখা গুলোতে গ্রাহকরা আস্তা হারিয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে । উপায় না পেয়ে কয়েকজন গ্রাহককে বরশা গুপের প্লট লিখে দেন তিনি । গতকাল মঙ্গলবার দুপরে বিনেরপোতা বরশা পলিটেকনিক এলাকায় তিনি অফিসের কর্মচারীদের নিয়ে মিটিং করছিলেন । ওই সময় মধ্যাহ্নভোজ শেষে কলারোয়া থানা কৃষক দলনেতা ও সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান তাকে বাইরে আসতে বলে । ওই সময় তার নেতৃত্বে কলারোয়ার বি এনপি নেতা আবুল বাসার, মো. আলাউদ্দীন , শহর ছাত্রদল নেতা রায়হান মাসুদ সহ ১০ ১৫ জন দূর্বৃত্ত তাকে মোটরসাইকেল যোগে উঠিয়ে নিয়ে যায় । এরপর শহরের অজ্ঞাত একটি স্থানে থেকে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী রকি ও নাম না জানা আরো কয়েকজন টিপ সই নেয়।
তিনি আরো বলেন, দলিলে স্বাক্ষর নিয়ে আমাকে কলারোয়া থানায় নিয়ে যায় মনিরুজ্জামান । খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা কর্তৃপক্ষ কলারোয়া থানায় ফোন দিলে মনিরুজ্জামান আমায় সদর থানায় রেখে যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক সুশান্ত কুমার ঘোষ বলেন, গতকাল তাকে কর্মচারীদের জিম্মায় শরিফুল ইসলামকে হস্তান্তর করা হয়েছে । এ ঘটনায় আজ বুধবার দুপুরে শরিফুল ইসলাম একটি সাধারন ডায়েরি করেছেন ।সাধারণ ডায়েরি নং -৮২৭।

অভিযোগের বিষয়ে কলারোয়া থানা কৃষক দলনেতা ও সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবী করেন, অপহরনের ঘটনা সত্য নয় । শরিফুলের কাছে আমার অর্ধকোটি টাকা পাওনা রয়েছে । তিনি নাটক সাজিয়ে স্বেচ্চায় আমাকে দলিল করে দিয়েছেন ।

