
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার হলদে বুনিয়া এলাকার ছায়া নদীতে বনবিভাগের অভিযানে জব্দ হওয়া প্রায় ৮৬ কেজি ৫০০ গ্রাম মাছ আদালতের নির্দেশে এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাছ জেলার ৫টি এতিমখানা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিতরণকৃত মাদ্রাসাগুলোর নাম হল,
নুরুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পলাশপুর সাতক্ষীরা , দাঁতপুর দারুস সালাম হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা তালা সাতক্ষীরা, কাশেমপুর মদিনাতুল উলুম এতিমখানা, মাগুরা এতিমখানা কমপ্লেক্স হাফিজিয়া মাদ্রাসা, লক্ষ্মী খালি বাঘে জান্নাত দারুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা লিল্লা বোডিং ও এতিমখানা। এর আগে শনিবার শ্যামনগর উপজেলার হলদেবুনিয়া এলাকার ছায়া নদীতে হলদে বুনিয়া টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ তানভীর এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ অভয়ারণ্যে প্রবেশের দায়ে আট জেলেকে আটক করে বনবিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫টি নৌকা ,মাছ ধরার বড়শি এবং লাখ্যা, জাবা,গাগড়া টেংরা, কৈবালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৮৬ কেজি ৫০০ গ্রাম মাছ জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মাছ বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মো. আব্দুল আলিম, বন মামলার পরিচালক শ্যামপ্রসাদ রায়, আদালতের অন্যান্য কর্মকর্তা ৫টি এতিমখানা মাদ্রাসার প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও বিচার প্রার্থী উৎসুক জনতা।
বন মামলার পরিচালক শ্যামপ্রসাদ রায় জানান, হলদে বুনিয়া টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তা মোঃ তানভীর এর নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কালিঞ্চি গ্রামের গোলাপ সরদারের ছেলে শাহাবুদ্দিন ( ৪২)আঃ কাদের গাইনের ছেলে আজগর আলি, মীর আলির ছেলে রবিউল,চিংড়ে খালি গ্রামের আঃ মজিদের ছেলে নুর ইসলাম,কৈখালি গ্রামের নওশের গাজীর ছেলে আঃ সালাম (৫৫) সাহেব খালি গ্রামের মুনসুর সরদারের ছেলে ইসমাইল সরদার (৫৬)কৈখালি গ্রামের ফরমান সরদারের ছেলে মোন্তাজ আলি(৭০)রহমত উল্লার ছেলে জলিল সরদার (৫৪)।
তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ অভয়ারণ্যে প্রবেশের অপরাধে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে ১৯২৭ সালের বন সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর জব্দ মাছ আদালতের নির্দেশে স্থানীয় এতিম খানায় দান করা হয়েছে।

