দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | সন্ধ্যা ৭:৩৯
সাতক্ষীরায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চার কর্মী আটক
আদালতের নোটিশের মধ্যেই বিরোধপূর্ণ জমিতে দোকান বসানোর অভিযোগ
দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রুটিন পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার...
আশাশুনিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমাবেশ
কাদায় বেহাল কৈখালীর ‘আলহাজ্ব মরহুম আদম গাজীর কেয়ার’...
দেবহাটায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি রাজ্জাক...
কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে বোমা হামলার অভিযোগ, আহত ১
দেবহাটায় নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন 
কালিগঞ্জে ‘বিএনপি’ কার্যালয়ে বোমা হামলার অভিযোগ, আহত ১:-
সরকারি চাকুরে নারীর চরিত্র হননে ব্যস্ত এরা কারা?
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
Uncategorized

ভাইরোলজিস্টের সাক্ষাৎকার: করোনাভাইরাস ঠিক কবে থামবে?

কর্তৃক kobirubel.satnadee এপ্রিল ১০, ২০২০
এপ্রিল ১০, ২০২০ ০ কমেন্ট 371 ভিউস
guido vanham

ভাইরোলজিস্ট গুইডো ভ্যানহ্যাম। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর তিন ভাগের একভাগ মানুষ এখন পুরোপুরি লকডাউনে। করোনাভাইরাসের কূল-কিনারা খুঁজতে গিয়ে পৃথিবীর বিখ্যাত সব বিজ্ঞানী, গবেষক, চিন্তক এক গভীর অন্ধকারে ডুবে গেছেন। এক দেশ থেকে আরেক দেশ, এক মানুষ থেকে আরেক মানুষের ওপর বাছ-বিচারহীনভাবে করোনাভাইরাস ঘটিয়ে চলেছে তার বিস্তার। কবে, কীভাবে থামবে করোনা সংক্রমণ? এখনো এর কোনো সদুত্তর নেই কারো কাছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে বিশ্বখ্যাত ভাইরোলজিস্ট গুইডো ভ্যানহ্যামের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে মাত্র দুটি প্রশ্নকে ভিত্তি করে। সাক্ষাৎকারটি ভাষান্তর করেছেন মিজান রহমান।

করোনাভাইরাস ঠিক কীভাবে থামবে বলে মনে হয়?

এক অর্থে বলতে গেলে, এই ভাইরাস আসলে থামবে না যতক্ষণ না আমরা তা থামাতে পারি। যতক্ষণ না আমরা এই ভাইরাসকে নির্মূল করতে পারি, ততক্ষণ পর্যন্ত ভাইরাস তার বিস্তৃতি বাড়াতেই থাকবে। এই ধরনের ভাইরাসকে নির্মূল করতে আমাদের দরকার খুবই কার্যকরী প্রতিষেধক, যা প্রতিটি মানুষের ওপরে প্রয়োগ করতে হবে। এ রকম গণহারে প্রতিষেধক প্রয়োগ এখন পর্যন্ত কেবল স্মলপক্সের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা সম্ভব হয়েছে। তাতেও লেগে গেছে অনেক বছর।

সুতরাং বলা যায়, এই ভাইরাস আপাতত থেকে যাচ্ছে। এই ভাইরাস একটি ভাইরাস পরিবারের সদস্য, আমরা এখন অনেকেই জানি, সেই ভাইরাস পরিবার হলো করোনাভাইরাস। এখন এই ভাইরাস অন্যান্য ভাইরাস থেকে আলাদা কী ধরনের আচরণ করে সেটা দেখা। হতে পারে এটা প্রতিবছর ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফিরে ফিরে আসবে। শীত, বসন্ত, শরতে এটা হয়তো নিয়ন্ত্রণহীন আচরণ করবে আবার গ্রীষ্মে কিছুটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবে। এখন আমাদের দেখতে হবে বিভিন্ন ঋতুতে এর কী প্রভাব পড়ে।

কিন্তু, একটি বিষয়ে এই মহামারি এক ধরনের দ্বিধায় ফেলে দিচ্ছে। স্পেন ও ইতালি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দুটি দেশ। তাদের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ ও ২৬ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। যদি ৫০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি হয়ে যায় তখন প্রাকৃতিকভাবেই হয়তো মহামারি থেমে যাবে। অতীতকালে বিভিন্ন মহামারিতে যখন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার হয়নি, তখন এমনটিই ঘটেছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার ও মানুষের প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নিরীক্ষা করে বলা যাবে এই ভাইরাসের প্রকোপ ঠিক কীভাবে থামবে।

মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে তাহলে কী কী বিষয় কাজ করবে? আমরা এ বিষয়ে কতটুকু জানি?

আমরা জানি, এটি অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাস। এখন পৃথিবীর প্রায় সবাই এটি জানেন। আমরা যা জানি না তা হলো, এই সংক্রমণের মাত্রা। এটি জানতে আমাদের আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার দরকার হবে।

আমরা জানি, মানুষের দেহে এন্টিবডি তৈরি হয়। এই এন্টিবডি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কিছুটা যুদ্ধ করে। আমরা চীনের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি দেখেছি। কিন্তু, এই এন্টিবডি আসলে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কতটা যুদ্ধ করতে পারে তা এখনো আমরা নিশ্চিত না। যারা একবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তারা সুস্থ হওয়ার পর আবারো আক্রান্ত হচ্ছেন কি না, এমন কোনো উপাত্ত আমাদের হাতে খুব বেশি নেই। যেহেতু সুস্থ হওয়ার পর নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার তেমন উল্লেখযোগ্য সংবাদ নেই, আমরা ধরে নিতে পারি এন্টিবডি কাজ করছে।

কিন্তু এটা কতদিন, কত মাস বা কত বছর কাজ করবে সেটাই এখন দেখার বিষয়। ভবিষ্যতে এই মহামারির বিষয়ে আমাদের এই তথ্যের ওপর কিছুটা নির্ভর করতে হবে। তবে আপাতত যেটা মনে হচ্ছে, আমরা এর মাত্রা কমিয়ে আনতে পারি, আমরা হয়তো পরিসংখ্যানের সংখ্যাগুলোকে কিছুটা কমাতে পারি। তবে এটাকে একেবারে নির্মূল করতে পারবো না। কারণ, এক পর্যায়ে গিয়ে আমাদেরকে ঘর থেকে বের হতে হবে। আমাদের কাজে যেতে হবে। আমাদের স্কুলে যেতে হবে। যদিও আমরা কেউ জানি না, সেটা কবে সম্ভব।

ততদিনে এই ভাইরাস তার বিস্তৃতি ঘটাতেই থাকবে। যতদিন না কার্যকর প্রতিষেধক আবিষ্কার হচ্ছে, ততদিন এই মহামারিতে আক্রান্ত মানুষ তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিয়ে যতটুকু নিজেকে রক্ষা করতে পারে। আমরা অবশ্যই একটি পথ খুঁজে পাব। কিন্তু, এর জন্য হয়তো আমাদের এক বছর কিংবা তার কাছাকাছি সময় লেগে যেতে পারে।

এটি এখন পর্যন্ত একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন যে, এই ভাইরাসকে সহ্য করার সক্ষমতা মানুষের কেমন। বয়স একটি বড় বিষয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে কমে যায়। কম বয়স্কদের ঝুঁকির বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। অন্যান্য রোগের কারণে তাদেরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি থাকতে পারে।

ক্যানসার কিংবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির যে কোনো সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থেকে। এ ছাড়া, উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন যারা, তারাও বড় ধরনের ঝুঁকিতে থাকেন। আরেকটি বিষয়ে আমাদের আগ্রহ আছে— এমন কোনো মানুষ আছেন কি না যিনি সংক্রমিত হচ্ছেন কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ছেন না। এটি হয়তো কয়েক মাস পর জানা যাবে। চীনে এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। এরপর হয়তো এই ভাইরাসের সঙ্গে এন্টিবডির সহাবস্থানের বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কিছু মানুষ আছেন যাদের এন্টিবডি শক্তিশালী হওয়ায় চিকিৎসা সেবা নিতেই হয় না। তারা সব সময় সুস্থ থাকেন। চীনে এ বিষয়ে ক্লু পাওয়া গেছে। এ ক্ষেত্রে আপনার রক্তের গ্রুপ হয়তো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। তবে এটি খুবই প্রাথমিক স্তরের তথ্য। এখন থেকে এক বছর কিংবা তার কিছু পরে হয়তো আমরা এ বিষয়ে আরও অনেক তথ্য হাতে পাব।

গুইডো ভ্যানহ্যাম, ফরমার হেড, ডিপার্টমেন্ট অব ভাইরোলজি, ইনস্টিটিউট ফর ট্রপিকাল মেডিসিন, বেলজিয়াম

সুত্র: স্টার অনলাইন

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
পরিচালকসহ পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ৩ চিকিৎসক কোয়ারেন্টিনে
পরবর্তী পোস্ট
ডিমের দাম কমেছে

রিলেটেড পোস্ট

এবার এস এস সিতে হাবিবার সাফল্য

আগস্ট ১০, ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে প্রাইম “ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট ২০২৬”...

আগস্ট ৮, ২০২৬

সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল...

আগস্ট ৭, ২০২৬

অধ্যাপক ডা. এম আর খানের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আগস্ট ১, ২০২৬

ঢাকাস্থ পাটকেলঘাটা থানা সমিতির পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার নবনিযুক্ত...

আগস্ট ১, ২০২৬

শ্যামনগরে জলাবদ্ধতায় হাজার বিঘা সবব্জি ও ফসলি জমি

জুলাই ৩১, ২০২৬

পারিবারিক রাস্তা দখলের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,সংবাদ সম্মেলনে,মেয়র...

জুলাই ২৯, ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে...

জুলাই ২৬, ২০২৬

৭দিনেও মামলা হয়নি  সুমাইয়া হত্যার

জুলাই ২৬, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting