দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শনিবার | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১:৫০
সাতক্ষীরা পৌরসভায় বিএনপির টিকিট কার হাতে?
পদ্মা ব্যারেজ -পানির অধিকার আদায় ও নদী প্রবাহ...
সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল আরোহীকে মারধরের অভিযোগ
তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভুল অস্ত্রোপাচারে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
ভারতীয় জলদস্যুদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সুন্দরবন, আতঙ্কে জেলে-বাওয়ালিরা
পানিতে ভাসছিল দুই শিশুর মরদেহ
পাইকগাছায় উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত ​
পাটকেলঘাটায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দু’জন গ্রেফতার
পরিবেশ রক্ষায় শ্যামনগরের সুন্দরবন সেবা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ...
আশাশুনিতে বিরোধপূর্ণ জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগে হিন্দু সম্প্রদায়ের...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
উপ-সম্পাদকীয়

পদ্মা ব্যারেজ -পানির অধিকার আদায় ও নদী প্রবাহ ফেরানো

কর্তৃক Satnadee Satkhira সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ০ কমেন্ট 21 ভিউস

পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম এক প্রাণভোমরা, যা দেশের অধিকাংশ মানুষের জীবন ও জীবিকা তৈরি করে থাকে। কিন্তু এই নদীর মহিমান্বিত ভূমিকার অপর পাশেই রয়েছে এর রিক্ততার শিকার দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষের অনিশ্চিত জীবন। কেননা, বর্ষায় যে নদী পলি বয়ে আনে ও উপচে পড়ে সেই নদীই শুল্ক মৌসুমে শুকিয়ে, ক্ষীণ হয়ে প্রায় জলহীন এক চরে পরিণত হয়। এই বৈপরীত্যের কারণে তৈরি হয় পানির অভাব, পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, যা কৃষিজমিকে ধাবিত করছে মরুকরণের দিকে। এই সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে সরকার হাতে নিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প, পদ্মা ব্যারাজ। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল- কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটসহ প্রায় উনিশটি জেলা নিয়ে দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় সাঁইত্রিশ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত। সেখানে বাস করে দেশের বিশালসংখ্যক মানুষ। এই জনগোষ্ঠীর জীবিকা মূলত কৃষি ও মৎস্যনির্ভর, আর কৃষি নির্ভরশীল পদ্মা-অববাহিকার স্বাদু পানির প্রবাহের ওপর। এর ফলে পদ্মার পানি প্রবাহের সংকট বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মূলত, এই সংকটের পেছনে কাজ করছে ভারতের ফারাক্কা বাঁধ। এই বাঁধ নির্মাণের

কারণে ১৯৯৬ সালের পর পানি বণ্টন চুক্তি থাকা সত্ত্বেও দেশে পানি প্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছে। এর প্রত্যক্ষ ফলে শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটটি দেখা যায়, নদীর তলদেশ ভরাট হয়, নাব্যতা সংকট তৈরি হয়, এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত পানির প্রবেশ ঘটে। এছাড়া, মেঘনার মোহনা দিয়ে সমুদ্রের নোনা পানি প্রবেশ, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ইত্যাদি কারণে কৃষি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, সুপেয় পানির অভাব তৈরি হচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী কেবল স্থানীয় মানুষ নয়, বরং পরোক্ষভাবে শহর ও লোকালয়ের মানুষজনও।পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পটি দাঁড়িয়েছে মূলত তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে। প্রথমত, শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীতে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, যা কৃষি উৎপাদনশীলতা রক্ষা এবং ক্রমবর্ধমান মরুকরণ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, লবণাক্ততার আগ্রাসন হ্রাস করে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুপেয় পানি ও কৃষিজমির সুরক্ষা। তৃতীয়ত, সেচ সুবিধার সম্প্রসারণ, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। কিন্তু এই পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। সমালোচকদের প্রথম উদ্বেগ পলি-ব্যবস্থাপনা নিয়ে। ব্যারাজের ফলে উজানে পলি জমতে থাকলে নদীর তলদেশ ক্রমশ উঁচু হয়ে যাবে, যা প্রস্তাবিত স্থান পাংশা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত প্রায় একশ পঁয়তাল্লিশ কিলোমিটার এলাকায় বন্যা ও নদীভাঙন বাড়িয়ে দিতে পারে। এই আশঙ্কার পেছনে রয়েছে ফারাক্কা বাঁধের অভিজ্ঞতা, ভারতের অভ্যন্তরেই ফারাক্কার কারণে উজানে বিহারের পাটনা পর্যন্ত গঙ্গার তলদেশ উঁচু হয়ে উঠে, যার ফলে সেখানে বন্যা ও পাড়ভাঙন এতটাই তীব্র হয়েছে যে বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে ফারাক্কা বাঁধ ভাঙার দাবিতে আন্দোলন পর্যন্ত হয়েছে। একই প্রযুক্তিগত নীতিতে নির্মিত পদ্মা ব্যারাজও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় উদ্বেগটি হলো, এক অঞ্চলের সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে অন্য অঞ্চলে নতুন সংকট তৈরি হওয়ার ঝুঁকি। প্রস্তাবিত ব্যারাজের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমের যে পানি দক্ষিণ-পশ্চিমে সরিয়ে নেয়া হবে, ঠিক ততটুকু পানিই কমে যাবে দেশের মধ্যাঞ্চল ও মেঘনা মোহনার জন্য। এর ফলে আড়িয়াল খাঁসহ অন্যান্য নদীর প্রবাহ হ্রাস পেতে পারে, এবং মেঘনা মোহনা দিয়ে লবণাক্ততা আরও গভীরে প্রবেশ করার

আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ, একটি অঞ্চলের লবণাক্ততা সংকট সমাধান করতে গিয়ে অন্য অঞ্চলে একই সংকট স্থানান্তরিত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

তৃতীয় এবং সম্ভবত সবচেয়ে ভূরাজনৈতিক উদ্বেগটি হলো- এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক দর-কষাকষির সুযোগ সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। কারণ ব্যারাজ নির্মিত হলে ভারত বলতে পারবে যে পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমেই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, ফলে গঙ্গার শুষ্ক মৌসুমের প্রবাহে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা বৃদ্ধির দাবি দুর্বল হয়ে পড়বে।

সমালোচনার বিপরীতেই রয়েছে বিকল্প সমাধানের কৌশল। প্রথমত, আন্তর্জাতিক নদী ব্যবহার সংক্রান্ত জাতিসংঘের ১৯৯৭ সালের কনভেনশন স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করে তার আইনি ভিত্তিতে ভারতের কাছ থেকে গঙ্গার শুষ্ক মৌসুমের প্রবাহে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা বৃদ্ধির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা, এবং আসন্ন গঙ্গা চুক্তি নবায়নের সময় এই দাবি প্রতিফলিত করা।

দ্বিতীয়ত, গঙ্গার সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ শাখা নদীগুলোর সংযোগ পুনরুদ্ধার এবং সেসব নদীর ওপর নির্মিত প্রবাহ-বিঘ্নকারী কাঠামো অপসারণ করা। এখানে বড়াল নদের অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে। রাজশাহীর চারঘাটে ১৯৮৪ সালে পাউবো কর্তৃক নির্মিত ফ্লুইসগেটের কারণে বড়াল নদে গঙ্গার প্রবাহ প্রায় চার দশক ধরে বন্ধ ছিল। দীর্ঘদিনের পরিবেশ আন্দোলনের ফলে সম্প্রতি এই ব্লুইসগেট আংশিকভাবে খুলে দেয়ার পর প্রায় চল্লিশ বছর পর আবার গঙ্গার পানি এই নদীতে প্রবেশ করেছে। এই দৃষ্টান্ত থেকে বোঝা যায়, নতুন বিশাল অবকাঠামো নির্মাণের আগে অতীতে নির্মিত ক্ষতিকর কাঠামোগুলো অপসারণের মাধ্যমেও নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার সম্ভব। একইসাথে, এটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়সাপেক্ষ ও কম ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পকে সম্পূর্ণ কালো বা সাদা দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই। একদিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা সত্যিকার অর্থে সংকটাপন্ন, লবণাক্ততা, মরুকরণ এবং পানির অভাব এই অঞ্চলের মানুষের প্রতিদিনের বাস্তবতা। অন্যদিকে, প্রায় সাড়ে চৌত্রিশ হাজার কোটি টাকার এই বিনিয়োগ ফারাক্কার মতো নতুন এক সমস্যার জন্ম দিতে পারে।

অতএব, এই প্রকল্পের কার্যকারিতা তৈরিতে সচ্ছতা সবার উপরে। এছাড়া, প্রকল্পের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে ব্যাপক ও স্বাধীন পরিবেশগত সমীক্ষা প্রকাশ্যে না এনে, কেবল একটি প্রযুক্তিগত সমাধানের ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজন একটি সমন্বিত কৌশল, যেখানে অভ্যন্তরীণ নদী-সংযোগ পুনরুদ্ধার, আন্তর্জাতিক পানি-কূটনীতি জোরদার এবং অবকাঠামোগত হস্তক্ষেপ, এই তিনটি ধারা একসঙ্গে অগ্রসর হবে, কোনো একটির ওপর একচেটিয়া নির্ভরতা তৈরি না করে।

ফারাক্কার অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহে হস্তক্ষেপের পরিণতি প্রায়ই প্রকল্প প্রণয়নকারীদের প্রাথমিক হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। পদ্মা ব্যারাজ যদি বাস্তবিকই দক্ষিণ-

পশ্চিমাঞ্চলের ত্রাতা হয়ে উঠতে চায়, তবে তাকে সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে, স্বচ্ছতা, বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা এবং আঞ্চলিক ন্যায্যতাকে কেন্দ্রে রেখে। আজকের সমাধান যেন আগামী দিনের পূর্ণাঙ্গ টেকসই সমাধানের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে না যায়-তাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।

 

লেখক: শ্যামল শীল, সাবেক জবি শিক্ষার্থী ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা।

 

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল আরোহীকে মারধরের অভিযোগ
পরবর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরা পৌরসভায় বিএনপির টিকিট কার হাতে?

রিলেটেড পোস্ট

সচেতনতাই পারে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

মফস্বল সাংবাদিকদের আর কত আত্মহনন?

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সরকারি চাকরি ও শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট...

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

একটি কলম থেমে গেল—সম্পাদক জি এম নূর ইসলামের...

আগস্ট ২৭, ২০২৬

শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষায় ২+২ মডেলের বিপ্লব

আগস্ট ২৪, ২০২৬

সুন্দরবন: জীববৈচিত্র্যের আধার, উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকার আশ্রয়

আগস্ট ২১, ২০২৬

সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা

আগস্ট ২০, ২০২৬

শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষায় ২+২ মডেলের বিপ্লব

আগস্ট ৭, ২০২৬

আমিও অপরাধী

আগস্ট ১, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting