দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ৪:১৬
ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
“এজাহার আছে, আহত মানুষ আছে, সংবাদ সম্মেলন আছে—তবুও...
আশাশুনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত- ৪
আশাশুনিতে পানি কমিটির সদস্যদের নিয়ে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
খুলনায় মালিকের হাতে ফিরল ৫০টি হারানো মোবাইল ফোন
নোয়াখালীতে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
শ্যামনগরে জেন্ডার রেসপনসিভ গভর্নেন্স বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
 দেবহাটায় ভারতীয় গলদা চিংড়ি রেনু জব্দ, খালে অবমুক্ত
কালিগঞ্জে আটক আনিসুরের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা ও মতবিনিময়...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
স্বাস্থ্য

চেনা যে ওষুধগুলো আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে

কর্তৃক SK Ferdous এপ্রিল ২২, ২০২২
এপ্রিল ২২, ২০২২ ০ কমেন্ট 645 ভিউস

অনলাইন ডেস্ক :

জাহানারা বেগমের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে। ভাজা পোড়া বা তৈলাক্ত খাবার খেলেই তার পেটে ব্যথা বা গ্যাস তৈরি হয়। যখনই এরকম সমস্যা হয়, মোড়ের ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে খান।

‘এর জন্য আর ডাক্তারের কাছে কী যাবো? অনেকদিন আগে ডাক্তার দেখিয়েছিলাম, তিনি একবার ওই ওষুধ লিখে দিছেন। সমস্যা তো একই হয়, এখন হলে ওষুধটা কিনে এনে খাই,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন জাহানারা বেগম।

বাংলাদেশে কোনোরকম প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ কেনা নতুন কিছু নয়।

আইনে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধের বিক্রি বন্ধে নানারকম নির্দেশনা থাকলেও বেশিরভাগ ফার্মেসিগুলোই আর সেটা অনুসরণ করে না। কিন্তু শারীরিক কোনো সমস্যা তৈরি হলেই যারা নিজের ইচ্ছেমত ওষুধ কিনে খান, এসব ওষুধ তার স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে?

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ কেনেন ঢাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ

২০১৯ সালে ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের ওপর কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের চালানো একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৭ শতাংশের বেশি নাগরিক নিজেরা দোকান থেকে ওষুধ কিনে খেয়ে থাকেন।

ঢাকার একটি আবাসিক এলাকার ওষুধ দোকানের কর্মী হারুন উর রশিদ বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ‘অনেকেই এসে ওষুধ চান। কিন্তু প্রেসক্রিপশন দেখাতে বললে বলেন আনেন নাই বা বাসায় রয়ে গেছে। আমরাও চাই সবাই প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ওষুধ নিবেন, অনেকে নেনও। এখন আমরা যদি সেটা ছাড়া ওষুধ বিক্রি না করি, তাহলে আমাদের ব্যবসাই বন্ধ হয়ে যাবে।’

আবাসিক এলাকার দোকান হওয়ায় ক্রেতাদের অনেকেই পূর্ব পরিচিত বলে তিনি জানান। ফলে তাদের অনেকেই প্রায় নিয়মিতভাবে কিছু রোগের ওষুধ কিনে থাকেন।

‘তবে ক্ষতিকর বা সমস্যা তৈরি করতে পারে এমন ওষুধ আমরা প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেই না। যেমন ঘুমের ওষুধ, মানসিক রোগের ওষুধ আমরা প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করি না,’ তিনি বলছেন।

কিন্তু সব ফার্মেসির কর্মীরাই কোনোরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই সাধারণ সর্দি-কাশি, গা বা মাথা ব্যথা, জ্বর বা গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যার ওষুধ বিক্রি করে, সেটা তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন।

ইউনাইটেড হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ‘আমাদের দেশে ওভার দ্যা কাউন্টার ওষুধ কেনার প্রবণতা খুব বেশি। কারণ একে তো জনসংখ্যার তুলনায় ডাক্তার অনেক কম, ইকোনমিক অবস্থা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া, যাতায়াত করা- ইত্যাদি কারণে অনেকে গুরুতর অসুস্থ না হলে ডাক্তারের কাছে যান না। ওষুধের দোকানে গিয়ে সমস্যার কথা বলে ওষুধ চান। ফার্মেসির লোকজনও হাসিমুখে তাদের একটা ওষুধ দিয়ে দেন। কিন্তু এতে অনেক রকম সমস্যার তৈরি হতে পারে।’

‘কারণ যেকোনো ওষুধের নিজস্ব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তো থাকেই, সেই সঙ্গে সেই রোগী অন্য কোনো ওষুধ খেলে সেটার সাথে সমস্যা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী না খেলে ওষুধে উল্টো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে,’ বলছেন অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা।

বাংলাদেশের ওষুধের দোকানগুলো থেকে অনেকটা নিয়মিতভাবে বিনা প্রেসক্রিপশনে কেনা হয়, এমন কয়েকটি ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব তিনি তুলে ধরেছেন।

প্যারাসিটামল
অনেকে ব্যথা বা জ্বর হলে জন্য এসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামল খেয়ে থাকেন।

জ্বর বা শরীর ব্যথার কারণে অনেক সময় চিকিৎসকরা প্যারাসিটামল লিখে থাকেন। বিভিন্ন কোম্পানি এটি নানা নামে বিক্রি করে থাকে।

‘কীভাবে, কতদিন খেতে হবে, সেটা আমরা উল্লেখ করে দেই। কিন্তু পরে রোগীরা জ্বর বা গা ব্যথা হলেই এটা কিনে খেতে থাকেন। ফলে একসময় এটা কার্যক্ষমতা হারায়।

প্যারাসিটামল বা এসিটামিনোফেন দীর্ঘদিন খেলে যকৃতের ক্ষতি হতে পারে।

অ্যাসপিরিন
অ্যাসপিরিন খুব প্রয়োজনীয় একটি ওষুধ আবার একই সঙ্গে এটা বিপদজ্জনকও। বয়স্ক মানুষ, যাদের হার্টের অসুখ আছে, ডায়াবেটিস আছে- তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা, সেটাও পর্যবেক্ষণ করা হয়।

কিন্তু ইচ্ছেমত এ ওষুধটি খাওয়া হলে একপর্যায়ে আমাদের খাদ্য থলি ছিঁড়ে যায়। তখন রক্তক্ষরণও হয়। অনেক সময় আমরা দেখি, রোগীরা নিজে নিজে ওষুধটি খেয়ে খেয়ে একসময় পায়খানার পথে বা মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে আমাদের কাছে আসেন।

ওমিপ্রাজল বা গ্যাসের ওষুধ

ড. কানিজ মওলা বলছেন, বাংলাদেশে মুড়ি-মুড়কির মতো যে ওষুধ খাওয়া হয়, সেটি হলো গ্যাসের ওষুধ। সাধারণত রেনিটিডিন বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের বিভিন্ন নামের ওষুধ বিক্রি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়াই, পেটে কোনো সমস্যা হলেই মানুষজন এই ওষুধ কিনে খেতে শুরু করেন।

‘অনিয়ন্ত্রিতভাবে এই ওষুধটি খেলে তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাসের কষ্ট হয়তো কমে। কিন্তু অনেকের লুজ মোশন হয়। তখন শরীরের পুষ্টি বেরিয়ে যায়, আয়রন গ্রহণের ক্ষমতা কমে যায়, শরীর প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টি পায় না। রোগীদের শরীরে রক্তশূন্যতারও তৈরি হতে পারে।’

দীর্ঘদিন ধরে এসব ওষুধ খেলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা কমে যায়। তখন অ্যাসিডের কারণে যেসব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যেতে, সেটা আর হয় না। ফলে শরীরে সংক্রমণ বেড়ে যায়। আবার অ্যাসিডের অভাব ক্যালসিয়াম দ্রবীভূত হয় না, ফলে হাড়ের ক্ষয় বাড়ে।

ডাইক্লোফিনাক বা ব্যথানাশক ওষুধ
গা ব্যথা, হাত-পা ব্যথা বা মাথা ব্যথার জন্য অনেকে নানা ধরণের ব্যথা নাশক ওষুধ খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোনো কারণে ব্যথা পেলে ফার্মেসি থেকে আইবুপ্রোফেন অথবা ডাইক্লোফিনাক জাতীয় ওষুধ কিনে খেতে শুরু করেন।

‘এটা পেটের সমস্যা তৈরি করতে পারে, পাকস্থলীর ক্ষতি করতে পারে, রক্তক্ষরণ হতে পারে। অনেকের হাতে-পায়ে পানি চলে আসে, ফুলে যায়,’ বলছেন ড. মওলা।

এসব ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে অ্যানালজেসিক নেফ্রোপ্যাখি, গ্যাস্ট্রোইনটেসটাইনাল ব্লিডিং হতে পারে। অনেকের হজম শক্তি কমে যায়, আলসার হয়, ওষুধে নেশাগ্রস্তও হয়ে পড়তে পারেন।

অ্যান্টিবায়োটিক
অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বলছেন, প্রতিটা অ্যান্টিবায়োটিকের একেক ধরনের প্রতিক্রিয়া আছে। লুজ মোশন হতে পারে, র‍্যাশ উঠতে পারে, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা, ঝাপসা দেখার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। এই ওষুধটি কখনোই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত না।

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা মানা হয় না।

ড. কানিজ মওলা বলছেন, ‘নিয়ম মেনে না খেলে, মাঝপথে বন্ধ করে দিলে তার শরীরে ওই ওষুধের বিরুদ্ধে একটা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। সারা জীবনেও আর এই ওষুধে তার শরীরে কোনো কাজ হবে না। তখন দেখা যায়, চিকিৎসকরা ওষুধ দিলেও সেটা কাজ করে না।’

সেই সঙ্গে একটা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের সঙ্গে অন্যান্য আরো রোগের সম্পর্ক আছে। ফলে এ ধরনের ওষুধ দেয়ার আগে আরো অনেক বিষয় বিবেচনার দরকার রয়েছে।

মেট্রোনিডাজল
অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বলছেন, বাংলাদেশের আরেকটি খুব কমন ওষুধ হলো মেট্রোনিডাজল গ্রুপের ওষুধ। পেট খারাপ হলেই এটা কিনে খেয়ে ফেলেন। এটি এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক।

এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় র‍্যাশ ওঠার পাশাপাশি রোগীর কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তখন তিনি আরেকটা সমস্যায় পড়বেন। তার রক্তক্ষরণ, পেটে ব্যথার সমস্যা হতে পারে। বেশি শক্ত পায়খানা হলে মলদ্বার ফেটেও যেতে পারে।

আবার অনেকে অনেকে পায়খানা নরম করার জন্য ল্যাক্সেটিভ জাতীয় ওষুধ খান। কিন্তু বেশি খেয়ে ফেললে শরীরের ইলেট্রোলাইট ইমব্যালান্স হয়ে যেতে পারে।

ক্লোরফেনিরামিন ম্যালেট
জেনেরিক নাম ক্লোরফেনিরামিন ট্যাবলেট হলেও সবার কাছে হিস্টাসিন নামেই বেশি পরিচিত। এটি একপ্রকার অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ। অ্যালার্জি বা সর্দি-কাশির জন্য অনেকে খেয়ে থাকেন।

ড. মওলা বলছেন, এই ওষুধ ওভার দ্যা কাউন্টার খেলে হয়তো তেমন ক্ষতি নেই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে খেলে এটার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

আরো কিছু বিপজ্জনক ওষুধ
অনেক সময় অনেকে গলার সমস্যায় ফার্মেসি থেকে থাইরয়েডের বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ কিনে খান। কিন্তু থাইরয়েডের সমস্যায় হাইপো বা হাইপার-দুই রকমের সমস্যা হতে পারে।

‘দেখা গেল, হাইপার সমস্যায় তারা হাইপোর ওষুধ দিয়ে দিলো বা হাইপোর সমস্যায় হাইপার ওষুধ। তখন রোগীর ক্ষেত্রে উল্টো রিঅ্যাকশন ঘটবে,’ বলছেন ড. মওলা।

স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খেলে শরীরের নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। মোটা হওয়ার জন্য অনেকে এসব ওষুধ খেলে সারাজীবনের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। আবার এটা হঠাৎ বন্ধ করে দিলে এডিসনিয়ান ক্রাইসিস তৈরি হতে পারে, যাতে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বলছেন, বাংলাদেশে দেখা যায় ঘুমেরও ওষুধও প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করে। সেটা একেবারেই ঠিক নয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এড়াতে অনেকে বাড়িতে বসে আইভি ইনজেকশন নেন। এটা একেবারেই ঠিক না। কারণ স্যালাইনে মারাত্মক রিঅ্যাকশন হতে পারে।

চিকিৎসকরা যে পরামর্শ দিচ্ছেন
প্রচলিত ও সাধারণ এসব ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

– ব্যথার মতো খুব জরুরি সমস্যা হলে একটি বা দুইটি জরুরি ওষুধ দোকান থেকে কিনে খেলেও, খুব দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

– অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় কোনো ওষুধ নিজে থেকে বা ফার্মেসির কর্মীদের পরামর্শে খাওয়া যাবে না।

– জ্বর, পেটে ব্যথা বা শারীরিক যেকোনো সমস্যায় নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

– যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও মেয়াদ দেখে নিন।

– ওষুধ কেনার সময় প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ওষুধ কিনুন।

সূত্র : বিবিসি

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
একসঙ্গে দুই প্রেমিকাকে ঘরে তুললেন যুবক
পরবর্তী পোস্ট
হেলমেটধারী ওরা কারা ?

রিলেটেড পোস্ট

কলারায়ায় কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতির  জনসচতনামূলক সভা

মে ২৪, ২০২৬

আরও ১২ নিয়ে হামে মৃত্যু ৫১২

মে ২৩, ২০২৬

নোয়াখালীতে ডায়াবেটিস সচেতনতায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

মে ২২, ২০২৬

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫০০ ছুঁই ছুঁই

মে ২২, ২০২৬

নোয়াখালীতে স্যাকমোর ভুল চিকিৎসায় হাম আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু

মে ২২, ২০২৬

হাম কেড়ে নিলো ৬ শিশুর প্রাণ , মোট...

মে ২০, ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু,...

মে ১৯, ২০২৬

হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু, এপর্যন্ত প্রাণহানি...

মে ১৬, ২০২৬

হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, এ পর্যন্ত মৃত্যু...

মে ১৪, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting