
শাহিনুর রহমান ও আরাফাত হোসেন :স্থানীয় ভাবে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় এক নায়েবকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে তালা উপজেলার সরুলিয়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসে ঘটনাটি ঘটে ।ভুক্তভোগীর নায়েবের নাম তারক চন্দ্র মন্ডল । তিনি সরুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত । এ ঘটনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী তারক চন্দ্র মন্ডল বলেন, বেশকিছুদিন যাবত কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। সম্প্রতি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁর নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন লোককে মিথ্যা ভাবে সাজিয়ে কুৎসা রটনা করা হচ্ছে । এছাড়া ইদানিং একটি চক্র তাকে সাংবাদিক পারিচয় দিয়ে হয়রানী করে আসছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন,মঙ্গলবার সকালে তার কাছে কিছু লোক একটি মিউটেশন করার জন্য আসে। ওই সময় তারা নিজেদের সংবাদ কর্মী হিসাবে দাবী করে মিউটেশনটি অবধৈভাবে করে দিতে বলে ।তাদের অবৈধ দাবি মেনে নিতে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবী করেন।
তারক মন্ডল আক্ষেপ করে বলেন, আমার কাছে আসা প্রতিদিন সেবা নিতে অনেক লোকজন আসে । যদি কেউ সাংবাদিক পরিচয় দেয় তাহলে তার কাজটি গুরত্বরের সাথে দেখি । এছাড়া নানা সাংবাদিকদের নানা অনুষ্ঠানে অফিস থেকে সাধ্যমত সহযোগিতা করে থাকি ।
স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যান্ত পাটকেলঘাটার ভূমি অফিসে কথিত সাংবাদিকদের আনাগেনা ঘটে। প্রতিদিন কেউ কেউ অফিসের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে । টাকা না দিলে পড়তে হয় তাদের রোষানালে । মনগড়া কাহিনী লিখে ছাড়া হয় ফেসবুকে এরপর দর কসাকসি করে তা আবার ডিলিট করা হয় । এভাবে প্রতিনিহত হয়রানী হচ্ছে সাধারণ সেবাগ্রহিতরা । প্রশাসনের এখনই উচিত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া। না হলে মুলধারার সাংবাদিকের উপর থেকে আস্থা হারাবে সাধারণ জনতা ।
এ বিষয়ে তালা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি ) রাহাত খান বলেন, তারক মন্ডলের বিরুদ্ধে সুনির্দষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

