দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সোমবার | ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১১:৫৯
গোবরদাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
বরাদ্দের সাড়ে চার কোটির আড়াই কোটি ভাগা-ভাগি
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
কালিগঞ্জে জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন
আগরদাঁড়ীতে নিজ উদ্যোগে এলজিইডি রাস্তা সংস্কার করে দৃষ্টান্ত...
মাদককে লাল কার্ড দেখাতে শিবপুর আবাদের হাটে জমজমাট...
খুলনায় শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস
ধুলিহর আর্দশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন
সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনা...
খুঁড়ে ফেলে রাখা দুই শতাধিক সড়কে চরম দুর্ভোগে...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
খুলনা

খুঁড়ে ফেলে রাখা দুই শতাধিক সড়কে চরম দুর্ভোগে খুলনাবাসী

কর্তৃক Satnadee Satkhira জুন ২৯, ২০২৬
জুন ২৯, ২০২৬ ০ কমেন্ট 11 ভিউস

মেহেদী হাসান: খুলনা মহানগরজুড়ে আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে খুলনা ওয়াসা। ২ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার এই প্রকল্প শেষ হলে নগরীর হাজারো পরিবার আধুনিক স্যুয়ারেজ সুবিধার আওতায় আসবে। কিন্তু সেই উন্নয়নকাজ এখন নগরবাসীর জন্য আশীর্বাদের চেয়ে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পয়োনিষ্কাশন পাইপলাইন বসানোর জন্য নগরীর শত শত সড়ক খুঁড়ে রাখা হয়েছে। কোথাও ম্যানহোল বসানোর পর মাসের পর মাস ফেলে রাখা হয়েছে, কোথাও পাইপ বসানোর পরও হয়নি কংক্রিট ঢালাই। ফলে বছরের পর বছর ধরে ধুলাবালি, কাদা, জলাবদ্ধতা আর দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন নগরবাসী।

ওয়াসা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৭১টি সড়ক সংস্কার করা হলেও এখনও দুই শতাধিক সড়ক বেহাল অবস্থায় রয়েছে। কোনোটি তিন মাস, কোনোটি ছয় মাস, আবার কোনোটি প্রায় দেড় বছর ধরে সংস্কারের অপেক্ষায়।

খুলনা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মহানগরীর গৃহস্থালি ও শিল্পকারখানার অধিকাংশ পয়োবর্জ্য অপরিশোধিত অবস্থায় উন্মুক্ত পরিবেশে গিয়ে পড়ছে। এ সমস্যা সমাধানে ২ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক স্যুয়ারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সংস্থাটি।

প্রকল্পের আওতায় নগরীর ১৫ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ২৭ হাজার বাড়ির পয়োবর্জ্য সংগ্রহ করে শোধনাগারে নেওয়া হবে। এজন্য ২৫৫ কিলোমিটার পাইপলাইন, প্রায় ১২ হাজার ৪৯০টি ম্যানহোল, ২৭ হাজার গৃহসংযোগ, দুটি শোধনাগার এবং আটটি পাম্প স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে।

ওয়াসার তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ২১৫ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন এবং প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ম্যানহোল নির্মাণ শেষ হয়েছে। তবে পাইপ বসানোর জন্য যেসব সড়ক কাটা হয়েছে, সেগুলোর বড় একটি অংশ এখনও আগের অবস্থায় ফেরেনি।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলো সংস্কারের জন্য খুলনা সিটি করপোরেশনকে (কেসিসি) ১১২ কোটি টাকা দিয়েছে ওয়াসা।
ওয়াসার দাবি, এই অর্থ দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত সব সড়ক সংস্কারের কথা ছিল। কিন্তু কেসিসি পরে মোট ৬৪১ কোটি টাকা দাবি করলে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়।
এরপর থেকেই শুরু হয় চিঠি চালাচালি, বৈঠক আর দায় ঠেলে দেওয়ার পালা। ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান হয়নি। ওয়াসার দাবি, ১৪ কোটি টাকা দিয়েই শেষ হবে ছোট সড়কের কাজ

খুলনা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক খান সেলিম আহমেদ বলেন, কেসিসিকে আমরা ১১২ কোটি টাকা দিয়েছি। তারা ইতোমধ্যে প্রায় ৯৮ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এখনও প্রায় ১৪ কোটি টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। এই অর্থ দিয়ে ১৯৫টি ছোট সড়কে কংক্রিট ঢালাই করে এক মাসের মধ্যেই চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব। যদি কেসিসি কাজ না করে, তাহলে টাকা আমাদের ফেরত দিক। আমরা নিজেরাই কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে কেসিসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আশা করছি দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানো যাবে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান বলেন, ম্যানহোল বসানোর জন্য ২০ ফুট পর্যন্ত গর্ত খোঁড়া হয়েছে। এতে আশপাশের সড়কও ধসে পড়েছে। অনেক জায়গায় পুরো সড়কই নতুন করে নির্মাণ করতে হচ্ছে। এজন্য ব্যয় অনেক বেড়েছে। সেই কারণেই অতিরিক্ত অর্থ চাওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, ছোট সড়কগুলো চাইলে ওয়াসা নিজেরাই সংস্কার করতে পারে। তবে বড় সড়ক মেরামতের অভিজ্ঞতা তাদের নেই। সব টাকা ফেরত দিয়ে দিলে বড় সড়কগুলোর সংস্কারও অনিশ্চিত হয়ে যাবে।

নগরীর শেখপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার বাসিন্দা আমির সোহেল বলেন, দেড় বছর আগে আমাদের গলিতে পাইপ বসানো হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল দুই মাসের মধ্যে রাস্তা ঠিক হবে। কিন্তু আজও রাস্তা আগের অবস্থায় ফেরেনি। মোটরসাইকেল বাড়ির সামনে আনতে পারি না। অন্যের বাড়িতে রেখে হেঁটে আসতে হয়।

২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়াপাড়া দ্বিতীয় গলির বাসিন্দা আকবর হোসেন বলেন, রিকশা তো দূরের কথা, হেঁটেও চলা যায় না। বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা কাদায় ভরে যায়। শিশু, বৃদ্ধ সবাই কষ্টে আছে।
নগরীর ১৭, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন এমন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

অর্ধসমাপ্ত ম্যানহোল, অসমান সড়ক, কংক্রিটবিহীন গর্ত এবং বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে মোটরসাইকেল ও রিকশা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। রাতের বেলায় অনেক স্থানে পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকায় পথচারীরাও বিপাকে পড়ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়নকাজের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাদের আপত্তি নেই। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পরও মাসের পর মাস রাস্তা ফেলে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকলে উন্নয়নের সুফল ম্লান হয়ে যায়। খুলনায়ও সেই চিত্রই স্পষ্ট। একদিকে ওয়াসা বলছে, অর্থ দেওয়া হয়েছে; অন্যদিকে কেসিসি বলছে, সেই অর্থ যথেষ্ট নয়। আর এই দ্বন্দ্বের মাঝখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

নগরবাসীর প্রত্যাশা, কেসিসি ও ওয়াসা দ্রুত মতবিরোধের অবসান ঘটিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেবে। কারণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্দেশ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন নতুন করে দুর্ভোগ সৃষ্টি করা নয়।

দুই প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক জটিলতা যত দীর্ঘায়িত হবে, ততই বাড়বে নাগরিক ভোগান্তি। আর সেই ভোগান্তির দায় শেষ পর্যন্ত কার সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে খুলনাবাসীর মনে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা
পরবর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও রাস্তা প্রশস্তের দাবিতে মানববন্ধন

রিলেটেড পোস্ট

পাইকগাছায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও বৃক্ষ...

জুন ২৫, ২০২৬

কাঠালতলা বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন

জুন ২৫, ২০২৬

খুলনায় মালিকের হাতে ফিরল ৫০টি হারানো মোবাইল ফোন

জুন ২৩, ২০২৬

পাইকগাছায় একটি সড়কের হোল দশা

জুন ২১, ২০২৬

অভিযোগের মুখে খুলনার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বদলি

জুন ২১, ২০২৬

খুলনায়  গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার

জুন ২১, ২০২৬

আরো একটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে —...

জুন ২০, ২০২৬

“জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে”-...

জুন ২০, ২০২৬

গণভোটের রায় না মানলে জনগণ সরকারকে নামিয়ে দেবে-...

জুন ২০, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting