দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | সকাল ১১:২৯
সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সম্ভাবনা
পাইকগাছায় মাদক ও অপহরণ মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৪:...
পাইকগাছায় অসাধু চিংড়ি ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও দেড় লাখ...
আনুলিয়ায় চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকি, মাছ লুট ও জবর...
সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকা-মাল ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন:...
কলারোয়ায় পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু
কায়রোর আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাতক্ষীরার প্রজ্ঞা
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া: আশার আলো...
চার দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় ভূমিহীনদের পথসভা
তালায় বর্ণিল চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
খুলনা

কেশবপুরে ভরত ভায়নায় অবস্তিত ঐতিহাসিক ভরত রাজার দেউল

কর্তৃক kobirubel.satnadee ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ০ কমেন্ট 394 ভিউস

আবু হাসান, কেশবপুর থেকে: খুলনা-যশোর সীমান্তে কেশবপুর উপজেলার ভদ্রা নদীর পশ্চিম তীরে ভরত ভায়না গ্রাম। সেখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আনুমানিক দেড় হাজার বছরেরও বেশি আগের এক পুরাকীর্তি। অনেকটা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মতো দেখতে এই প্রতœতত্ত্ব নিদর্শনটি স্থানীয় জনগণের কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ ভরতের দেউল বা ভরত রাজার দেউল নামে পরিচিত। প্রতœতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা এখানকার ব্যবহৃত ইট ও প্রাপ্ত বিভিন্ন পোড়ামাটির মূর্তি গবেষণা করে নিশ্চিত হয়েছেন এটি খ্রিষ্টীয় তিন থেকে ছয় শতকে  নির্মিত একটি মন্দির। ১৯২২ সালে ভারতের প্রতœতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ এই ঢিবি সংরক্ষণ করে। ১৯২৩ সালে কশিনাথ দীক্ষিত ঢিবিতে জরিপ পরিচালনা করেন এবং মন্তব্য করেন যে ঢিবির নিচে পাঁচ শতকের প্রাচীন একটি বৌদ্ধমন্দির আছে এবং এটি সম্ভবত হিউয়েন-সাং বর্ণিত সমতটের ৩০টি সংঘারামের একটি।প্রাচীন মন্দিরটি ভরত নামধারী এক প্রভাবশালী রাজা নির্মাণ করেছিলেন বলে প্রচলিত। অনুমিত মূল মন্দিরটি ১ একর ২৯ শতক জমির ওপর অবস্থিত। বাংলাদেশ সরকারের প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৯৮৫ সালে প্রথম এই ঢিবি খনন করে। এক দশক পর ১৯৯৫-৯৬ সালে পুনরায় এখানে খনন করা হয়। তখন থেকে ১৯৯৬-৯৭ বাদে ২০০০-০১ পর্যন্ত প্রতি মৌসুমে খননকাজ অব্যাহত থাকে। খনন এখনো শেষ হয়নি।খননের ফলে একটি স্থাপনার ধ্বংসাবশেষের অংশবিশেষ উন্মোচিত হয়েছে, যা থেকে অনুমান করা হয় যে স্থাপনাটির উপরিকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানের দৃশ্যমান অংশ সম্ভবত বিনষ্ট হওয়া অট্টালিকার ভিত্তি বা উঁচু মঞ্চ। প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের করা স্কেচ থেকে দেখা যায়, মোট ৮২টি বদ্ধ প্রকোষ্ঠ ধাপে ধাপে ওপরের দিকে উঠে গেছে। ঢিবির শীর্ষ ধাপটির দেয়াল ৯ ফুট প্রশস্ত। এর মধ্যে ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি প্রস্থের বর্গাকৃতির চারটি প্রকোষ্ঠ আছে। মূল অট্টালিকার প্রধান কক্ষটি এই প্রকোষ্ঠের ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপের দেয়াল ৩ ফুট চওড়া, এখানে বিভিন্ন আকৃতির ১৯টি প্রকোষ্ঠ আছে। ৩ ফুট ৯ ইঞ্চি চওড়া দেয়ালের তৃতীয় ধাপে প্রকোষ্ঠ ১৮টি। সাড়ে ৩ ফুট চওড়া দেয়ালের চতুর্থ ধাপটিতে ১৯টি বদ্ধ প্রকোষ্ঠ আছে। শেষ ধাপে ১০ থেকে ১৩ ফুট চওড়া দেয়ালের মধ্যে ২২টি বদ্ধ প্রকোষ্ঠ আছে। তার নিচে প্রায় ১০ ফুট চওড়া প্রদক্ষিণ পথ আছে। মূল মন্দিরের চারদিকে চারটি প্রবেশপথ আছে। এগুলোর মধ্যেও এখন পর্যন্ত সাতটি প্রকোষ্ঠ দেখা গেছে। গঠনশৈলী বিবেচনায় পূর্ব দিকটাই এর মূল প্রবেশপথ ছিল বলে ধারণা করা হয়।এর নির্মাণে যে ইট ব্যবহার করা হয়েছে, তার পরিমাপ ৩৬ সেন্টিমিটার, ২৬ সেন্টিমিটার ও ৬ সেন্টিমিটার। এত বড় ইট এই অঞ্চলের কোনো পুরাকীর্তিতে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়নি।স্থাপত্যিক ধ্বংসাবশেষ ছাড়াও গুপ্তযুগের একটি পোড়ামাটির মাথা, পোড়ামাটির মানুষের হাত ও পায়ের কয়েকটি ভগ্ন টুকরা, কয়েকটি মাটির প্রদীপ, অলংকৃত ইটের টুকরা, পদচিহ্ন-সংবলিত দুটি ইটের টুকরা এবং একটি মাটির ক্ষুদ্র পাত্র সংগৃহীত হয়েছে, যা খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে রক্ষিত আছে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
কলারোয়ায় ইউএনও একাদশ বনাম সুধী একাদশের প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত
পরবর্তী পোস্ট
শীতের রাতে সদর এমপি রবির পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ

রিলেটেড পোস্ট

৪ হাজার ২৬১ কোটির রেলপথ, গন্তব্যে ছুটছে মাত্র...

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

খুলনা মেডিকেলে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগের প্রতিবাদে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

ডাম্পিং গ্রাউন্ড না থাকায় গ্যারেজে পড়ে নষ্ট কোটি...

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

ভৈরবের ভাঙনে ঘরহারা মানুষ, এবার মেয়েদের বিয়েতেও বাধা

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

ভাত চুরির অভিযোগ থেকে আজমুলের মৃত্যু: ৬০ ঘণ্টা...

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

সরকারি সরবরাহে ওষুধ, তবু বাইরে থেকে কিনছেন রোগীরা

সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

খুমেকের ক্যান্টিনে ‘অদৃশ্য’ হাত, মিলছে না মালিকের হদিস

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

খুলনায় ডাবের দামে পুড়ছে পকেট

সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting