
নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশুনির প্রতাপনগরে গভীর নলকূপ দেওয়ার প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কল্যাণপুর গ্রামের আছাফুর রহমান।
তিনি বলেন, কল্যাণপুর গ্রামের রহমত উল্লার সানার ছেলে লাবসা ইমদাদুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম আশাশুনি সদরে বসবাস করা কালে একটি এনজিও এর মাধ্যমে গ্রামের কয়েকজন কে গভীর নলকূপের ব্যবস্থা করে দেয়।এরপর সে গ্রামে আরও নলকূপের ব্যবস্থা করে দেবে আশ্বস্ত করলে আমি সহ আমাদের গ্রামের আইয়ুব আলী মোল্যা, মোঃ আনারুল হক, আবুল হোসেন, ইসহাক আলী সানা, আছাফুর রহমান, মোঃ আমজেদ সানা, বাবুরালী মিস্ত্রী ও শ্রীপুর গ্রামের আমের আলী লস্কর ও প্রতাপনগরের শহিদুল্লাহ সহ মোট ২৯ জন মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা হারে মোট ২ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা প্রদান করি। টাকা নেওয়ার পর থেকে আজ দেবো কাল দেবো করে নলকূপ ও টাকা কোন কিছু না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে।
এক পর্যায়ে শফিকুল ইসলাম গ্রামের বাড়িতে আসা বন্ধ করে দেয়। গত ৩ এপ্রিল দুপুরে শফিকুল গোপনে এলাকায় আসে। জানতে পেরে আমি আনারুল ও আবুল শফিকুল কে কল্যানপুর দারুস সালাম সানা মসজিদের সামনে তার কাছে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে সে টাকার কথা অস্বীকার করে আমাদের বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়া সাহেস্তা করবে বলিয়া ভয়ভীতি দেখায়।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি ওই প্রতারক শিক্ষক আশাশুনি থানায় আমাদের নামে একটি সাধারন ডায়রী করেছে। প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ওই প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সহ ২৯ জনের প্রদেয় টাকা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা।

