
#নারকেল গাছের চারা ও বাঁশ বিতরণে অনিয়ম
# সরকারি খাতায় বেশি মূল্য দেখিয়ে কম মূল্যে মালামাল ক্রয় করেছেন কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ
নিজস্ব প্রতিবেদক :সাতক্ষীরায় ছয় হাজার নারকেল গাছের চারা বিতরণে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সদর কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।সরকারি খাতায় বেশি মূল্য দেখিয়ে কম মূল্যে মালামাল ক্রয় করা হয়েছে এমন দাবী স্থানীয়দের। এ প্রকল্প থেকে তিনি ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা লোপাট করছে বলে সাতনদীর অনুসন্ধানে রেরিয়ে এসেছে ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপনের আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ১২শ কৃষকের মধ্যে ছয় হাজার পিচ নারকেল গাছের চারা বরাদ্ধ পান। প্রতি পিচ নারকেল গাছের চারার সাথে পঞ্চাশ টাকা মুল্যের এক পিচ করে বাঁশের টুকরা এবং কৃষক প্রতি ছয়শ টাকার সার বিতরনের নির্দেশনা রয়েছে। নিদের্শনা অনুযায়ী বিতরণ করা হলেও। সেখানে শুভঙ্করের ফাঁকি ধরা পড়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে , ছয়শ টাকার সারের জায়গায় চারশ আশি টাকার সার ও প্রতি পিচ পঞ্চাশ টাকা মুল্যের বাঁশের জায়গায় দশ টাকা মুল্যের বাঁশ সরবরাহ করা হয়েছে। অর্থাৎ বাঁশ কান্ডে লোপাট করা হয়েছে দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা ও সারে একলক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার টাকা এমন অভিযোগ সাধারণ কৃষকদের। সরকারি নির্দেশনায় জৈব সার (গোবর)ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেটি অনুসরণ করা হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, কৃষকদের সাথে কথা বলেই করা হয়েছে। এর বেশি জানতে অফিসে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্য দপ্তরের বিষয়। এটা নিয়ে পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
অনিয়মের বিষয়ে খামার বাড়ির অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন বলেন, চারার সাথে যে বাঁশ সরবরাহ করা হয়েছে সেটি মান সম্মত না এবং মুল্যের কথা যদি বলা হয় তাহলে প্রতি পিচ বাঁশের মুল্য সর্বোচ্চ দশ টাকা হবে।

