
নিজস্ব প্রতিবেদক: দাঁতভাঙ্গা কলেজের অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে
খবর প্রকাশের জেরে সাতনদী সম্পাদকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার দুপুর দুইটার দিকে হাফিজের নেতৃত্বে পৌরসভা ভবনের মধ্যে
এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় এজাহার জমা দেয়া
হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৪ ও ২৫ সালে দাঁতভাঙ্গা
কলেজের অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে সিরিজ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়
দৈনিক সাতনদীতে। তৎকালীন অধ্যক্ষকে সরিয়ে কলেজটিতে অধ্যক্ষ হতে
চান শিক্ষক নাসিরউদ্দীন এমন একাধিক অনুসন্ধানী খবর প্রকাশ করা
হয়। বিগত আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য বীর মোস্তাক আহমেদ রবির
সাথে যোগসাজস করে শিক্ষক নাসির উদ্দীন কলেজটিতে শিক্ষক
হিসেবে এমপিও ভূক্ত হন। এর পূর্বে কলেজে অনিয়মিত ছিলেন শিক্ষক
নাসির উদ্দীন। এমন সব খবর দৈনিক সাতনদীতে প্রকাশিত হয়। এতে
ক্ষুব্দ হন শিক্ষক নাসির উদ্দীন। পরবর্তীতে তৎকালীন অধ্যক্ষকে একাধিক
সাজানো হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠাতে নেপথ্য
নায়ক ছিল নাসির উদ্দীন্য। নাসির উদ্দীন এখন এই দাতভাঙ্গা কলেজের
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। শিক্ষক নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে খবর প্রকাশের জেরে
প্রকাশ্য হুককি দিতে থাকে হাফিজ। হাফিজের বাড়ী শ্যামনগর থানার
গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা গ্রামে। তার পিতার নাম খবির উদ্দীন।
বর্তমানে সে সদর উপজেলার খড়িবিলা অঞ্চলে বসবাস করে।
রবিবার দুইটার সময় হাবিবুর রহমান পৌরসভায় প্রবেশকালে
হাফিজ সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন তার গতিরোধ করে কৈফিয়ত চায় তার
জামাইয়ের বিরুদ্ধে সাতনদীতে কেন খবর ছেপেছিলাম। পরে পৌরভবনে
প্রবেশ করে ১১৪ নং কক্ষে অবস্থিত কথাবার্তা কর্মচারীদের সাথে
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে ঠিক
দুইটার সময় আচমকা ১১৪ নম্বর রুমে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সঙ্গী
প্রবেশ করে হাবিবুর রহমানকে বলতে থাকে। আমার বিরুদ্ধে কি
নালিশ করছি। এ সব বলতে বলত হাফিজ হাবিবুর রহমানের চোখ মুখে
কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করে। হাফিজ হাবিবুর রহমানকে মাটিতে
ফেলে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। হাবিবুর রহমান মুখে,
ঠোটে, বুকে, ঘাড়ে ও গলায় রক্তাক্ত জখম হয়। হামলার শিকার হাবিবুর
রহমান তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে ৯৯৯ লাইনে ফোন দিলে
হামলাকারীরা সটকে পড়ে। সদর থানা পুলিশ দু’দফায় ফোন করে
হাবিবুর রহমানের খোজ খবর নেন। পরে তিনি সাতক্ষীরা সদর
হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
সন্ধ্যারাতে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি তদন্তের নিকট এজাহার জমা দেন।

