দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শনিবার | ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১লা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ১০:৫৬
বিআরটিএ হালিশহরের ডিডি তৌহিদুলকে অপসারন দাবি
পুলকের মৃত্যু নিয়ে তরুণ রিপোর্টারদের সতর্কবার্তা
তালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে...
দেবহাটায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন
মফস্বল সাংবাদিকদের আর কত আত্মহনন?
সাতক্ষীরায় আইন মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা...
সাতক্ষীরায় কুষ্ঠরোগ সচেতনায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কলারোয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন
সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন
নোয়াখালীতে দুই আবাসিক হোটেল থেকে ১৮ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
তালাপাটকেলঘাটালিড নিউজসাতক্ষীরা জেলা

শত বছরের ঐতিহ্যে আজও সরব খলিষখালীর দুধের হাট

কর্তৃক Satnadee Satkhira সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ ০ কমেন্ট 18 ভিউস

#প্রতিদিন কেনাবেচা ২০০-৩০০ মণ

# দুধ বিক্রির টাকায় বাড়তি আয়ের ভরসা বহু পরিবারের

মোজাফফর রহমান:

শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিষখালী বাজার। সময়ের সঙ্গে বাজারের চেহারা বদলেছে, বেড়েছে মানুষের আনাগোনা, গড়ে উঠেছে নতুন নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। তবে ভোর হলেই ফিরে আসে পুরোনো সেই ব্যস্ততা। আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে দুধ নিয়ে কৃষক, খামারি ও গৃহস্থরা জড়ো হন এখানে। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে দুধের হাট।
স্থানীয়দের কাছে খলিষখালী বাজার এখন ‘দুধের বাজার’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। প্রতিদিন ভোরে কেউ সাইকেলে, কেউ ভ্যানে, আবার কেউ বিভিন্ন যানবাহনে করে দুধ নিয়ে আসেন। চলে দুধ মাপা, দরদাম ও কেনাবেচা। সাধারণত সকাল ১১টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় এ বেচাকেনা। স্থানীয়দের হিসাবে, খলিষখালীর দুধের বাজারে প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মণ দুধ কেনাবেচা হয়। খলিষখালী, মাগুরা, ইসলামকাটি, সরুলিয়া ও খেশরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে দুধ নিয়ে আসেন বিক্রেতারা। দূর-দূরান্ত থেকেও ক্রেতারা আসেন এ বাজারে।বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি দুধের দাম প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। তবে দুধের মান, সময় ও ক্রেতাভেদে দাম কিছুটা কমবেশি হয় বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

 

।। দুধ বিক্রির টাকায় চলে সংসার।।

খলিষখালী ও আশপাশের এলাকায় গরু পালন এখন অনেক পরিবারের নিত্যদিনের কাজের অংশ হয়ে উঠেছে। কারও বাড়িতে এক-দুটি গরু, আবার কেউ গড়ে তুলেছেন ছোট খামার। নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে অতিরিক্ত দুধ বাজারে বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয় করছেন তারা। পাকশিয়া গ্রামের মনোরঞ্জন মন্ডলের বাড়িতেও রয়েছে গরুর খামার। তাঁর খামারে ১২ থেকে ১৫টি গরু রয়েছে। বর্তমানে ছয়টি গাভি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কেজি দুধ পান তিনি। প্রতিদিন সকালে সেই দুধ নিয়ে আসেন খলিষখালী বাজারে।

মনোরঞ্জন মন্ডল বলেন, “৪৫ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে, কখনো এর চেয়েও কম দামে দুধ বিক্রি করতে হয়। তবে দুধ বিক্রির টাকা দিয়েই সংসার ভালোভাবে চলে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের জন্য কিছু সঞ্চয়ও করতে পেরেছি।”তাঁর মতো আশপাশের গ্রামের অনেক পরিবারই গরু পালন করে দুধ বিক্রির মাধ্যমে বাড়তি আয় করছে।বাগমারা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক শাহিদুল ইসলাম প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কেজি দুধ উৎপাদন করেন। নিয়মিত বাজারে দুধ বিক্রি করে সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটান তিনি।শাহিদুল ইসলাম বলেন, “খলিষখালী দুধের বাজারের কারণে আশপাশের গ্রামের মানুষ বাড়িতে গাভি পালন করছেন। সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে খলিষখালীর মতো দুধের বাজার আর কোথাও নেই। এ বাজারের ইতিহাসও অনেক পুরোনো।”মাদরা গ্রামের হরি মন্ডল প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দুধ নিয়ে বাজারে আসেন। তিনি জানান, প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে দুধ বিক্রি করেন।
বয়রাডাঙ্গা গ্রামের রবিউল খাঁ বলেন, “প্রতিদিন বাড়ি থেকে দুধ নিয়ে আসি। দুধ বিক্রির আয় দিয়েই সংসার চলে।

।। কয়েক দশক ধরে দুধের ব্যবসা।।

খলিষখালী বাজারে দুধ কেনাবেচার সঙ্গে কয়েক দশক ধরে যুক্ত রয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। কাদিকাটি গ্রামের সঞ্জয় দাস ও বিষ্ণু কুমার দাস, সরুলিয়ার শুভঙ্কর ঘোষ, দুলাল ঘোষ ও সমীর ঘোষ এবং রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত্যুঞ্জয় ঘোষসহ অনেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে এ ব্যবসা করছেন।ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বছরের পর বছর বাজারের অনেক পরিবর্তন হলেও দুধের কেনাবেচা কমেনি। বরং আশপাশের এলাকায় গরু পালন বাড়ায় দুধের সরবরাহও বেড়েছে। এ ব্যবসা করে অনেকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন এবং পরিবার নিয়ে স্বচ্ছন্দে জীবনযাপন করছেন।সরুলিয়া থেকে আসা ক্রেতারাও নিয়মিত এ বাজার থেকে দুধ কেনেন। পরে এসব দুধ পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও খাবারের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়।
অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক সুনীল দে বলেন, সাধারণ সময়ের তুলনায় ঈদ, পূজা, বিয়ে ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে দুধের চাহিদা বেড়ে যায়। দুধ দিয়ে দই, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবার তৈরি করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে একসঙ্গে বেশি দুধের প্রয়োজন হওয়ায় বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ে। তখন দামও কিছুটা বেড়ে যায়।

।। জমিদার ননী বসুর দান করা জমিতে বাজারের গোড়াপত্তন।।

খলিষখালী বাজারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জমিদার আমলের ইতিহাস। স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য অনুযায়ী, জমিদার ননী বসুর দান করা জমিতে খলিষখালী বাজারের গোড়াপত্তন হয়। সেই সময় থেকেই এ এলাকা ধীরে ধীরে স্থানীয় মানুষের কেনাবেচার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
স্থানীয় প্রবীণ চন্ডীচরণ হোড় বলেন, “খলিষখালী এলাকায় একসময় জমিদারদের বসতি ছিল। সেই সময় থেকেই বাজার দুটির গোড়াপত্তন হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত আছে। প্রায় শত বছর ধরে বাজার দুটি মানুষের কেনাবেচার কেন্দ্র হিসেবে টিকে আছে।”

ডা. কামাল কুমার দাস বলেন, “খলিষখালী বাজারের ইতিহাস অনেক পুরোনো। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, জমিদার ননী বসুর দান করা জমিতে এ বাজারের গোড়াপত্তন হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে বাজারের পরিধি বেড়েছে, কিন্তু এর ঐতিহ্য এখনো ধরে রেখেছে। ভোর থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে বাজারের চারপাশ জমে ওঠে। বিশেষ করে দুধের বাজার বসার সময় এখানে আলাদা এক কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয়। সকালেই মূলত দুধের কেনাবেচা হয় এবং বেলা ১১টার মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়।”

বাজারের পাশে রয়েছে একটি পুরোনো বটগাছ। গাছটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে কয়েকটি চায়ের দোকানসহ ছোটখাটো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ভোরে দুধের বাজার বসার সময় এসব দোকানেও মানুষের ভিড় দেখা যায়। পুরোনো বটগাছ, বাজারের ব্যস্ততা আর দুধের হাট—সব মিলিয়ে খলিষখালীর ভোর যেন স্থানীয় জীবনেরই একটি চেনা দৃশ্য।

।। উৎপাদন খরচ বাড়ায় দুশ্চিন্তা।।

দুধের এই জমজমাট বাজারের আড়ালে রয়েছে খামারি ও গৃহস্থদের নানা দুশ্চিন্তাও। বাড়িতে গরু পালনকারী খলিষখালী গ্রামের আবু বক্কর সরদার বলেন, গরুর খাবার, চিকিৎসা, শ্রমিকের মজুরি ও খামার পরিচালনার খরচ আগের তুলনায় বেড়েছে। ফলে দুধ উৎপাদনের খরচও বাড়ছে।খামারিদের মতে, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দুধের দাম না পাওয়া গেলে গরু পালন করে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়বে।দুধ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, দুধের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে কৃষক ও খামারি উভয়েই লাভবান হবেন। বিশেষ করে গরমের সময় দুধ দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বাজারে শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকলে দূরের ক্রেতাদের কাছেও দুধ সরবরাহ করা সহজ হবে।দুধের মান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসম্মত দোহন, সংরক্ষণ ও পরিবহনের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দুধ সংরক্ষণ, মান পরীক্ষা ও বাজার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা গেলে খলিষখালীর দুগ্ধ ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

 

।। দুধ সংগ্রহে যুক্ত হয়েছে নতুন কেন্দ্র।।

ভোরের দুধের বাজারের পাশাপাশি খলিষখালীতে বর্তমানে তিনটি দুধ সংগ্রহকেন্দ্র চালু হয়েছে। দুপুর ও সন্ধ্যায় গাভি থেকে দ্বিতীয় দফায় সংগ্রহ করা দুধ এসব সংগ্রহকেন্দ্রে বিক্রি করেন খামারি ও গৃহস্থরা। ফলে দুধ বিক্রির জন্য স্থানীয় মানুষের সুযোগও বেড়েছে।
শত বছরের পুরোনো খলিষখালী বাজার আজও ভোরের দুধের হাটের কারণে আলাদা পরিচয় ধরে রেখেছে। একদিকে জমিদার আমলের ইতিহাস, অন্যদিকে গরু পালন করে নতুন করে জীবিকা গড়ে তোলা—দুই মিলিয়ে খলিষখালীর দুধের বাজার এখন শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়; আশপাশের বহু পরিবারের আয়েরও গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস।স্থানীয়দের মতে, দুধের ন্যায্য দাম, সংরক্ষণ সুবিধা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবহন ও আধুনিক বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে খলিষখালীর দুধের বাজারের সম্ভাবনা আরও বাড়বে। ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয় ঘটাতে পারলে খলিষখালী শুধু স্থানীয় নয়, বৃহত্তর সাতক্ষীরা অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দুগ্ধ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।

 

তালা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাছুম বিল্লাহ বলেন, গরু পালনের ক্ষেত্রে সুষম খাবার, নিয়মিত টিকাদান ও রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে খামারিদের সচেতন থাকতে হবে। দুধ দোহন, সংরক্ষণ ও পরিবহনের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও জরুরি। এতে দুধের মান ভালো থাকবে এবং খামারিরাও ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
দেবহাটায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন
পরবর্তী পোস্ট
নোয়াখালীতে দুই আবাসিক হোটেল থেকে ১৮ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার

রিলেটেড পোস্ট

তালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে...

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

দেবহাটায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সাতক্ষীরায় আইন মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা...

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

কলারোয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির...

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সাতক্ষীরায় বাস-মিনিবাস শ্রমিকদের সাথে ট্রাফিক আইন বিষয়ক জনসচেতনতামূলক...

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সাংবাদিক আব্দুল আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের শোক

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting