
# ইয়াবা আসছে টেকনাফ থেকে
#উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী ওবায়দুল্রাহ ধরাছোয়ার বাইরে
নিজস্ব প্রতিবেদক : কালিগঞ্জের ইয়াবা আসছে টেকনাফ থেকে এম খবরে ভাসছে কালিগজ্ঞ । উপজেলা জুড়ে মাদক হরহামেশা বিক্রি হলেও নেই কোন প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ । এদিকে সর্বনাশা ইয়াবা কেড়ে নিচ্ছে মানুষের জীবন, নষ্ট করছে উঠতি বয়সী কিশোরদের ভবিষ্যৎ । মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে কিশোর গাং সৃষ্টি হয়ে এলাকায় ঘটছে চুরি, ডাকাতি,ছিনতাই হত্যা সহ নানা অপরাধ মুলক ঘটনা।
পুলিশ নিরব ভুমিকায় বন্দকাটি আজ যেন পরিনত হতে চলেছে সলিমপুর জঙ্গলে,যেখানে যেখানে পুলিশও যেতে ভয় পায়। এলাকাবাসীর দাবি পুলিশের মোটা অংঙ্কের টাকা মাসহারা দেন উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ গাজী। তারা বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করতে দেখা গেছে কয়েকজন পুলিশের কর্মকর্তাকে । মাদকের বিষয়ে প্রতিবাদ করলে কিশোর গাং বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হুমকি দেওয়া হয় তাদের । প্রকাশ্য ইয়াবা বিক্রি ও সেবন যেন টেকনাফকে হার মানায়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ গাজীর পার্টনার রয়েছে টেকনাফের বদির একসময়ের সহযোগী ছদ্দনাম ফেলো আজিজ। টেকনাফ সীমান্তে বদির হয়ে মানবপাচার আর ইয়াবার বড় চালান এনে সারা বাংলাদেশে সাপ্লায়ার দিত। ওবায়দুল্লাহ গাজী প্রথমে গাঁজা বিক্রি করতো গাজায় লাভ কম হওয়ায় সে ইয়াবা বিক্রির পথ বেঁচে নেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা ওবায়দুল্লাহর এই সিন্ডিকেটে জড়িত বলে এলাকায় জনশ্রুতি আছে । ওবায়দুল্লাহর ভাষ্য সে কর্মকর্তা একজন ব্যারিষ্টার পদমর্যদার লোক । তার মাধ্যমে পরিচয় হয় টেকনাফের ফেলো আজিজের সাথে। প্রথমে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা দিয়ে খুচরা বিক্রি শুরু করে। সিন্ডিকেট ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়ার ফেলো আজিজ ওবায়দুল্লাহকে লাখ পিচ ইয়াবা পাঠায় ১৫ দিন পর পর। ওবায়দুল্লাহ গাজী এই ইয়াবা আনে একটি বিশেষ পরিবহনে। সেটা কালিগঞ্জ ও আশাশুনি শ্যামনগরে ১৫-২০ জন খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে পাইকারি সেল করে। তার শ্যালক আনারুল সে কালিগঞ্জের এক সাংবাদিকের সহযোগী। কালিগঞ্জ থানা পুলিশ যতবার ধরে ততবার সেই সাংবাদিককে দিয়ে আনারুল ওসিকে চাপ প্রয়োগ করায়।
বন্দকাটি এলাকার সবুর মোড়ল বলেন, ওবায়দুল্লাহ গাজী একজন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মুদি পণ্যর মত ইয়াবা বিক্রি করে। তার সাথে পুলিশের যোগসাজশ রয়েছে বিটে যারা দায়িত্ব তার থেকে মাসহারা নেয়। এর কারণে এলাকায় চুরি ডাকাতি বেড়েছে। আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারছি না।
একই এলাকার বাসিন্দা আকবার কবির বলেন, ওবায়দুল্লাহ মানে মাদক মাদক মানে ওবায়দুল্লাহ। তার পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। পুলিশকে জানিয়ে কোন সুরহা হয় না। এলাকায় চুরি ডাকাতি বেড়েছে আমরা অনিরাপদ।
বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওবায়দুলাহ এই এলাকার শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট।আমি কালিগঞ্জের ওসিকে বারবার করে বলছি কিন্তু তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না। আমি জনপ্রতিনিধি চেষ্টা করছি মাদক নির্মূলে। শুধু ওবায়দুল্লাহ নয় কয়েক শতাধিক মাদক বিক্রেতা রয়েছে কালিগজ্ঞে ।
আজ জেলা প্রশাসকের সাথে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে বলেছি ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহ জানান, তিনি এক সময় মাদক বিক্রি করলেও এখন কাজ কাম করে খান । তবে তিনি দাবী করেন তার নামে কোন মাদক মামলা নেই ।
কালিগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, সুনিদৃষ্ট অভিযোগ পেলে ওবায়দুল্লাহ কে গ্রেপ্তার করা হবে ।

