দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সোমবার | ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ১০:৫০
সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি’র এমপি কলারোয়ার পুত্রবধূ সানজিদা...
দর্জি থেকে নেতা, গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাঃ কক্ষ পরিদর্শকদের নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ...
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
রূপান্তরের আয়োজনে মানব  পাচার প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন
আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না  পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ‘সেরা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম (বি-টু-বি)’...
তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি : মোমিন মেহেদী
কলারোয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু 
আশাশুনির বড়দলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনি

আশাশুনি থেকে হারিয়ে গেছে বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’

কর্তৃক kobirubel.satnadee নভেম্বর ২৭, ২০২৩
নভেম্বর ২৭, ২০২৩ ০ কমেন্ট 324 ভিউস

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: কালে কালে বদলায় সমাজ, সংস্কৃতি, হারায় ঐতিহ্য। তেমনি কালের আবর্তেই আশাশুনি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’। আবহমান কাল থেকেই গ্রামবাংলার মানুষের ধূমপানের অন্যতম মাধ্যম ছিল হুক্কা। ধূমপানের জনপ্রিয় এই মাধ্যম গ্রামবাংলার বিনোদন, আতিথেয়তা, বন্ধুত্ব, সম্প্রীতির প্রতীক। সে সময় ধনী-গরিব প্রতিটি বাড়িতেই ছিল হুক্কার প্রচলন। আজ থেকে এক দুই দশক আগেও গ্রামগঞ্জে ধূমপায়ীরা হুক্কার মাধ্যমে নেশায় অভ্যস্ত ছিল। পুরুষের পাশাপাশি বয়স্ক নারী এবং ছেলেমেয়েরাও হুক্কার মাধ্যমে ধূমপান করত। অনেকে শখের বশেও হুক্কায় দিত আয়েশি টান। এ ছাড়া নাটক, সিনেমায় অভিনয়ে ধনীদের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে পিতলের তৈরি ‘হুক্কা’ ও গরিবদের জন্য নারিকেলের খোল দ্বারা তৈরি ‘ডাবা’ ব্যবহার করা হতো। যা মানুষের জীবনের উঁচু-নিচু পার্থক্য নির্ণয় করত। জানা যায়, সম্রাট আকবর (মুঘল আমলে) ১ম তামাক চাষের হুকুম দিয়েছিলেন।আর এক তথ্যে জানা যায় পুর্তগীজরা ব্যবসার উদ্দেশ্যে এ অঞ্চলে আসার সময় তাদের প্রিয় শখের নেশার পাত্র হুক্কা সাথে নিয়ে আসতেন। হুকা পানের টিকিয়া বা টিক্কা বানানো হ’ত গুরা কয়লা দিয়ে আর তামাকপাতা মিহি গুরার সাথে চিতা গুর মিশিয়ে লাড্ডু বানিয়ে কল্কিতে রেখে আগুন জ্বালিয়ে হুকা পান করা হ’তো। মুঘল আমলে বিদরী কাজের হুকার প্রচলন ছিল।বৃটিশ আমলে পিতল তামা দস্তার হুকার প্রচলন শুরু হয়।বড় নল ওয়ালা পিতলের হুকা কে ফুরশি হুকা বলা হ’ত।রাজা জমিদার ধর্নাঢ্য ব্যক্তিগন কারুকার্য খচিত রৌপ্য জার্মান সিলভার দস্তা তামা পিতলের হুক্কা ব্যাবহার করতেন। কালক্রমে এদেশীয় সাধারন মানুষজন নারিকেলি ও মাটির হুক্কা ব্যাবহার করেছে। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এখনো বাঁশের তৈরী হুকা পান করে থাকেন।এক সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক হিসেবে ‘হুক্কা’ খুবই জনপ্রিয় ছিল। এখন সবই অতীত। আশাশুনি এলাকার কয়েক প্রবীণের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন বৈঠকখানায় মেহমানদের জন্য প্রধান আকর্ষণ ছিল হুক্কা। যে কোন বয়সের ছেলে ও বয়স্করা হুক্কার নেশায় মাতোয়ারা ছিল। তামাক পাতাগুলোকে টুকরো টুকরো করে কেটে এতে চিটাগুড় মিশ্রিত করে তৈরি হত হুক্কার প্রধান উপাদান ‘তামুক’। তামুক মাটির তৈরি কলকি’র মধ্যে দিয়ে কয়লার ‘টিক্কা’র মাধ্যমে আগুন দিয়ে ধূমপান করা হতো। এটা একপ্রকার নেশার মতো। হুক্কায় ধূমপানের জন্য এক সময় হাটবাজারে তামাকের গুড়ি মিশ্রিত করে বিক্রি করতে দেখা যেত, বিক্রি করা হতো নারিকেলের খোল দ্বারা হাতে তৈরি হুক্কা। যা ‘ডাবা’ নামে পরিচিত ছিল। হুক্কা নিয়ে গ্রামবাংলায় একটি জনপ্রিয় লোকগান প্রচলিত ছিল।কালের পরিক্রমায় আশাশুনি উপজেলার গ্রামে গ্রামে হুক্কায় তামাকপানের যে প্রচলন ছিল তা আর দেখা যায় না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হুক্কায় ধূমপান করা দূরে থাক চোখেই দেখেনি হুক্কা। হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেট, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। যার মধ্যে রয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর নিকোটিন। তার পরেও এই মরণ নেশায় জড়িয়ে পড়েছে যুব সমাজ। যাদের নিয়ে দেশের সব অভিভাবক মহল থাকেন সব সময় উদ্বিগ্ন। এক কালের গ্রাম বাংলার অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ‘হুক্কা’ আজ বিলুপ্তির পথে। ঘরের বারান্দায় বা দেউড়ি নয় হুক্কার স্থান এখন মিউজিয়ামে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
ঘুষ গ্রহণের অপরাধে সাতক্ষীরা পৌরসভার অস্থায়ী তিন কর্মচারীকে অপসারণ
পরবর্তী পোস্ট
সিসিডিবি এর এনগেজ প্রকল্পে জেন্ডার রেসপনসিভ বাজেটের উপর প্রশিক্ষণ

রিলেটেড পোস্ট

রূপান্তরের আয়োজনে মানব  পাচার প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না  পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

আশাশুনির বড়দলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা...

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বুধহাটা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ ও হেফজ খানায়...

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

গদাইপুরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জমজমাট “সিরাজ সাংস্কৃতিক মেলা”...

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

আশাশুনির বাঁকড়া সাঁকো নদীতে ভেসে গেছে //এমপি রবিউল...

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

আশাশুনি উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধ বার্ষিক সমন্বয়...

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

আশাশুনির প্রতাপনগরে গভীর নলকূপ দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের...

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

আশাশুনিতে কেন্দ্র সচিব ও  প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে সভা

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting