
শেখ আব্দুল হাকিম, শ্যামনগর থেকে: সাতক্ষীরা শ্যামনগরের সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে অবস্থিত দু-টি ইউনিয়ন গাবুরা ও পদ্মপুকুর। এই দুটি ইউনিয়নে সঠিক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় এলাকার মানুষের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
গাবুরা ইউনিয়নের মেম্বার মোস্তফা বলেন, গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন থেকে নওয়াবেকী মোকামে যেতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বলতে নৌকা ও ইঞ্জিন চালিত নৌকাই ভরসা। গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নে ৯০ ভাগ জমিতে চিংড়ি চাষ হওয়ায় প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার চিংড়ি মাছ উৎপাদিত হয়।
এই খাত থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাখি মারা খেয়া ঘাট হতে গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনিমুখা পর্যন্ত রাস্তাটির সংস্কার হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাগো হতো। আবার উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ নষ্ট হয়ে যায়। এই এলাকার নিকটবর্তী বড় বাজার নওয়াবেকী। নদী পথে সময় লাগে ৪/৫ ঘন্টা।
নওয়াবেকী খেয়া ঘাট হতে গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনিমুখা পর্যন্ত সড়ক পথের দূরত্ব ২৭ কিলোমিটার। সড়ক পথের ব্যবস্থা থাকলে সময় লাগত ৩০ মিনিট। অথচ এই এলাকার উন্নয়নের সরকারের কোন ভূমিকা দেখার যায় না।
পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদুল বলেন, গাবুর, পদ্মপুকুর, প্রতাপনগর সহ কয়েকটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন পাখি মারা খেয়াঘাট দিয়ে নওয়াবেকি বাজারে আসতে হয়।
তাই নওয়াবেকী খোলপেটুয়া নদীতে ব্রিজ ও পাখিমারা খেয়াঘাট থেকে চাঁদনিমুখা পর্যন্ত পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর বহু দিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে জানান।

